ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে শান্তি আলোচনার বিরল সুযোগ
ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন ইনফান্তিনো, থাকছেন ফিফার শীর্ষ পদে
প্রস্তাবিত হরমুজ চুক্তিতে জাহাজ প্রবেশের নিয়ন্ত্রণ পেতে পারে ইরান: রয়টার্স
প্রেমিকের সঙ্গে ঝগড়ার জেরে ১৮ তলা থেকে লাফ, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেন তরুণী
মধ্যরাতে কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা, নিহত ১৭
তিন বছর পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিলিস্তিনের সাবেক মন্ত্রীর পরিবারের ১১২ জনের লাশ উদ্ধার
ইউক্রেন-রাশিয়া আকাশ ও সমুদ্র যুদ্ধে নতুন মোড়
গাজায় উদ্ধার ৪০ শিশুসহ ১১২ জনের লাশ দাফন
ইসরায়েলের বর্বর আগ্রাসনে গাজার একটি আবাসিক ব্লকের সব বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায় আড়াই বছরেরও বেশি আগে। সে সময় থেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে অন্তত ৪০টি শিশুসহ ১১২ জনের মৃতদেহ পড়ে ছিল। গত মঙ্গলবার সেগুলোর অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করার পর কবর দিয়েছে গাজাবাসী।
২০২৩ সালের নভেম্বরে গাজা সিটির ওই আবাসিক ব্লকটি বিমান হামলায় গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ইসরায়েলি বাহিনী। এতে সাবরার বেদুইন বংশোদ্ভূত ফিলিস্তিনি গোত্র ‘আল-হাসায়না’ প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আবু শারিয়া নামেও পরিচিত বৃহত্তর আল-হাসায়না পরিবারের ৩০৮ জন ২০২৩ সালের ২২ নভেম্বরের ওই ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হয়। এ দিন রাতে গাজা সিটির অন্যতম পুরোনো এলাকা সাবরায় এ হামলার সময়
ওই অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকটির সবাই ঘুমিয়ে ছিল। এর আগে প্রায় অর্ধেক মৃতদেহ উদ্ধার করে কবর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ১৫৩টি মৃতদেহ এখন পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিল। প্রায় তিন বছর পর উদ্ধারকারী দলের প্রায় ৪০ সদস্য ১৭ দিন ধরে কঠোর পরিশ্রম করে ধ্বংসস্তূপ তন্ন তন্ন করে খুঁজে দেহাবশেষগুলো বের করে আনেন। যে অবশেষগুলো তারা বের করে আনেন সেগুলো নিখোঁজ ১১২ জনের বলে শনাক্ত হয়। একদল প্রতিবেশী ও গোত্রটির বেঁচে যাওয়া সদস্যরা গত মঙ্গলবার ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সমান করা একটি স্থানে মিলিত হয়েছিলেন। সেখানে মৃতদেহগুলো এনে রাখা হয় ও জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ একে গাজা যুদ্ধের সবচেয়ে বড় গণজানাজা হিসেবে অভিহিত করেছে। জানাজার পর
লোকজন লাশবাহী কফিনগুলো কাঁধে তুলে নিয়ে গোরস্তানের দিকে রওনা হয়। কফিনের সামনের অংশগুলো নিহত নারী, পুরুষ ও শিশুদের ছবি দিয়ে সাজানো ছিল। উপত্যকায় নিহত ৭৩ হাজার ৩৮১: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ৩৮১ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আগের হামলায় আহত আরও দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
ওই অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকটির সবাই ঘুমিয়ে ছিল। এর আগে প্রায় অর্ধেক মৃতদেহ উদ্ধার করে কবর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ১৫৩টি মৃতদেহ এখন পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিল। প্রায় তিন বছর পর উদ্ধারকারী দলের প্রায় ৪০ সদস্য ১৭ দিন ধরে কঠোর পরিশ্রম করে ধ্বংসস্তূপ তন্ন তন্ন করে খুঁজে দেহাবশেষগুলো বের করে আনেন। যে অবশেষগুলো তারা বের করে আনেন সেগুলো নিখোঁজ ১১২ জনের বলে শনাক্ত হয়। একদল প্রতিবেশী ও গোত্রটির বেঁচে যাওয়া সদস্যরা গত মঙ্গলবার ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সমান করা একটি স্থানে মিলিত হয়েছিলেন। সেখানে মৃতদেহগুলো এনে রাখা হয় ও জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ একে গাজা যুদ্ধের সবচেয়ে বড় গণজানাজা হিসেবে অভিহিত করেছে। জানাজার পর
লোকজন লাশবাহী কফিনগুলো কাঁধে তুলে নিয়ে গোরস্তানের দিকে রওনা হয়। কফিনের সামনের অংশগুলো নিহত নারী, পুরুষ ও শিশুদের ছবি দিয়ে সাজানো ছিল। উপত্যকায় নিহত ৭৩ হাজার ৩৮১: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ৩৮১ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আগের হামলায় আহত আরও দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।



