ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতিতে আওয়ামী লীগের মিছিলে জনসমুদ্র
চিফ হুইপ: সাদা কাপড় পরে সরকারি অর্থ বাঁচিয়ে তারেক রহমান ২০৫ কোটি ডলার ঋণ শোধ করেছেন
ডনের আচরণে সালমান শাহ হত্যায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলছে: সিআইডি
সংসদে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হয়েছে: রুমিন ফারহানা
মায়ের মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্ত চিন্ময়
ফারাক্কার ১০৯ গেটই খোলা, বন্যার আভাস
‘তদন্ত চাইলেও মেলেনি সাড়া’— ডব্লিউএইচও’র প্রতি ক্ষোভ ও অনাস্থা জানিয়ে পুতুলের চিঠি
আদানির একটি ইউনিট বন্ধ, দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির চরম অবনতি
কয়লার ঘাটতির কারণে গত এক মাস ধরে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সীমিত পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। পরবর্তীতে কয়লার সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার (১০ই সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে উৎপাদন বাড়তে শুরু করে। তবে মাঝরাতে, রাত ১২টার দিকে আকস্মিক কারিগরি গোলযোগের কারণে কেন্দ্রটির একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ হ্রাস পেয়ে দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা আরও বেড়ে গেছে।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, প্রতিকূল আবহাওয়া তথা ঝড়ের মুখে কয়লা সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় গত ৭ই আগস্ট থেকে আদানি তাদের উৎপাদন কমিয়ে দেয়। পরবর্তীতে গত মাসের শেষভাগে দিনের বেলা ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ১,২০০
মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ায় তারা। এমনকি গত রাতেও উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ ১,৪০০ মেগাওয়াট অতিক্রম করেছিল। কিন্তু একটি ইউনিট বিকল হয়ে পড়ায় বর্তমানে সামগ্রিক উৎপাদন কমে ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে এসেছে। উল্লেখ্য, ভারতে ঝাড়খণ্ড রাজ্যে স্থাপিত আদানির এই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট উৎপাদনক্ষমতা ১,৬০০ মেগাওয়াট। ২০১৭ সালে পিডিবির সাথে আদানির এ বিষয়ক বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই কেন্দ্রে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট রয়েছে, যা থেকে প্রয়োজনের সময় দেড় হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের নজির রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই কর্মকর্তা জানান যে, মূল সমস্যা দেখা দিয়েছে বয়লারে। ত্রুটিযুক্ত অংশটি ঠাণ্ডা হতে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা সময়ের প্রয়োজন হবে, যার পরই কেবল মেরামতের
মূল কাজ হাত দেওয়া সম্ভব। ফলে কেন্দ্রটি পুনরায় পূর্ণ উৎপাদনে ফিরতে বেশ কিছুদিন সময় লেগে যেতে পারে। পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, বিগত দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা তীব্র গ্যাসসংকটের কারণে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে প্রায় ১,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি কয়লার ঘাটতি ও যান্ত্রিক গোলযোগের দরুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকেও পূর্ণ ক্ষমতায় সচল রাখা যাচ্ছে না। পটুয়াখালীর পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কিছুদিন ধরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে এবং সেখানকার অন্য একটি কেন্দ্রে দেখা দিয়েছে কয়লাসংকট। একই কারণে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রও তাদের উৎপাদন হ্রাস করতে বাধ্য হয়েছে বলে সূত্রে প্রকাশ। সংশ্লিষ্টদের মতে, জ্বালানি তেলের ব্যবহার বাড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমেও বর্তমান পরিস্থিতি সামাল
দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথেই লোডশেডিংয়ের দাপট বাড়ছে। গতকাল বেলা তিনটায় রেকর্ড সর্বোচ্চ ৩,৫৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখা গেছে। এমনকি আজকের ছুটির দিনের সকালেও সারাদেশে আড়াই হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ ঘাটতি বা লোডশেডিং বিদ্যমান রয়েছে।
মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ায় তারা। এমনকি গত রাতেও উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ ১,৪০০ মেগাওয়াট অতিক্রম করেছিল। কিন্তু একটি ইউনিট বিকল হয়ে পড়ায় বর্তমানে সামগ্রিক উৎপাদন কমে ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে এসেছে। উল্লেখ্য, ভারতে ঝাড়খণ্ড রাজ্যে স্থাপিত আদানির এই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট উৎপাদনক্ষমতা ১,৬০০ মেগাওয়াট। ২০১৭ সালে পিডিবির সাথে আদানির এ বিষয়ক বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই কেন্দ্রে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট রয়েছে, যা থেকে প্রয়োজনের সময় দেড় হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের নজির রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই কর্মকর্তা জানান যে, মূল সমস্যা দেখা দিয়েছে বয়লারে। ত্রুটিযুক্ত অংশটি ঠাণ্ডা হতে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা সময়ের প্রয়োজন হবে, যার পরই কেবল মেরামতের
মূল কাজ হাত দেওয়া সম্ভব। ফলে কেন্দ্রটি পুনরায় পূর্ণ উৎপাদনে ফিরতে বেশ কিছুদিন সময় লেগে যেতে পারে। পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, বিগত দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা তীব্র গ্যাসসংকটের কারণে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে প্রায় ১,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি কয়লার ঘাটতি ও যান্ত্রিক গোলযোগের দরুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকেও পূর্ণ ক্ষমতায় সচল রাখা যাচ্ছে না। পটুয়াখালীর পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কিছুদিন ধরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে এবং সেখানকার অন্য একটি কেন্দ্রে দেখা দিয়েছে কয়লাসংকট। একই কারণে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রও তাদের উৎপাদন হ্রাস করতে বাধ্য হয়েছে বলে সূত্রে প্রকাশ। সংশ্লিষ্টদের মতে, জ্বালানি তেলের ব্যবহার বাড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমেও বর্তমান পরিস্থিতি সামাল
দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথেই লোডশেডিংয়ের দাপট বাড়ছে। গতকাল বেলা তিনটায় রেকর্ড সর্বোচ্চ ৩,৫৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখা গেছে। এমনকি আজকের ছুটির দিনের সকালেও সারাদেশে আড়াই হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ ঘাটতি বা লোডশেডিং বিদ্যমান রয়েছে।



