ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা বিরাজ করছে দেশে, দাবি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনের
প্রতিমন্ত্রী যখন সরকারি ঠিকাদার: আইন, নৈতিকতা ও সাংবিধানিক সংকটে মীর শাহে আলম
ক্ষমতার দ্বন্দ্বে মরিয়া বিএনপি-জামায়াতের শীর্ষ সন্ত্রাসীরা: বাড়ছে অত্যাধুনিক অস্ত্রের মজুদ: পর্ব-১
চাঁদা না পেলেই সরাসরি গুলি: চট্টগ্রামে দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর একের পর এক জামিনে আতঙ্কিত নগরবাসী
‘বুকে ব্যথা নিয়ে’ সুনামগঞ্জ কারাগারে হাজতির আকস্মিক মৃত্যু
১১ দিনেই ৩ মামলায় জামিন পেলেন ছিনতাইকারী থেকে মাদক-চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের গডফাদার বুইস্যা
ছাত্রলীগে গুপ্তবেশে ছিলেন ছাত্রদলের দুই নেতা, ‘কৌশল’ বলে স্বীকার করলেন
হাসিনার সময় মানুষ কম দামে ইলিশ খেয়েছে: এখন ভারতেও যায় না, তাও কেন ১ কেজির দাম ২৭০০ টাকা?
“শেখ হাসিনা ভারতে ইলিশ পাঠাতেন বলে এ দেশের মানুষ ইলিশ খেতে পারত না—এই নিয়ে কত আন্দোলন ও বিক্ষোভ হয়েছে। আসলে ওটা আমাদের দেশপ্রেম ছিল না, ওটা ছিল রাজনীতি।”— রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের দুই বছর পর দেশের বাজারে ইলিশের আকাশচুম্বী মূল্যবৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের নীরবতা নিয়ে এভাবেই নিজের ফেসবুক পেজে তীব্র ক্ষোভ ও আক্ষেপ উগরে দিয়েছেন বিশিষ্ট উদ্যোক্তা কাদের খান।
আজ ১৮ই জুলাই, শনিবার রাত ৭টায় নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বিগত কয়েক বছরের বাজার পরিস্থিতি ও জনমানুষের দ্বিমুখী আচরণের চুলচেরা বিশ্লেষণ করেন।
নিজে ইলিশ ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিজ্ঞতা থেকে কাদের খান তার পোস্টে শেখ হাসিনা সরকারের আমল এবং বর্তমান সময়ের
একটি তুলনামূলক দামের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা যখন ক্ষমতা ছাড়েন, তখনও বাজারে ১ কেজি ওজনের ইলিশের দাম ছিল মাত্র ১৫০০ টাকা। দাম হাতের নাগালে থাকায় বিক্রিও ভালো হতো। অথচ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ২০২৫ সালের পুরো সিজন এবং চলমান ২০২৬ সালের বর্তমান সিজনে সেই ১ কেজি ওজনের ইলিশের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬০০ থেকে ২৭০০ টাকায়, যা খুব বেশি হলে সর্বনিম্ন ২৪০০ টাকায় নেমেছে। আরও মারাত্মক বিষয় হলো, ২০২৪ সালেও ২ কেজি ওজনের বড় ইলিশ প্রতি কেজি ২৪০০-২৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, যা বর্তমানে বর্তমানে ৪৬০০ থেকে ৪৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চলতি সিজনে বাজারে ইলিশের এই অগ্নিমূল্য নিয়ে সাধারণ
মানুষের অসহায়ত্বের চিত্র ফুটিয়ে তুলে কাদের খান লিখেছেন, “এখন ইলিশের সিজন চলছে। মানুষ দাম শুনে বাজারে থমকে দাঁড়ায়। কত মানুষ আশা নিয়ে আসে যে সিজনে পরিবারের মুখে একটু ইলিশের স্বাদ তুলে দেবে। কিন্তু দাম শোনার পর তাদের চাহনিতে যে নিদারুণ অসহায়ত্ব ফুটে ওঠে, তা দেখা যায় না। ইলিশের দাম এখন বড়লোকদেরও ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।” তিনি বর্তমান প্রশাসনের নীতি ও জনগণের নীরবতা নিয়ে মোক্ষম প্রশ্ন তুলে বলেন, গত দুই বছর ধরে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় নেই, ইলিশও অফিশিয়ালি ভারতে পাঠানো হচ্ছে না। তাহলে বাজারে ইলিশের এই তীব্র সংকট ও আকাশচুম্বী দাম কেন? এ নিয়ে এখন কেন কোনো আলোচনা, সমালোচনা বা রাজপথে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ
