জোরপূর্বক শ্রম রোধে ব্যর্থতা: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন মার্কিন শুল্ক কার্যকর – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৪ July, ২০২৬

জোরপূর্বক শ্রম রোধে ব্যর্থতা: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন মার্কিন শুল্ক কার্যকর

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ July, ২০২৬ |
জোরপূর্বক শ্রমে (ফোর্সড লেবার) উৎপাদিত পণ্য আমদানি ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশসহ প্রায় ৬০টি বাণিজ্য অংশীদার দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে অতিরিক্ত শুল্ক কার্যকর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর (ইউএসটিআর) বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানায়, যা শুক্রবার থেকে কার্যকর হচ্ছে। ইউএসটিআরের ঘোষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ ১৭টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এই তালিকায় আরও রয়েছে আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, কানাডা, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, শ্রীলঙ্কা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো এবং যুক্তরাজ্য। এসব দেশ হয় জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছে, অথবা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির (এগ্রিমেন্ট

অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড) মাধ্যমে এমন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে পারেনি বলে ইউএসটিআরের মূল্যায়ন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তাইওয়ান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সুইজারল্যান্ডের কিছু নির্দিষ্ট পণ্যে সর্বোচ্চ শুল্ক-মুক্ত (এমএফএন) হারের ওপর অতিরিক্ত ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ হয়েছে, আর তদন্তের আওতায় থাকা বাকি সব দেশের ওপর বসেছে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে শুল্ক। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এক বিবৃতিতে বলেন, কয়েক দশক ধরে নৈতিক চাপ প্রয়োগ করেও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা থেকে জোরপূর্বক শ্রম দূর করা যায়নি বলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র প্রায় এক শতাব্দী ধরে জোরপূর্বক শ্রমে

তৈরি পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ রেখেছে এবং তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করে আসছে, এখন অন্য বাণিজ্য অংশীদারদেরও একই পথে হাঁটার সময় এসেছে। গ্রিয়ার আরও বলেন, যেসব দেশ দ্রুত জোরপূর্বক শ্রমবিরোধী আইন গ্রহণে এগিয়ে এসেছে, তা তাকে উৎসাহিত করেছে এবং তিনি সেসবের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করার প্রত্যাশা রাখেন। এই পদক্ষেপের পটভূমি বেশ কয়েক মাসের। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দিষ্ট নির্দেশনায় গত ১২ মার্চ ৬০টি অর্থনীতির বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১ ধারায় তদন্ত শুরু করে ইউএসটিআর। এপ্রিলে দুই দফা শুনানি ও ৪৫টির বেশি দেশের সঙ্গে আলোচনার পর গত ২ জুন ইউএসটিআর প্রাথমিক সিদ্ধান্তে জানায়, এসব দেশের ব্যর্থতা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের জন্য অযৌক্তিক ও ক্ষতিকর বিবেচিত হচ্ছে। এরপর

জনমত যাচাইয়ের জন্য ষোলোশর বেশি লিখিত মতামত ও জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে আরেক দফা শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হলো। তবে কাঁচামাল বা এমন কিছু পণ্য, যেগুলোর দেশীয় সরবরাহ পর্যাপ্ত নয় বা যা আমদানি বন্ধ হলে অর্থনীতিতে ব্যাপক বিপর্যয় নামতে পারে, সেগুলোকে এই শুল্কের আওতা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশসহ যেসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে, তাদের নির্দিষ্ট কিছু পণ্যেও একই রকম ছাড় রাখা হয়েছে বলে ইউএসটিআরের ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। আগের বাণিজ্য চুক্তির ওপর নতুন এই শুল্কের প্রভাব এই নতুন শুল্ক এমন এক সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে ইতিমধ্যেই একটি বড় বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর রয়েছে। গত ৯

ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি’ (এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড) স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, আর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সই করেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার। সেই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশি পণ্যের ওপর পারস্পরিক শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশে আনা হয়েছিল। তবে সমালোচকরা তখন থেকেই বলে আসছেন, এই চুক্তিতে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বেশি সামরিক সরঞ্জাম কেনার চেষ্টা করা, নির্দিষ্ট কিছু দেশ থেকে আমদানি কমানো এবং জ্বালানি ও প্রতিরক্ষার মতো সংবেদনশীল খাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা সীমিত করার মতো শর্তও মেনে নিতে

হয়েছে, যার ফলে দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এখন জোরপূর্বক শ্রম-সংক্রান্ত এই নতুন ১০ শতাংশ শুল্ক আগের ১৯ শতাংশ হারের ওপর যোগ হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের সার্বিক শুল্কের বোঝা আরও বাড়ল। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ আসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে, আর তার সিংহভাগই তৈরি পোশাক খাতের। এমনিতেই উচ্চ শুল্ক, ব্যাংকঋণ পাওয়ার জটিলতা ও ক্রয়াদেশ কমে যাওয়ার কারণে চলতি বছরের প্রথমার্ধে পোশাক খাতে প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক ছাঁটাই বা কর্মচ্যুতির শিকার হয়েছেন বলে শিল্পসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। নতুন এই শুল্ক কার্যকর হওয়ায় দেশের প্রধান রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও চাপে পড়তে পারে বলে ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষকদের আশঙ্কা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের