ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনার সময় মানুষ কম দামে ইলিশ খেয়েছে: এখন ভারতেও যায় না, তাও কেন ১ কেজির দাম ২৭০০ টাকা?
ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা বিরাজ করছে দেশে, দাবি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনের
প্রতিমন্ত্রী যখন সরকারি ঠিকাদার: আইন, নৈতিকতা ও সাংবিধানিক সংকটে মীর শাহে আলম
ক্ষমতার দ্বন্দ্বে মরিয়া বিএনপি-জামায়াতের শীর্ষ সন্ত্রাসীরা: বাড়ছে অত্যাধুনিক অস্ত্রের মজুদ: পর্ব-১
চাঁদা না পেলেই সরাসরি গুলি: চট্টগ্রামে দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর একের পর এক জামিনে আতঙ্কিত নগরবাসী
‘বুকে ব্যথা নিয়ে’ সুনামগঞ্জ কারাগারে হাজতির আকস্মিক মৃত্যু
ছাত্রলীগে গুপ্তবেশে ছিলেন ছাত্রদলের দুই নেতা, ‘কৌশল’ বলে স্বীকার করলেন
১১ দিনেই ৩ মামলায় জামিন পেলেন ছিনতাইকারী থেকে মাদক-চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের গডফাদার বুইস্যা
চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ ও চান্দগাঁও এলাকার কুখ্যাত অপরাধী, একাধিক কিশোর গ্যাংয়ের নিয়ন্ত্রক এবং ৩২টি মামলার আসামি শহীদুল ইসলাম ওরফে বুইস্যা গত বছরের ২১শে ডিসেম্বর অস্ত্র ও গুলিসহ র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মাত্র ১১ দিনের ব্যবধানে উচ্চ আদালত থেকে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় জামিন পেয়েছেন।
তার এই একের পর এক জামিন লাভের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বন্দরনগরীর সাধারণ ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
আদালত ও কারা সূত্রে জানা গেছে, গত ২রা জুলাই চান্দগাঁও থানার দুটি অস্ত্র মামলায় এবং সর্বশেষ ১২ই জুলাই পাঁচলাইশ থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান বুইস্যা।
চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন নিশ্চিত করেছেন যে, তিনটি মামলার জামিননামা যাচাই-বাছাই শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের কারাধ্যক্ষ সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, বন্দী শহীদুল ওরফে বুইস্যার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও মাদক আইনের মোট ৩২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন এবং জামিননামা কারাগারে এসেছে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা থাকায় এখনই তিনি জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো আইনগত সুযোগ নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, বুইস্যার অপরাধ জগতে হাতেখড়ি হয় গায়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগিয়ে জটলা পাকিয়ে সাধারণ মানুষের জিনিসপত্র চুরি ও ছিনতাইয়ের মাধ্যমে। পরবর্তীতে তিনি জড়িয়ে পড়েন কোটি কোটি টাকার মাদকের কারবারে এবং
নিজের আধিপত্য বজায় রাখতে গড়ে তোলেন নিজস্ব সশস্ত্র বাহিনী। বুইস্যার অপরাধের বিস্তার কতটা আধুনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছিল, তার প্রমাণ মেলে গত বছরের ১০ই অক্টোবর। নগরের শুলকবহর এলাকায় পুলিশ বুইস্যার আস্তানায় অভিযান চালিয়ে মাদক ও অস্ত্রের পাশাপাশি ব্যাংকে ব্যবহৃত ‘টাকা গণনার যন্ত্র’ (মানি কাউন্টিং মেশিন) উদ্ধার করে। মাদক বিক্রি ও চাঁদাবাজির বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা দ্রুত গুনতেই বুইস্যা তার আস্তানায় এই মেশিন রেখেছিলেন বলে জানায় পুলিশ। নগরের চান্দগাঁও বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার এলাকার একটি ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটকে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ‘টর্চার সেল’ হিসেবে ব্যবহার করতেন বুইস্যা। গত বছরের ২১শে জুলাই সেখানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তার ১১ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে এবং থানা থেকে লুট হওয়া গুলি,
