ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘আপনার বহু আগে ঢাকায় আমি ছাত্রদল করে আসছি’— কুমিল্লা এসপির বিস্ফোরক মন্তব্য ভাইরাল
গোপালগঞ্জ গণহত্যা দিবস: চবি ক্যাম্পাসে স্লোগানে স্লোগানে ছাত্রলীগের প্রতিবাদ
শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার মুখে ছাই: নাটোরে পরীক্ষার হলে দেদারসে নকল, ধরিয়ে দিয়ে উল্টো বহিষ্কার শিক্ষার্থী
ফেনীতে যুবলীগ নেতাকে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায় যুবদল ক্যাডারদের
গোপালগঞ্জ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে ফেনীতে আওয়ামী লীগের মিছিল
হ্যারি কেইনও পারলেন না পরীমনির বিয়ে ঠেকাতে
যশোরে আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার, বিএনপির ২ নেতাকর্মী আটক
‘বিএনপির কোনো ভিডিও করা যাবে না’—বলেই ওসির সামনে সাংবাদিকের উপর নেতাকর্মীদের হামলা
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার সামনে খোদ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন এবং পুলিশের সঙ্গীয় ফোর্সের উপস্থিতিতে দুই কর্মরত সাংবাদিকের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল ১৭ই জুলাই, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় গুরুতর আহত দীপ্ত টিভির ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক যুগান্তরের কালীগঞ্জ প্রতিনিধি শাহরিয়ার আলম সোহাগ এবং নাগরিক টিভির জেলা প্রতিনিধি মিশন আলী বর্তমানে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগ উঠেছে, ওসির ‘মাদক বাণিজ্য’ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে ওসির ইশারাতেই তার পেটোয়া বাহিনী সাংবাদিকদের ওপর এই হামলা চালিয়েছে।
আহত সাংবাদিক মিশন আলীর বিবরণ অনুযায়ী, গত তিনদিন ধরে শহরের আড়পাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে মিলন হোসেন নামে এক
যুবককে মারধর করে এলাকার অজ্ঞাত কয়েকজন যুবক। এর জেরে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আড়পাড়া এলাকার মিঠু ও ইয়াসিন নামের দুই যুবককে থানায় তুলে নিয়ে আসে পুলিশ। ঘটনার পর আড়পাড়া এলাকা থেকে অন্তত ১৫-২০ জন নারী ও পুরুষ পুলিশের সাথে কথা বলতে এবং ওসির মামলা না নেওয়ার প্রতিবাদে থানা ঘেরাও করতে আসে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ওসি জেল্লাল হোসেন স্থানীয় কৃষকদল নেতা জালাল উদ্দিন ও শাহীন লষ্করকে ফোন দিয়ে জরুরি ভিত্তিতে থানায় ডেকে আনেন। রাত ৯টার দিকে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির সংবাদ সংগ্রহ করতে দুই সাংবাদিক থানার সামনে যান। থানার সামনে পৌঁছানোর পর দেখা যায়, উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন ও যুবদলের কয়েকজন নেতাকর্মী থানায়
আসা সাধারণ নারীদের ওপর চড়াও হয়ে হামলা চালাচ্ছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ভিডিও ফুটেজ ধারণ করতে গেলেই সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়ে হামলাকারীরা। ভুক্তভোগী সাংবাদিক মিশন আলী বলেন, “কৃষকদল নেতা জালাল উদ্দিন এসে আমাদের হুমকি দেয় যে— ‘বিএনপির লোকদের কোনো ভিডিও করা যাবে না’। এই বলেই জালাল প্রথমে আমার ওপর হামলা করে। এরপর ইসলামী ব্যাংক কালীগঞ্জ শাখার স্টাফ হাসান, নদী পাড়ার টিটো এবং ফারাসপুর গ্রামের রবিউলসহ ওসির পেটুয়া বাহিনী আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বেধড়ক মারধর শুরু করে।” হামলার শিকার অপর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাহরিয়ার আলম সোহাগ সরাসরি ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন,ওসির সামনেই সন্ত্রাসী জালাল এই ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। ওসির মাদক নিয়ে বাণিজ্য ও
আসামির মোবাইল গায়েব করা নিয়ে আমরা অতীতে সংবাদ প্রকাশ করেছিলাম। সেই ক্ষোভ থেকে ওসি জালাল ও শাহীন লস্করসহ গুন্ডাবাহিনী ডেকে এনে আমাদের ওপর এই হামলা করিয়েছে। আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, চোখের সামনে সাংবাদিকদের পেটানোর পরও ওসি জালালকে গ্রেপ্তার না করে পুলিশি পাহারায় নিরাপদ ‘সেফ এক্সিট’ (পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ) দিয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কৃষকদল নেতা জালাল উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাংবাদিকদের ওপর হামলার এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, মাদক মামলার আসামি ধরায় গ্রামের মানুষ থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা করছিল। আমি
