ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা
বিএনপি নেতা আরাফাত রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীতে আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বেড়ে চলেছে সংখ্যা
সুনামগঞ্জে এক বছরে অন্তত ১৫ ছাত্র মাদ্রাসার মুহতামিমের ধর্ষণের শিকার, ধামাচাপার চেষ্টা স্থানীয় মাওলানাদের
সীতাকুণ্ডে বিএনপি কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করল আওয়ামী লীগ কর্মীকে
যুবলীগ নেতা ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা, মামলা করতে গিয়ে ৬৮ বছরের বৃদ্ধা মা বিএনপি অফিস ভাঙার মামলায় কারাগারে!
ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু: পরিবারের বরাতে পুলিশ
পাবনায় নিখোঁজ আওয়ামী লীগ সহসভাপতির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় আব্দুস শুকুর (৪০) নামে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
আজ ১৮ই জুলাই, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আতাইকুলা থানার ভুলবাড়িয়া ইউনিয়নের রতনপুর উত্তরপাড়ের একটি বাগান থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত আব্দুস শুকুর রতনপুর গ্রামের মৃত রোকন উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে। তিনি ভুলবাড়িয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন।
স্থানীয়দের মতে, জামায়াত-শিবির এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে। ২০২৪-এর ৫ই আগস্টের পর থেকে আব্দুস শুকুরের ওপর প্রচুর নির্যাতন-নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে তাদের অভিমত।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ১৭ই জুলাই, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বাড়ি থেকে বের হন
আব্দুস শুকুর। রাত ১২টা পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সন্দেহ হয়। স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে ফোন দিয়ে কোনও খোঁজখবর পাননি স্বজনরা। শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে রতনপুর এলাকার উজিরের বাগানের জঙ্গলের মধ্যে গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে আতাইকুলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। এরপর পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশ আব্দুস শুকুরের বলে শনাক্ত করেন। স্বজনদের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কোনও তথ্য দিতে পারেননি স্বজনরা। ভুলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু ইউনুসের ছেলে রুমি হোসেন বলেন, “আব্দুস শুকুর ভুলবাড়িয়া ইউনিয়নের ৯
নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন। তাকে কারা হত্যা করেছে, তা পুলিশ তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে।” আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। কারা কী কারণে তাকে হত্যা করেছে, তা এখনও জানা যায়নি। হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।”
আব্দুস শুকুর। রাত ১২টা পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সন্দেহ হয়। স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে ফোন দিয়ে কোনও খোঁজখবর পাননি স্বজনরা। শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে রতনপুর এলাকার উজিরের বাগানের জঙ্গলের মধ্যে গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে আতাইকুলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। এরপর পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশ আব্দুস শুকুরের বলে শনাক্ত করেন। স্বজনদের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কোনও তথ্য দিতে পারেননি স্বজনরা। ভুলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু ইউনুসের ছেলে রুমি হোসেন বলেন, “আব্দুস শুকুর ভুলবাড়িয়া ইউনিয়নের ৯
নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন। তাকে কারা হত্যা করেছে, তা পুলিশ তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে।” আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। কারা কী কারণে তাকে হত্যা করেছে, তা এখনও জানা যায়নি। হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।”