কার্তুজ ও দেশি অস্ত্র উদ্ধার করে। এই বাহিনীর মূল নীতিই ছিল—‘চাঁদা না পেলেই প্রকাশ্যে গুলি’। গত বছরের ৪ঠা অক্টোবর পাঁচলাইশ বাদুরতলা এলাকায় একটি গ্যারেজের সামনে বুইস্যার সহযোগী মুন্নার কোমর থেকে পিস্তল বের করে প্রকাশ্যে গুলি করার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। এছাড়া ১৯শে অক্টোবর মনিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত এবং ১০ই নভেম্বর চান্দগাঁও এলাকায় একটি মোটর গ্যারেজে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে প্রকাশ্যে গুলি চালায় বুইস্যা ও তার দলবল। বুইস্যার জামিন পাওয়ার খবরে চান্দগাঁও এলাকার এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এই সন্ত্রাসী কোনোভাবে জেল থেকে বেরিয়ে এলে এলাকার আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটবে এবং সাধারণ মানুষের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে
পড়বে। বন্দি বুইস্যাকে কারাগারেই আটকে রাখতে অন্যান্য ঝুলে থাকা মামলাগুলোর আইনি প্রক্রিয়া আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন নিশ্চিত করেছেন যে, তিনটি মামলার জামিননামা যাচাই-বাছাই শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের কারাধ্যক্ষ সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, বন্দী শহীদুল ওরফে বুইস্যার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও মাদক আইনের মোট ৩২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন এবং জামিননামা কারাগারে এসেছে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা থাকায় এখনই তিনি জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো আইনগত সুযোগ নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, বুইস্যার অপরাধ জগতে হাতেখড়ি হয় গায়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগিয়ে জটলা পাকিয়ে সাধারণ মানুষের জিনিসপত্র চুরি ও ছিনতাইয়ের মাধ্যমে। পরবর্তীতে তিনি জড়িয়ে পড়েন কোটি কোটি টাকার মাদকের কারবারে এবং
নিজের আধিপত্য বজায় রাখতে গড়ে তোলেন নিজস্ব সশস্ত্র বাহিনী। বুইস্যার অপরাধের বিস্তার কতটা আধুনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছিল, তার প্রমাণ মেলে গত বছরের ১০ই অক্টোবর। নগরের শুলকবহর এলাকায় পুলিশ বুইস্যার আস্তানায় অভিযান চালিয়ে মাদক ও অস্ত্রের পাশাপাশি ব্যাংকে ব্যবহৃত ‘টাকা গণনার যন্ত্র’ (মানি কাউন্টিং মেশিন) উদ্ধার করে। মাদক বিক্রি ও চাঁদাবাজির বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা দ্রুত গুনতেই বুইস্যা তার আস্তানায় এই মেশিন রেখেছিলেন বলে জানায় পুলিশ। নগরের চান্দগাঁও বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার এলাকার একটি ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটকে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ‘টর্চার সেল’ হিসেবে ব্যবহার করতেন বুইস্যা। গত বছরের ২১শে জুলাই সেখানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তার ১১ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে এবং থানা থেকে লুট হওয়া গুলি,
কার্তুজ ও দেশি অস্ত্র উদ্ধার করে। এই বাহিনীর মূল নীতিই ছিল—‘চাঁদা না পেলেই প্রকাশ্যে গুলি’। গত বছরের ৪ঠা অক্টোবর পাঁচলাইশ বাদুরতলা এলাকায় একটি গ্যারেজের সামনে বুইস্যার সহযোগী মুন্নার কোমর থেকে পিস্তল বের করে প্রকাশ্যে গুলি করার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। এছাড়া ১৯শে অক্টোবর মনিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত এবং ১০ই নভেম্বর চান্দগাঁও এলাকায় একটি মোটর গ্যারেজে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে প্রকাশ্যে গুলি চালায় বুইস্যা ও তার দলবল। বুইস্যার জামিন পাওয়ার খবরে চান্দগাঁও এলাকার এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এই সন্ত্রাসী কোনোভাবে জেল থেকে বেরিয়ে এলে এলাকার আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটবে এবং সাধারণ মানুষের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে
পড়বে। বন্দি বুইস্যাকে কারাগারেই আটকে রাখতে অন্যান্য ঝুলে থাকা মামলাগুলোর আইনি প্রক্রিয়া আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।



