ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আদানির একটি ইউনিট বন্ধ, দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির চরম অবনতি
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতিতে আওয়ামী লীগের মিছিলে জনসমুদ্র
ডনের আচরণে সালমান শাহ হত্যায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলছে: সিআইডি
সংসদে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হয়েছে: রুমিন ফারহানা
মায়ের মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্ত চিন্ময়
ফারাক্কার ১০৯ গেটই খোলা, বন্যার আভাস
‘তদন্ত চাইলেও মেলেনি সাড়া’— ডব্লিউএইচও’র প্রতি ক্ষোভ ও অনাস্থা জানিয়ে পুতুলের চিঠি
চিফ হুইপ: সাদা কাপড় পরে সরকারি অর্থ বাঁচিয়ে তারেক রহমান ২০৫ কোটি ডলার ঋণ শোধ করেছেন
সরকারের টাকা বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোটা ও সাদা কাপড় পরেন, এমন দাবি করেছেন সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি জানান, সরকারি গাড়ি, খাবার খরচ ও লোকবহরের ব্যবহারেও ব্যয় কমাচ্ছেন তারেক রহমান।
আজ ১১ই সেপ্টেম্বর, শুক্রবার সকালে রাজধানীর জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হুইপ মনির দাবি, শেখ হাসিনা এক বছরে ৩৫ কোটি টাকার খাবার খেয়েছেন কিন্তু তারেক রহমান খান ১৫০ টাকা। যে লোন (ঋণ) করে গেছেন শেখ হাসিনা এবং তার সরকার, সেই টাকা থেকে ২০৫ কোটি ডলার ঋণ পরিশোধ করেছি এই গত পাঁচ মাসে।
পড়ুন: ‘তারেক রহমানই আমাদের নজরুল’: বিদ্রোহী কবির প্রয়াণদিবসে চিফ হুইপ
তিনি দাবি
করেন, এটা আপনাদের ট্যাক্সের টাকা, এক্সচেকারের (রাজকোষ) টাকা, আপনাদের টাকা সে (শেখ হাসিনা) নিয়ে চলে গেছে। সেই টাকা এখন এই সরকারকে দিতে হচ্ছে। যে কারণে সরকার বলেছে, এমপি-মন্ত্রী যদি কোনো জায়গায় বাইরে যান এবং এসে বলেন যে আমার এত টাকা বিল হয়েছে, তা হবে না। কাগজ দিতে হবে, যাতে এক টাকাও নষ্ট না হয়। এটি হলেন তারেক রহমান। মনি জানান, তারেক রহমান মনে করেন—রাষ্ট্রের কোষাগার থেকে কোনো অবস্থাতেই একটি টাকাও অপচয় করা যাবে না। এ কারণেই তিনি ব্যক্তিগত জীবনযাপনেও ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, সরকারের এক্সচেকার থেকে ১০ টাকা—তারেক রহমান সাহেব মনে করেন, কোনো অবস্থাতেই একটা টাকা নষ্ট হতে পারবে না।
তার জন্য নিজে সাদা কাপড় পরেন, মোটা কাপড় পরেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি কার্যক্রমেও ব্যয় কমানোর উদ্যোগের কথা তুলে ধরে চিফ হুইপ বলেন, তার জন্য এয়ারপোর্টে যাওয়া কমিয়ে দিয়েছেন, তার জন্য নিজের গাড়ি-লোকবহর নেই। তার জন্য উনি উনার অফিসে খান। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের খাবার বিলের বিষয়টি তুলে ধরে চিফ হুইপ বলেন, বিরোধী নেতা বলেছেন, যেটা সম্ভব। কিন্তু তারপর খাইতে পারি না। এই কাজটা ভদ্রলোক (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান) করেন, আর এটা তো দেখাবার জন্য করে না, এটা বাস্তবেই করে, যোগ করেন তিনি।
করেন, এটা আপনাদের ট্যাক্সের টাকা, এক্সচেকারের (রাজকোষ) টাকা, আপনাদের টাকা সে (শেখ হাসিনা) নিয়ে চলে গেছে। সেই টাকা এখন এই সরকারকে দিতে হচ্ছে। যে কারণে সরকার বলেছে, এমপি-মন্ত্রী যদি কোনো জায়গায় বাইরে যান এবং এসে বলেন যে আমার এত টাকা বিল হয়েছে, তা হবে না। কাগজ দিতে হবে, যাতে এক টাকাও নষ্ট না হয়। এটি হলেন তারেক রহমান। মনি জানান, তারেক রহমান মনে করেন—রাষ্ট্রের কোষাগার থেকে কোনো অবস্থাতেই একটি টাকাও অপচয় করা যাবে না। এ কারণেই তিনি ব্যক্তিগত জীবনযাপনেও ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, সরকারের এক্সচেকার থেকে ১০ টাকা—তারেক রহমান সাহেব মনে করেন, কোনো অবস্থাতেই একটা টাকা নষ্ট হতে পারবে না।
তার জন্য নিজে সাদা কাপড় পরেন, মোটা কাপড় পরেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি কার্যক্রমেও ব্যয় কমানোর উদ্যোগের কথা তুলে ধরে চিফ হুইপ বলেন, তার জন্য এয়ারপোর্টে যাওয়া কমিয়ে দিয়েছেন, তার জন্য নিজের গাড়ি-লোকবহর নেই। তার জন্য উনি উনার অফিসে খান। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের খাবার বিলের বিষয়টি তুলে ধরে চিফ হুইপ বলেন, বিরোধী নেতা বলেছেন, যেটা সম্ভব। কিন্তু তারপর খাইতে পারি না। এই কাজটা ভদ্রলোক (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান) করেন, আর এটা তো দেখাবার জন্য করে না, এটা বাস্তবেই করে, যোগ করেন তিনি।



