ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সেনাবাহিনীর মনোগ্রামযুক্ত ল্যান্ড ক্রুজার থেকে বিপুল ইয়াবাসহ সাবেক সেনাসদস্য গ্রেপ্তার
যশোরে নিখোঁজের দুই দিন পরে ভ্যানচালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার: বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ
সিরাজগঞ্জে কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু, পরিবারের দাবি সুপরিকল্পিত হত্যা
গোপালগঞ্জে ভারী পেপার ওয়েট ছুড়ে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক!
অপহরণ-হত্যাচেষ্টা, ফটিকছড়ি জামায়াত আমির-সেক্রেটারিসহ ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
নারায়ণগঞ্জে দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ আগুন, একে একে সারাদেশে পুড়ছে ‘জুলাই স্তম্ভ’
জামায়াত এমপি নজরুলের কুশপুত্তলিকা দাহ ও থুথু নিক্ষেপ
বিএনপি নেতার ঠিকাদারিতে নির্মিত সড়কের ‘ছাল-বাকল’ উঠে বেহাল দশা ২৫ দিনেই!
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সড়কের মেরামতকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার এক মাসও পার হয়নি, এরই মধ্যে সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
এতে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা এবং সরকারি অর্থের অপচয়ের অভিযোগ তুলে তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলা সদর ইউনিয়নের নওমালা-বাউফল সড়কের অলিপুরা বাজার থেকে পৌরসভার হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। দরপত্রের মাধ্যমে ৬৮ লাখ টাকায় কাজটি পায় তৌফিক ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কার্যাদেশ পাওয়ার মাত্র
সাত দিনের মধ্যেই তড়িঘড়ি করে ট্যাক কোট দিয়ে কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ করা হয়। নির্মাণকাজে নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন বা সিডিউল অনুসরণ করা হয়নি বলেও অভিযোগ তাদের। ফলে কাজ শেষ হওয়ার মাত্র ২৫ দিনের মাথায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বাসিন্দাদের আরও দাবি, নির্মাণকাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া কাজ শেষে বিপুল পরিমাণ বিটুমিন ও সিলকোট ব্যবহার না করে সাইট থেকে ফেরত নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এসব কারণে সড়কটি অল্প সময়ের মধ্যেই চলাচলের অনুপযোগী হতে শুরু করেছে বলে তাদের ভাষ্য। এ ঘটনায় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার
দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তৌফিক ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের কাছ থেকে সাব-ঠিকাদার হিসেবে সড়কটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করেন বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং বাউফল সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান ওরফে কামরুল হাওলাদার। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, একটি মহল আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তার দাবি, নির্ধারিত সিডিউল অনুসারেই নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। কোথাও কোনো ত্রুটি থাকলে তা দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে প্রকল্পটির তদারকির দায়িত্বে থাকা বাউফল এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী আলী ইবনে আব্বাস বলেন, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কের কার্পেটিং উঠে যেতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পরিদর্শন করে দ্রুত
প্রয়োজনীয় মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের মান ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে। তাই সরকারি অর্থে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের গুণগত মান যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সাত দিনের মধ্যেই তড়িঘড়ি করে ট্যাক কোট দিয়ে কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ করা হয়। নির্মাণকাজে নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন বা সিডিউল অনুসরণ করা হয়নি বলেও অভিযোগ তাদের। ফলে কাজ শেষ হওয়ার মাত্র ২৫ দিনের মাথায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বাসিন্দাদের আরও দাবি, নির্মাণকাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া কাজ শেষে বিপুল পরিমাণ বিটুমিন ও সিলকোট ব্যবহার না করে সাইট থেকে ফেরত নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এসব কারণে সড়কটি অল্প সময়ের মধ্যেই চলাচলের অনুপযোগী হতে শুরু করেছে বলে তাদের ভাষ্য। এ ঘটনায় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার
দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তৌফিক ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের কাছ থেকে সাব-ঠিকাদার হিসেবে সড়কটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করেন বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং বাউফল সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান ওরফে কামরুল হাওলাদার। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, একটি মহল আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তার দাবি, নির্ধারিত সিডিউল অনুসারেই নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। কোথাও কোনো ত্রুটি থাকলে তা দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে প্রকল্পটির তদারকির দায়িত্বে থাকা বাউফল এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী আলী ইবনে আব্বাস বলেন, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কের কার্পেটিং উঠে যেতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পরিদর্শন করে দ্রুত
প্রয়োজনীয় মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের মান ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে। তাই সরকারি অর্থে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের গুণগত মান যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।



