ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি দেওয়ার নামে প্রবাসীর টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ২
আশুলিয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ
গফরগাঁওয়ে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
নেত্রকোনায় শিক্ষকের পৈশাচিকতা: ১২ বছরের ছাত্রকে মাসের পর মাস বলৎকার, মাদ্রাসার মোহতামিম পলাতক
গভীর রাতে পরস্ত্রীর বিছানা থেকে হাতেনাতে আটক মসজিদের ইমাম, অতঃপর…
প্রতারণা মামলায় তৌহিদ আফ্রিদি গ্রেফতার
খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ দিতে চাওয়া সেই সোহাগ পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে মুক্তিপণের দাবিতে প্রতিবেশীর ৫ বছরের শিশুকে অপহরণের পর খুন করে লাশ গুম
চট্টগ্রামের পটিয়ায় প্রতিবেশী ও চেনা মানুষের রূপ ধরে আসা এক চরম নৃশংসতার শিকার হয়েছে ৫ বছরের নিষ্পাপ শিশু মো. জায়হান। নিখোঁজের এক দিন পর গতকাল ১৮ই জুন, বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোবিন্দারখীল পূর্ব পাড়ার একটি পরিত্যক্ত বর্জ্যের স্তূপ থেকে শিশুটির বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
অপহরণের পর ঘরে মুক্তিপণের রহস্যময় চিরকুট দিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। চেনা প্রতিবেশীদের লোভ আর নির্মমতার বলি হতে হলো এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে ছোট এই শিশুটিকে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বাড়ির সামনে খেলতে বের হয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয় শিশু জায়হান। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য
সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও যখন তার সন্ধান পাচ্ছিলেন না, তখনই বেলা তিনটার দিকে ঘরের জানালার পাশে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। নিহত জায়হানের চাচা রায়হান উদ্দিন জানান, ওই চিরকুটে জায়হানের বাবা শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল। টাকা দেওয়ার জন্য একটি মুঠোফোন পাশের পরিত্যক্ত দোকানে রেখে যাওয়ার নির্দেশ দেয় অপহরণকারীরা। চিরকুটে আরও লেখা ছিল, টাকা পাওয়ার পরই কেবল ভিডিও কলে শিশুটিকে জীবিত দেখানো হবে। চিরকুট পাওয়ার পরপরই জায়হানের বাবা পটিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ গতকাল বুধবার দুপুরে সন্দেহভাজন প্রতিবেশী সাইফুল ও তার পরিবারের আরও তিন সদস্যকে আটক করে। এরপর তাদেরকে থানায় এনে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ
শুরু করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আটককৃতদের মধ্যে এক কিশোরী অপরাধ স্বীকার করে এবং জায়হানের লাশের অবস্থান জানিয়ে দেয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল দিবাগত গভীর রাতে শাহজাহানের বাড়ির পেছনের একটি ময়লার স্তূপ থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় জায়হানের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “আটক এক কিশোরীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা রাত সাড়ে তিনটার দিকে শিশুটির বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করি। নিহতের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।” তিনি আরও জানান, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মাত্র ৩ লাখ টাকার লোভে প্রতিবেশী নামের নরপশুরা যেভাবে একটি অবুঝ শিশুকে চিরতরে স্তব্ধ
করে দিল, তা মেনে নিতে পারছে না পটিয়াবাসী। এলাকায় এখন বইছে শোকের মাতম, চলছে খুনিদের ফাঁসির দাবিতে ক্ষোভের আগুন।
সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও যখন তার সন্ধান পাচ্ছিলেন না, তখনই বেলা তিনটার দিকে ঘরের জানালার পাশে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। নিহত জায়হানের চাচা রায়হান উদ্দিন জানান, ওই চিরকুটে জায়হানের বাবা শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল। টাকা দেওয়ার জন্য একটি মুঠোফোন পাশের পরিত্যক্ত দোকানে রেখে যাওয়ার নির্দেশ দেয় অপহরণকারীরা। চিরকুটে আরও লেখা ছিল, টাকা পাওয়ার পরই কেবল ভিডিও কলে শিশুটিকে জীবিত দেখানো হবে। চিরকুট পাওয়ার পরপরই জায়হানের বাবা পটিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ গতকাল বুধবার দুপুরে সন্দেহভাজন প্রতিবেশী সাইফুল ও তার পরিবারের আরও তিন সদস্যকে আটক করে। এরপর তাদেরকে থানায় এনে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ
শুরু করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আটককৃতদের মধ্যে এক কিশোরী অপরাধ স্বীকার করে এবং জায়হানের লাশের অবস্থান জানিয়ে দেয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল দিবাগত গভীর রাতে শাহজাহানের বাড়ির পেছনের একটি ময়লার স্তূপ থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় জায়হানের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “আটক এক কিশোরীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা রাত সাড়ে তিনটার দিকে শিশুটির বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করি। নিহতের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।” তিনি আরও জানান, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মাত্র ৩ লাখ টাকার লোভে প্রতিবেশী নামের নরপশুরা যেভাবে একটি অবুঝ শিশুকে চিরতরে স্তব্ধ
করে দিল, তা মেনে নিতে পারছে না পটিয়াবাসী। এলাকায় এখন বইছে শোকের মাতম, চলছে খুনিদের ফাঁসির দাবিতে ক্ষোভের আগুন।



