ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতে অনুমোদন পেল ডেঙ্গু টিকা
‘মার্কিন-ইরান সংঘাতে জড়াতে অনিচ্ছুক ইসরাইল’
৪ বছরে যুক্তরাজ্য পেল ৫ প্রধানমন্ত্রী, পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পারবেন বার্নহাম?
গৃহকর্মীদের ইকামা নিয়ে বড় সুখবর দিলো সৌদি আরব
হয় কিংবদন্তি নয়তো আক্ষেপ- ইয়ামালের ভাগ্য নির্ধারণের রাত
ট্রাম্প দেখবেন খেলা, প্রস্তুত থাকবে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান
জর্ডানে দুই মার্কিন সেনা নিহতের পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা
ব্যারিকেড ভেঙে পার্লামেন্ট অভিমুখে তেলাপোকারা, ইন্টারনেট-মেট্রো বন্ধ দিল্লিতে
ভারতের দিল্লিতে মেডিকেল পরীক্ষা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনিয়মের প্রতিবাদে তেলাপোকা তথা ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘সংসদ চলো’ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
আজ ২০শে জুলাই, সোমবার পার্লামেন্টের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় হাজার হাজার বিক্ষোভকারী ব্যারিকেড ভেঙে ফেললে নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ শুরু করে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পার্লামেন্টের আশেপাশের এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি মেট্রো স্টেশনও বন্ধ রাখা হয়েছে।
ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে এসব জানা গেছে।
সোমবার বেলা ১১টা ২৫ মিনিট নাগাদ বিক্ষোভকারীরা উচ্চ-নিরাপত্তা জোনে স্থাপিত একাধিক ব্যারিকেড ভেঙে ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করে।
একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট ভবনের কাছাকাছি অবস্থিত রেল ভবন, শাস্ত্রী ভবন ও কৃষি ভবনে পৌঁছাতে সক্ষম হন। কৃষি ভবনের কাছে বোট ক্লাবেও বিপুল সংখ্যক আন্দোলনকারী জড়ো হন। পরীক্ষায় অনিয়মের জবাবদিহিতা চেয়ে এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপি এই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। দলটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অভিজিৎ দীপক আন্দোলনকারীদের ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ পদযাত্রার জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিগত ১০-১২ বছর ধরে দেশে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা হচ্ছে। যন্তর মন্তরে টানা এক মাস অবস্থান করে তরুণরা গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন এবং সারা দেশ থেকে মানুষ আজ এখানে জড়ো হচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এলাকাজুড়ে বিপুল সংখ্যক ইউনিফর্ম পরিহিত ও সাদা পোশাকের পুলিশ
মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভের মুখে দিল্লির উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। সোমবার এই বৈঠকে তিনি সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে অবস্থান ধর্মঘট প্রত্যাহার করে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান। তবে সিজেপি জানিয়েছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে। মুখপাত্র সৌরভ দাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, জেপি নাড্ডার কাছে শিক্ষামন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ বা অপসারণসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রী উপযুক্ত ফোরামে আলোচনার আশ্বাস দিলেও সরকার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তাই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থামবে না। এদিকে, আন্দোলনরত যুবকদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে অ্যাক্টিভিস্ট সোনম ওয়াংচুক ঘোষণা দিয়েছেন, যুব নেতাদের
পার্লামেন্টে এমপিদের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত অথবা এমপিরা দিল্লির যে হাসপাতালে তিনি ভর্তি আছেন সেখানে না আসা পর্যন্ত তিনি তার অনশন চালিয়ে যাবেন। আজ তার অনশনের ২৩তম দিন চলছে। ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আঙমো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার স্বামীর একটি হাতে লেখা বার্তা শেয়ার করেছেন। সেখানে ওয়াংচুক বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনকারী যুবকদের সঙ্গে যেভাবে নিষ্ঠুর আচরণ করা হচ্ছে তা দেখে তিনি অনশন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি সরকার ও পুলিশের কাছে আবেদন জানান, আজ বা আগামীকাল শিক্ষার্থীদের পার্লামেন্টের সামনে তাদের অভিযোগ উপস্থাপনের অনুমতি দিয়ে যেন এই সমস্যার সহজ সমাধান করা হয়। রাজধানী দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের এই বলপ্রয়োগের তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের প্রধান বিরোধী
দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী। সোমবার সন্ধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, যুবকেরা যা করছে তাতে ভুল কিছু নেই। সরকার ও পুলিশ যা করছে তা অত্যন্ত জঘন্য। শিক্ষার্থীদের ওপর কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা এবং লাঠিচার্জ করা মোটেও গণতান্ত্রিক আচরণ নয়। এটি কোনোভাবে ভারতের পথ হতে পারে না।
একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট ভবনের কাছাকাছি অবস্থিত রেল ভবন, শাস্ত্রী ভবন ও কৃষি ভবনে পৌঁছাতে সক্ষম হন। কৃষি ভবনের কাছে বোট ক্লাবেও বিপুল সংখ্যক আন্দোলনকারী জড়ো হন। পরীক্ষায় অনিয়মের জবাবদিহিতা চেয়ে এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপি এই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। দলটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অভিজিৎ দীপক আন্দোলনকারীদের ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ পদযাত্রার জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিগত ১০-১২ বছর ধরে দেশে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা হচ্ছে। যন্তর মন্তরে টানা এক মাস অবস্থান করে তরুণরা গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন এবং সারা দেশ থেকে মানুষ আজ এখানে জড়ো হচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এলাকাজুড়ে বিপুল সংখ্যক ইউনিফর্ম পরিহিত ও সাদা পোশাকের পুলিশ
মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভের মুখে দিল্লির উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। সোমবার এই বৈঠকে তিনি সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে অবস্থান ধর্মঘট প্রত্যাহার করে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান। তবে সিজেপি জানিয়েছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে। মুখপাত্র সৌরভ দাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, জেপি নাড্ডার কাছে শিক্ষামন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ বা অপসারণসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রী উপযুক্ত ফোরামে আলোচনার আশ্বাস দিলেও সরকার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তাই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থামবে না। এদিকে, আন্দোলনরত যুবকদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে অ্যাক্টিভিস্ট সোনম ওয়াংচুক ঘোষণা দিয়েছেন, যুব নেতাদের
পার্লামেন্টে এমপিদের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত অথবা এমপিরা দিল্লির যে হাসপাতালে তিনি ভর্তি আছেন সেখানে না আসা পর্যন্ত তিনি তার অনশন চালিয়ে যাবেন। আজ তার অনশনের ২৩তম দিন চলছে। ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আঙমো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার স্বামীর একটি হাতে লেখা বার্তা শেয়ার করেছেন। সেখানে ওয়াংচুক বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনকারী যুবকদের সঙ্গে যেভাবে নিষ্ঠুর আচরণ করা হচ্ছে তা দেখে তিনি অনশন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি সরকার ও পুলিশের কাছে আবেদন জানান, আজ বা আগামীকাল শিক্ষার্থীদের পার্লামেন্টের সামনে তাদের অভিযোগ উপস্থাপনের অনুমতি দিয়ে যেন এই সমস্যার সহজ সমাধান করা হয়। রাজধানী দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের এই বলপ্রয়োগের তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের প্রধান বিরোধী
দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী। সোমবার সন্ধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, যুবকেরা যা করছে তাতে ভুল কিছু নেই। সরকার ও পুলিশ যা করছে তা অত্যন্ত জঘন্য। শিক্ষার্থীদের ওপর কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা এবং লাঠিচার্জ করা মোটেও গণতান্ত্রিক আচরণ নয়। এটি কোনোভাবে ভারতের পথ হতে পারে না।



