ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতে অনুপ্রবেশ, গুপ্ত অবস্থানরত পাসপোর্টহীন মার্কিন নৌসেনাসহ আরও বিদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার
নবম পে-স্কেলে ইনক্রিমেন্ট পাবেন ৪ ক্যাটাগরিতে, কোন গ্রেডে কত সুবিধা
হ্যাঁ, আমরা জুলাই ব্যবসায়ী, আমরা চাঁদাবাজি ব্যবসায়ী না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
সায়েন্সল্যাব থেকে সচিবালয়ের পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের লংমার্চ
জনতার ভিড় থেকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে ঢিল: ধোঁয়াশায় পুলিশ, স্থানীয়দের দাবি, ‘জনতা অতিষ্ট’
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ৫ ঘণ্টার আন্দোলনেই ঢাবি-তে সরকারের বিজিবি মোতায়েন
ইউনূসসহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিবাসন চুক্তি ও আশ্বাস সত্ত্বেও থামছে না বাংলাদেশি আটক, মালয়শিয়ায় নতুন করে আটক ২৯০ জন
অক্সফোর্ডে আন্তর্জাতিক সেমিনারে সজীব ওয়াজেদের চ্যালেঞ্জ: “১৪শ জনের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করুক জাতিসংঘ”
বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার, রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি এবং ভবিষ্যৎ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে।
কানাডাভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ন্যান্স (GCDG)-এর উদ্যোগে আয়োজিত “Bangladesh at a Democratic Crossroads: Human Rights, Political Inclusion, and the Future of Democratic Governance” শীর্ষক এই সেমিনার ১৩ই জুলাই, সোমবার অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উলফসন কলেজের লিওনার্ড উলফসন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
নিজস্ব প্রতিনিধির বরাতে জানা যায়, সেমিনারে অডিটোরিয়াম ছিল দর্শকে পরিপূর্ণ। একই সঙ্গে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানটি কয়েক লাখ দর্শক অনুসরণ করেন। আয়োজনে আমন্ত্রিত সব বক্তাই সশরীরে এবং কেউ কেউ ভার্চুয়ালি অংশ নেন।
অনলাইন প্যানেলে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সাবেক সদস্য এবং বেলজিয়ামভিত্তিক সাউথ এশিয়া ডেমোক্রেটিক ফোরামের নির্বাহী পরিচালক পাওলো কাসাকা, লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস (এলএসই) ল’ স্কুলের পাবলিক ল বিভাগের অধ্যাপক ও রিসার্চ ডিরেক্টর অধ্যাপক তারুন খাইতান এবং সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশনের (IHRC) ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর ও কমিশনার স্যার ভিনসেন্ট লিন। সশরীরে আলোচনায় অংশ নেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সৈয়দ বদরুল আহসান, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. রায়হান রশীদ, আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোনা হাগগৌ স্ট্রিন্ডবার্গ, কিংস কলেজ লন্ডনের ড. আশফাক আলম এবং ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের ড. নায়লা হক। আলোচনা সঞ্চালনা করেন যুক্তরাজ্যের মানবাধিকারকর্মী ক্রিস ব্ল্যাকবার্ন। সেমিনারের উদ্বোধনী বক্তব্য দেন গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ন্যান্স (GCDG)-এর সভাপতি
অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত। “১,৪০০ নিহতের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা উচিত”—সজীব ওয়াজেদ মূল বক্তব্যে সজীব ওয়াজেদ জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখিত ১,৪০০ জন নিহতের দাবির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা উচিত।” তিনি বলেন, এ ধরনের তথ্যের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা বিশ্বাসযোগ্যতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। রাজনৈতিক অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণ ছাড়া অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক বা সর্বজনগ্রাহ্য বলা যায় না।” তিনি আরও বলেন, “কোনো সরকারই দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক বর্জনের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না।” বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে নিজের মত তুলে ধরে সজীব ওয়াজেদ বলেন, “বাংলাদেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা
উচিত নয়।” তার মতে, অন্তর্বর্তীকালীন ও বর্তমান সরকারের কিছু নীতি বাংলাদেশকে আরও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিতে পারে। এ ছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির অনেক নেতাসহ দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির বিরোধিতা করে। ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের ড. নায়লা হক তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং তার পিতার দীর্ঘদিন ধরে আটক থাকার বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি তাদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন। পাশাপাশি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. রায়হান রশীদ তার বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। তার মতে, টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে দেশের সব
