ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২৪-এ সরকার বিরোধী অবস্থানে থাকলেও আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চান তসলিমা নাসরিন
গ্যাস ও কাঁচামালের সংকটে চট্টগ্রামের তিন সার কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, আমন মৌসুমে সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা
গ্যাস সংকটে স্থবির চট্টগ্রাম, উৎপাদন ব্যাহত শিল্পে, ভোগান্তিতে লাখো গ্রাহক
উচ্চমূলে মার্কিন এলনজি কিনেও কাটছে না গ্যাস সংকটঃ সিএনজি স্টেশনে ফের দীর্ঘ লাইন, ভোর থেকে দুপুর গড়িয়েও মিলছে না গ্যাস
শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে আসছেনঃ বেছে নিলেন সেই ৫ই আগস্ট তারিখকেই
শূন্য হয়ে যাচ্ছে টেকনাফ, আপহরণ থেকে বাঁচতে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে মানুষ
আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী একের পর এক কারখানা বন্ধ, কর্মহীন লাখো শ্রমিকের হয়নি বিকল্প কর্মসংস্থান
ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে নাকাল দেশ, তালাবদ্ধ বাসাতেও হাজার টাকার বিল!
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল নিয়ে। মে মাসের তুলনায় জুলাই মাসের বিলে দ্বিগুণ, কোথাও কোথাও দেড়গুণ পর্যন্ত অঙ্ক দেখে হতবাক হচ্ছেন গ্রাহকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অসংখ্য অভিযোগের মধ্যে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর হলো—দুই মাস ধরে তালাবদ্ধ থাকা একটি বাসাতেও প্রায় দুই হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ, যা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন মিটার রিডিং ও বিলিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে।
সারা দেশে একই চিত্র
ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্ট ও মন্তব্যে দেখা যাচ্ছে, শুধু রাজধানী নয়—দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায়ও গ্রাহকরা একই অভিযোগ তুলছেন। কেউ লিখেছেন, “গত মাসে বিল ছিল ৮০০ টাকা, এবার এসেছে
১৮০০ টাকা—ব্যবহার তো বাড়েনি!”, কারো মে মাসে বিদ্যুৎ বিল ৩৪০০ টাকা এলেও একই ব্যাবহারে জুন মাসে এসেছে ৫৭০০ টাকা। কেউবা অভিযোগ করেছেন, প্রি-পেইড মিটারে রিচার্জ করার পরও সংযোগ চালু না হওয়া বা টোকেন ইনপুটের জটিলতায় পড়ার কথা। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকাগুলোতেও গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে বিল পরিশোধ ও অভিযোগ জানাতে গিয়ে, এজিএমের কক্ষে বাড়তি বিলের অভিযোগ নিয়ে ভিড় করেছেন অনেক গ্রাহক, জানতে চেয়েছেন হঠাৎ কেন এত বেশি বিল এসেছে। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-ও এ নিয়ে সরব হয়েছে। ভুক্তভোগীদের বরাত দিয়ে সংগঠনটি জানিয়েছে, অনেক গ্রাহকের দাবি অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবহার না বাড়লেও বিল অস্বাভাবিক বেড়েছে, আর বিদ্যুতের স্ল্যাব পরিবর্তন না
হওয়া সত্ত্বেও আগের মাসের সর্বশেষ ব্যবহারের সঙ্গে উচ্চ হারে নতুন বিল কাটা হচ্ছে। এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। বিদ্যুৎ বিভাগ যা বলছে এই ধারাবাহিক অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রাহক পর্যায় থেকে অন্যান্য মাসের তুলনায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পাওয়ার অভিযোগ মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে, যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে গ্রাহক হয়রানি কমানোর লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানিগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ সচিব সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, বিল বাড়ার মূল কারণ মিটারের ত্রুটি নয়; বরং নতুন ট্যারিফ কার্যকর হওয়া, বেশি ব্যবহার এবং উচ্চ স্ল্যাবে বিল গণনার কারণেই
এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, তীব্র গরম, কম বৃষ্টিপাত এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে চাহিদা বেড়েছে, ফলে অনেক গ্রাহক উচ্চতর ট্যারিফ স্ল্যাবে চলে যাওয়ায় বিলও বেড়েছে। তবে সব অভিযোগকে স্রেফ ব্যবহার-বৃদ্ধি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না বলেও স্বীকার করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। সচিব জানিয়েছেন, কিছু ক্ষেত্রে তথ্য এন্ট্রির ভুল বা করণিক ত্রুটির কারণেও অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়েছে, যা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সংশোধন করা হয়েছে। তালাবদ্ধ বাসায় বিল আসার মতো অভিযোগগুলো এই করণিক ত্রুটি বা ভুল রিডিংয়ের আওতাতেই পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা, যদিও এ ধরনের নির্দিষ্ট ঘটনার আলাদা তদন্তের বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা এখনো আসেনি। গ্রাহকদের
করণীয় অতিরিক্ত বা ভুতুড়ে বিল পেলে বিশৃঙ্খলা না করে সরাসরি নিজ নিজ বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে নির্দিষ্ট হটলাইন নম্বরও চালু রাখা হয়েছে: বিদ্যুৎ বিভাগের কেন্দ্রীয় সেবা ১৬৯৯৯, বিপিডিবির কল সেন্টার ১৬২০০, পবিবোর কল সেন্টার ১৬৮৯৯, ডিপিডিসির কল সেন্টার ১৬১১৬, ডেসকোর কল সেন্টার ১৬১২০, নেসকোর কল সেন্টার ১৬৬০৩ ও ওজোপাডিকোর কল সেন্টার ১৬১১৭। প্রেক্ষাপট জুন মাস থেকেই এই অভিযোগের ধারা শুরু হয়েছিল, যা জুলাই মাসে এসে আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন ট্যারিফ কাঠামো কার্যকর হওয়ার পরপরই বিলিং সিস্টেমে দেখা দেওয়া এই বিভ্রান্তি সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের সংসার খরচে বাড়তি চাপ তৈরি করছে। বিশেষ করে ভাড়াটিয়া ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত
পরিবারগুলোর জন্য এই আকস্মিক বাড়তি বিল সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ উঠে আসছে। গ্রাহক অধিকার সংগঠনগুলো দাবি করেছে, বিলিং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি মিটার রিডিং প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
১৮০০ টাকা—ব্যবহার তো বাড়েনি!”, কারো মে মাসে বিদ্যুৎ বিল ৩৪০০ টাকা এলেও একই ব্যাবহারে জুন মাসে এসেছে ৫৭০০ টাকা। কেউবা অভিযোগ করেছেন, প্রি-পেইড মিটারে রিচার্জ করার পরও সংযোগ চালু না হওয়া বা টোকেন ইনপুটের জটিলতায় পড়ার কথা। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকাগুলোতেও গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে বিল পরিশোধ ও অভিযোগ জানাতে গিয়ে, এজিএমের কক্ষে বাড়তি বিলের অভিযোগ নিয়ে ভিড় করেছেন অনেক গ্রাহক, জানতে চেয়েছেন হঠাৎ কেন এত বেশি বিল এসেছে। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-ও এ নিয়ে সরব হয়েছে। ভুক্তভোগীদের বরাত দিয়ে সংগঠনটি জানিয়েছে, অনেক গ্রাহকের দাবি অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবহার না বাড়লেও বিল অস্বাভাবিক বেড়েছে, আর বিদ্যুতের স্ল্যাব পরিবর্তন না
হওয়া সত্ত্বেও আগের মাসের সর্বশেষ ব্যবহারের সঙ্গে উচ্চ হারে নতুন বিল কাটা হচ্ছে। এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। বিদ্যুৎ বিভাগ যা বলছে এই ধারাবাহিক অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রাহক পর্যায় থেকে অন্যান্য মাসের তুলনায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পাওয়ার অভিযোগ মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে, যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে গ্রাহক হয়রানি কমানোর লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানিগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ সচিব সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, বিল বাড়ার মূল কারণ মিটারের ত্রুটি নয়; বরং নতুন ট্যারিফ কার্যকর হওয়া, বেশি ব্যবহার এবং উচ্চ স্ল্যাবে বিল গণনার কারণেই
এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, তীব্র গরম, কম বৃষ্টিপাত এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে চাহিদা বেড়েছে, ফলে অনেক গ্রাহক উচ্চতর ট্যারিফ স্ল্যাবে চলে যাওয়ায় বিলও বেড়েছে। তবে সব অভিযোগকে স্রেফ ব্যবহার-বৃদ্ধি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না বলেও স্বীকার করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। সচিব জানিয়েছেন, কিছু ক্ষেত্রে তথ্য এন্ট্রির ভুল বা করণিক ত্রুটির কারণেও অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়েছে, যা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সংশোধন করা হয়েছে। তালাবদ্ধ বাসায় বিল আসার মতো অভিযোগগুলো এই করণিক ত্রুটি বা ভুল রিডিংয়ের আওতাতেই পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা, যদিও এ ধরনের নির্দিষ্ট ঘটনার আলাদা তদন্তের বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা এখনো আসেনি। গ্রাহকদের
করণীয় অতিরিক্ত বা ভুতুড়ে বিল পেলে বিশৃঙ্খলা না করে সরাসরি নিজ নিজ বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে নির্দিষ্ট হটলাইন নম্বরও চালু রাখা হয়েছে: বিদ্যুৎ বিভাগের কেন্দ্রীয় সেবা ১৬৯৯৯, বিপিডিবির কল সেন্টার ১৬২০০, পবিবোর কল সেন্টার ১৬৮৯৯, ডিপিডিসির কল সেন্টার ১৬১১৬, ডেসকোর কল সেন্টার ১৬১২০, নেসকোর কল সেন্টার ১৬৬০৩ ও ওজোপাডিকোর কল সেন্টার ১৬১১৭। প্রেক্ষাপট জুন মাস থেকেই এই অভিযোগের ধারা শুরু হয়েছিল, যা জুলাই মাসে এসে আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন ট্যারিফ কাঠামো কার্যকর হওয়ার পরপরই বিলিং সিস্টেমে দেখা দেওয়া এই বিভ্রান্তি সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের সংসার খরচে বাড়তি চাপ তৈরি করছে। বিশেষ করে ভাড়াটিয়া ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত
পরিবারগুলোর জন্য এই আকস্মিক বাড়তি বিল সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ উঠে আসছে। গ্রাহক অধিকার সংগঠনগুলো দাবি করেছে, বিলিং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি মিটার রিডিং প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।