স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ডেকে গ্রামের মানুষকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করি। এ সময় কৃষকদলের জালালসহ কয়েকজন নারীদের গাড়িতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছিল। ওই সময় সাংবাদিকরা ভিডিও করতে গেলে বিএনপি নেতারা বাধা দেয় এবং একটি ‘ধাক্কাধাক্কি’র ঘটনা ঘটে। আমরা পরে বিএনপি নেতাকর্মীদের সরিয়ে দিয়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দিয়েছি। সাংবাদিকদের সাথে কোনো পূর্বশত্রুতা ছিল কি না—এমন প্রশ্নে ওসি দাবি করেন, সাংবাদিকদের সাথে পুলিশের কোনো বিরোধ নেই, সবাই মিলেমিশে কাজ করেন। খোদ থানার প্রধান ফটকের সামনে ওসির উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের ওপর এমন রক্তাক্ত হামলার ঘটনায় ঝিনাইদহের গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ অবিলম্বে দোষী রাজনৈতিক নেতা জালাল ও নেপথ্যের মদদদাতাদের
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
যুবককে মারধর করে এলাকার অজ্ঞাত কয়েকজন যুবক। এর জেরে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আড়পাড়া এলাকার মিঠু ও ইয়াসিন নামের দুই যুবককে থানায় তুলে নিয়ে আসে পুলিশ। ঘটনার পর আড়পাড়া এলাকা থেকে অন্তত ১৫-২০ জন নারী ও পুরুষ পুলিশের সাথে কথা বলতে এবং ওসির মামলা না নেওয়ার প্রতিবাদে থানা ঘেরাও করতে আসে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ওসি জেল্লাল হোসেন স্থানীয় কৃষকদল নেতা জালাল উদ্দিন ও শাহীন লষ্করকে ফোন দিয়ে জরুরি ভিত্তিতে থানায় ডেকে আনেন। রাত ৯টার দিকে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির সংবাদ সংগ্রহ করতে দুই সাংবাদিক থানার সামনে যান। থানার সামনে পৌঁছানোর পর দেখা যায়, উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন ও যুবদলের কয়েকজন নেতাকর্মী থানায়
আসা সাধারণ নারীদের ওপর চড়াও হয়ে হামলা চালাচ্ছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ভিডিও ফুটেজ ধারণ করতে গেলেই সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়ে হামলাকারীরা। ভুক্তভোগী সাংবাদিক মিশন আলী বলেন, “কৃষকদল নেতা জালাল উদ্দিন এসে আমাদের হুমকি দেয় যে— ‘বিএনপির লোকদের কোনো ভিডিও করা যাবে না’। এই বলেই জালাল প্রথমে আমার ওপর হামলা করে। এরপর ইসলামী ব্যাংক কালীগঞ্জ শাখার স্টাফ হাসান, নদী পাড়ার টিটো এবং ফারাসপুর গ্রামের রবিউলসহ ওসির পেটুয়া বাহিনী আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বেধড়ক মারধর শুরু করে।” হামলার শিকার অপর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাহরিয়ার আলম সোহাগ সরাসরি ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন,ওসির সামনেই সন্ত্রাসী জালাল এই ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। ওসির মাদক নিয়ে বাণিজ্য ও
আসামির মোবাইল গায়েব করা নিয়ে আমরা অতীতে সংবাদ প্রকাশ করেছিলাম। সেই ক্ষোভ থেকে ওসি জালাল ও শাহীন লস্করসহ গুন্ডাবাহিনী ডেকে এনে আমাদের ওপর এই হামলা করিয়েছে। আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, চোখের সামনে সাংবাদিকদের পেটানোর পরও ওসি জালালকে গ্রেপ্তার না করে পুলিশি পাহারায় নিরাপদ ‘সেফ এক্সিট’ (পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ) দিয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কৃষকদল নেতা জালাল উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাংবাদিকদের ওপর হামলার এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, মাদক মামলার আসামি ধরায় গ্রামের মানুষ থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা করছিল। আমি
স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ডেকে গ্রামের মানুষকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করি। এ সময় কৃষকদলের জালালসহ কয়েকজন নারীদের গাড়িতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছিল। ওই সময় সাংবাদিকরা ভিডিও করতে গেলে বিএনপি নেতারা বাধা দেয় এবং একটি ‘ধাক্কাধাক্কি’র ঘটনা ঘটে। আমরা পরে বিএনপি নেতাকর্মীদের সরিয়ে দিয়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দিয়েছি। সাংবাদিকদের সাথে কোনো পূর্বশত্রুতা ছিল কি না—এমন প্রশ্নে ওসি দাবি করেন, সাংবাদিকদের সাথে পুলিশের কোনো বিরোধ নেই, সবাই মিলেমিশে কাজ করেন। খোদ থানার প্রধান ফটকের সামনে ওসির উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের ওপর এমন রক্তাক্ত হামলার ঘটনায় ঝিনাইদহের গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ অবিলম্বে দোষী রাজনৈতিক নেতা জালাল ও নেপথ্যের মদদদাতাদের
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।