প্রধান রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন এবং রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তির বিকল্প নেই। আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোনা হাগগৌ স্ট্রিন্ডবার্গ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় আটক ব্যক্তিদের মুক্তির আহ্বান জানান। তিনি সাংবাদিক, লেখক ও মানবাধিকারকর্মী শাহরিয়ার কবিরের নাম উল্লেখ করে তার মুক্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা এবং মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সেমিনারের সমাপনী আলোচনায় বক্তারা বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মতবিনিময় করেন। তাদের বক্তব্যে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করতে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সংলাপ, জবাবদিহিতা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সব প্রধান রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বক্তাদের মতে, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ সুসংহত করতে
রাজনৈতিক মতপার্থক্য দূর করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সমানভাবে সুরক্ষিত থাকবে।
সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সাবেক সদস্য এবং বেলজিয়ামভিত্তিক সাউথ এশিয়া ডেমোক্রেটিক ফোরামের নির্বাহী পরিচালক পাওলো কাসাকা, লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস (এলএসই) ল’ স্কুলের পাবলিক ল বিভাগের অধ্যাপক ও রিসার্চ ডিরেক্টর অধ্যাপক তারুন খাইতান এবং সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশনের (IHRC) ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর ও কমিশনার স্যার ভিনসেন্ট লিন। সশরীরে আলোচনায় অংশ নেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সৈয়দ বদরুল আহসান, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. রায়হান রশীদ, আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোনা হাগগৌ স্ট্রিন্ডবার্গ, কিংস কলেজ লন্ডনের ড. আশফাক আলম এবং ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের ড. নায়লা হক। আলোচনা সঞ্চালনা করেন যুক্তরাজ্যের মানবাধিকারকর্মী ক্রিস ব্ল্যাকবার্ন। সেমিনারের উদ্বোধনী বক্তব্য দেন গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ন্যান্স (GCDG)-এর সভাপতি
অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত। “১,৪০০ নিহতের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা উচিত”—সজীব ওয়াজেদ মূল বক্তব্যে সজীব ওয়াজেদ জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখিত ১,৪০০ জন নিহতের দাবির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা উচিত।” তিনি বলেন, এ ধরনের তথ্যের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা বিশ্বাসযোগ্যতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। রাজনৈতিক অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণ ছাড়া অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক বা সর্বজনগ্রাহ্য বলা যায় না।” তিনি আরও বলেন, “কোনো সরকারই দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক বর্জনের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না।” বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে নিজের মত তুলে ধরে সজীব ওয়াজেদ বলেন, “বাংলাদেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা
উচিত নয়।” তার মতে, অন্তর্বর্তীকালীন ও বর্তমান সরকারের কিছু নীতি বাংলাদেশকে আরও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিতে পারে। এ ছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির অনেক নেতাসহ দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির বিরোধিতা করে। ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের ড. নায়লা হক তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং তার পিতার দীর্ঘদিন ধরে আটক থাকার বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি তাদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন। পাশাপাশি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. রায়হান রশীদ তার বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। তার মতে, টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে দেশের সব
প্রধান রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন এবং রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তির বিকল্প নেই। আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোনা হাগগৌ স্ট্রিন্ডবার্গ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় আটক ব্যক্তিদের মুক্তির আহ্বান জানান। তিনি সাংবাদিক, লেখক ও মানবাধিকারকর্মী শাহরিয়ার কবিরের নাম উল্লেখ করে তার মুক্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা এবং মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সেমিনারের সমাপনী আলোচনায় বক্তারা বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মতবিনিময় করেন। তাদের বক্তব্যে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করতে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সংলাপ, জবাবদিহিতা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সব প্রধান রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বক্তাদের মতে, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ সুসংহত করতে
রাজনৈতিক মতপার্থক্য দূর করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সমানভাবে সুরক্ষিত থাকবে।