হচ্ছে না? বিগত ৫ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে এই উদ্যোক্তা দাবি করেন, এ দেশের মানুষের মূল সমস্যা দেশের অনিয়ম বা অর্থনৈতিক অসঙ্গতি নিয়ে ছিল না, সমস্যা ছিল ব্যক্তি শেখ হাসিনাকে নিয়ে। তিনি পোস্টে মন্তব্য করেন, “যদি দেশের অনিয়ম আর সাধারণ মানুষের কষ্ট নিয়ে আমাদের সত্যি মাথাব্যথা থাকত, তবে দেশের স্বার্থে ড. ইউনূসের সময় কিংবা বর্তমান সরকারের সময়ে ইলিশের জোগান কেন এত কম, দাম কেন এত বেশি—এই নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠত। অথচ আজ সবাই চুপ।” উদ্যোক্তা কাদের খানের এই ফেসবুক পোস্টটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ ভোক্তারা যেমন এই অগ্নিমূল্যের বাজারে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা জানাচ্ছেন, তেমনি বিগত কয়েক বছরের বাজার ও রাজনৈতিক
সমীকরণের এই তুলনামূলক পোস্টটি নেটিজেনদের মাঝে নতুন এক বিতর্কের সূত্রপাত করেছে।
একটি তুলনামূলক দামের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা যখন ক্ষমতা ছাড়েন, তখনও বাজারে ১ কেজি ওজনের ইলিশের দাম ছিল মাত্র ১৫০০ টাকা। দাম হাতের নাগালে থাকায় বিক্রিও ভালো হতো। অথচ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ২০২৫ সালের পুরো সিজন এবং চলমান ২০২৬ সালের বর্তমান সিজনে সেই ১ কেজি ওজনের ইলিশের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬০০ থেকে ২৭০০ টাকায়, যা খুব বেশি হলে সর্বনিম্ন ২৪০০ টাকায় নেমেছে। আরও মারাত্মক বিষয় হলো, ২০২৪ সালেও ২ কেজি ওজনের বড় ইলিশ প্রতি কেজি ২৪০০-২৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, যা বর্তমানে বর্তমানে ৪৬০০ থেকে ৪৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চলতি সিজনে বাজারে ইলিশের এই অগ্নিমূল্য নিয়ে সাধারণ
মানুষের অসহায়ত্বের চিত্র ফুটিয়ে তুলে কাদের খান লিখেছেন, “এখন ইলিশের সিজন চলছে। মানুষ দাম শুনে বাজারে থমকে দাঁড়ায়। কত মানুষ আশা নিয়ে আসে যে সিজনে পরিবারের মুখে একটু ইলিশের স্বাদ তুলে দেবে। কিন্তু দাম শোনার পর তাদের চাহনিতে যে নিদারুণ অসহায়ত্ব ফুটে ওঠে, তা দেখা যায় না। ইলিশের দাম এখন বড়লোকদেরও ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।” তিনি বর্তমান প্রশাসনের নীতি ও জনগণের নীরবতা নিয়ে মোক্ষম প্রশ্ন তুলে বলেন, গত দুই বছর ধরে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় নেই, ইলিশও অফিশিয়ালি ভারতে পাঠানো হচ্ছে না। তাহলে বাজারে ইলিশের এই তীব্র সংকট ও আকাশচুম্বী দাম কেন? এ নিয়ে এখন কেন কোনো আলোচনা, সমালোচনা বা রাজপথে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ
হচ্ছে না? বিগত ৫ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে এই উদ্যোক্তা দাবি করেন, এ দেশের মানুষের মূল সমস্যা দেশের অনিয়ম বা অর্থনৈতিক অসঙ্গতি নিয়ে ছিল না, সমস্যা ছিল ব্যক্তি শেখ হাসিনাকে নিয়ে। তিনি পোস্টে মন্তব্য করেন, “যদি দেশের অনিয়ম আর সাধারণ মানুষের কষ্ট নিয়ে আমাদের সত্যি মাথাব্যথা থাকত, তবে দেশের স্বার্থে ড. ইউনূসের সময় কিংবা বর্তমান সরকারের সময়ে ইলিশের জোগান কেন এত কম, দাম কেন এত বেশি—এই নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠত। অথচ আজ সবাই চুপ।” উদ্যোক্তা কাদের খানের এই ফেসবুক পোস্টটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ ভোক্তারা যেমন এই অগ্নিমূল্যের বাজারে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা জানাচ্ছেন, তেমনি বিগত কয়েক বছরের বাজার ও রাজনৈতিক
সমীকরণের এই তুলনামূলক পোস্টটি নেটিজেনদের মাঝে নতুন এক বিতর্কের সূত্রপাত করেছে।



