ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি নেতার ঠিকাদারিতে নির্মিত সড়কের ‘ছাল-বাকল’ উঠে বেহাল দশা ২৫ দিনেই!
যশোরে নিখোঁজের দুই দিন পরে ভ্যানচালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার: বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ
সিরাজগঞ্জে কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু, পরিবারের দাবি সুপরিকল্পিত হত্যা
গোপালগঞ্জে ভারী পেপার ওয়েট ছুড়ে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক!
অপহরণ-হত্যাচেষ্টা, ফটিকছড়ি জামায়াত আমির-সেক্রেটারিসহ ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
নারায়ণগঞ্জে দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ আগুন, একে একে সারাদেশে পুড়ছে ‘জুলাই স্তম্ভ’
জামায়াত এমপি নজরুলের কুশপুত্তলিকা দাহ ও থুথু নিক্ষেপ
সেনাবাহিনীর মনোগ্রামযুক্ত ল্যান্ড ক্রুজার থেকে বিপুল ইয়াবাসহ সাবেক সেনাসদস্য গ্রেপ্তার
কক্সবাজার শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্টিকারযুক্ত একটি বিলাসবহুল টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার জব্দ করা হয়েছে।
উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮৪ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২৩শে জুলাই, বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ৩ নম্বর গেটের সামনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি ওবায়দুল হাসান (৪১)। তিনি বগুড়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাগুপাড়া এলাকার মৃত দেলোয়ার রহমানের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক ল্যান্স করপোরাল। ২০১৯ সালে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, একটি বিলাসবহুল ল্যান্ড ক্রুজার গাড়িতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাচার করা হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে সন্দেহভাজন গাড়িটির জন্য নজরদারি শুরু করা হয়। তিনি জানান, রাত পৌনে ৯টার দিকে গাড়িটি চেকপোস্টে পৌঁছালে পুলিশ থামার সংকেত দেয়। তবে চালক সংকেত অমান্য করে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ধাওয়া করে গাড়িটি আটক করতে সক্ষম হয়। এরপর তল্লাশি চালিয়ে গাড়ির সিটের নিচে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ২৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্টিকারযুক্ত ল্যান্ড
ক্রুজারটি জব্দ করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওবায়দুল হাসান দাবি করেন, তিনি বর্তমানে গাজীপুরে বসবাস করেন। বৃহস্পতিবার সকালে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে কক্সবাজারে এসেছিলেন এবং রাতে ঢাকায় ফিরছিলেন। তবে গাড়িতে কীভাবে ইয়াবা এসেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন। ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, সেনাবাহিনীর স্টিকারযুক্ত একটি গাড়ি ব্যবহার করে মাদক পাচারের চেষ্টা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ মাদক পাচারচক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে এবং এ ঘটনায় কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্টিকার ব্যবহার করে মাদক
পরিবহনের ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। গত ১৫ই জুলাই কক্সবাজারের রামু উপজেলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো একটি প্রাইভেট কারে ইয়াবা পাচারের সময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ওই অভিযানে গাড়িটি থেকে ৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছিল। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সোমেন মণ্ডল বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্টিকার ব্যবহার করে মাদক পাচারের প্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের কৌশল ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট পাচারচক্রকে শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
(ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, একটি বিলাসবহুল ল্যান্ড ক্রুজার গাড়িতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাচার করা হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে সন্দেহভাজন গাড়িটির জন্য নজরদারি শুরু করা হয়। তিনি জানান, রাত পৌনে ৯টার দিকে গাড়িটি চেকপোস্টে পৌঁছালে পুলিশ থামার সংকেত দেয়। তবে চালক সংকেত অমান্য করে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ধাওয়া করে গাড়িটি আটক করতে সক্ষম হয়। এরপর তল্লাশি চালিয়ে গাড়ির সিটের নিচে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ২৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্টিকারযুক্ত ল্যান্ড
ক্রুজারটি জব্দ করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওবায়দুল হাসান দাবি করেন, তিনি বর্তমানে গাজীপুরে বসবাস করেন। বৃহস্পতিবার সকালে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে কক্সবাজারে এসেছিলেন এবং রাতে ঢাকায় ফিরছিলেন। তবে গাড়িতে কীভাবে ইয়াবা এসেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন। ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, সেনাবাহিনীর স্টিকারযুক্ত একটি গাড়ি ব্যবহার করে মাদক পাচারের চেষ্টা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ মাদক পাচারচক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে এবং এ ঘটনায় কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্টিকার ব্যবহার করে মাদক
পরিবহনের ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। গত ১৫ই জুলাই কক্সবাজারের রামু উপজেলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো একটি প্রাইভেট কারে ইয়াবা পাচারের সময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ওই অভিযানে গাড়িটি থেকে ৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছিল। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সোমেন মণ্ডল বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্টিকার ব্যবহার করে মাদক পাচারের প্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের কৌশল ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট পাচারচক্রকে শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।



