ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ম্যাচের আগে বিয়ার পান করেই ইংল্যান্ড সমর্থকদের খরচ ৪৯ লাখ টাকা
রোনালদোকে কেন তুলে নেননি, ব্যাখ্যা দিলেন পর্তুগাল কোচ
প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ রোনালদো, কঙ্গোর ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ পয়েন্ট
ক্লোজার রেকর্ড স্পর্শ করে ব্রাজিলের রোনালদোকে স্মরণ করলেন মেসি
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে সহজেই হারালো অস্ট্রেলিয়া
রেকর্ড গড়া বিশ্বকাপ হ্যাট্রিকের পর এটিকে ‘একটি সুন্দর মুহূর্ত’ বললেন মেসি
বিশ্বকাপের মাঝে সাপ আতঙ্কে কাঁপছে জার্মানি শিবির
এবার জানা গেল মেসির কান্নার ‘আসল’ কারণ
আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই আলোচনায় ছিলেন লিওনেল মেসি। আর ম্যাচ শেষ হওয়ার পর থেকে রীতিমতো ট্রেন্ডিং-এ এই আর্জেন্টাইন তারকা। বিশ্বজুড়ে মেসি এখন হট কেক। বিশ্বকাপের নিজেদের প্রথম ম্যাচে মেসির পারফরম্যান্সের পাশাপাশি প্রথম গোল করার পর জার্সি দিয়ে তার চোখ মোছা নিয়েও হচ্ছে আলোচনা। ভক্তদের মনে একটাই প্রশ্ন, তাদের প্রিয় তারকা মেসি কেন কেঁদেছেন?
সেই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য মেসি নিজেই দিয়েছেন। ম্যাচ শেষ হতেই জানিয়েছিলেন কান্নার কারণ। মেসি জানান, কান্নার কারণটা ফুটবলীয় নয়। বরং তার ব্যক্তিগত।
এবার মেসির কান্না নিয়ে সামনে এসেছে নতুন তথ্য। জানা গেছে, আর্জেন্টাইন অধিনায়কের বাবা হোর্হে মেসি অসুস্থ। বাবার অসুস্থতাই ফুটবলের এই জাদুকরকে আবেগপ্রবণ করে তুলেছিল।
আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে,
মেসির বাবা হোর্হে মেসি দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যগত জটিলতায় ভুগছেন। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। বাবার অসুস্থতাই মেসির ওপর গভীর মানসিক চাপ তৈরি করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন ৬৮ বছর বয়সী হোর্হে মেসি। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে তার অসুস্থতা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি। বাংলাদেশের স্থানীয় সময় বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে গোল করার পর ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মেসিকে ‘আই লাভ ইউ’ বলতে দেখা যায়। অনেকের মতে, সেটাও ছিল বাবার উদ্দেশে মেসির আবেগঘন বার্তা। মেসির ফুটবল জীবনের শুরু থেকেই ছায়াসঙ্গী ছিলেন তার
বাবা। শুধু অভিভাবক হিসেবেই নয়, বরং কোচ, পরামর্শদাতা এবং পরবর্তীতে এজেন্ট হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। এর আগে কানসাসে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ১৭ মিনিটেই প্রথম গোলের দেখা পান মেসি। সেই গোলটি করার পরই তাকে আবেগপ্রবণ দেখা যায়, ক্যামেরায় ধরা পড়ে মেসির চোখের জল। ম্যাচ শেষে কান্নার কারণ জানতে চাওয়া হলে মেসি বলেন, ‘সত্যি বলতে, ফুটবলের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। কিছু ব্যক্তিগত কারণে গত কয়েকটা দিন আমার বেশ কঠিন কেটেছে। আমি দলের সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। তারা সব সময় আমার পাশে ছিল। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার জন্য তারা আমাকে প্রচুর শক্তি জুগিয়েছে, ব্যস এটুকুই।’ বাবার অসুস্থতা নিয়ে মানসিক চাপের মধ্যে থাকলেও ম্যাচে
তার কোনো প্রভাব পড়তে দেননি মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিশ্ব নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। একইসঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবেও মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে নিজের নাম লেখান তিনি।
মেসির বাবা হোর্হে মেসি দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যগত জটিলতায় ভুগছেন। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। বাবার অসুস্থতাই মেসির ওপর গভীর মানসিক চাপ তৈরি করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন ৬৮ বছর বয়সী হোর্হে মেসি। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে তার অসুস্থতা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি। বাংলাদেশের স্থানীয় সময় বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে গোল করার পর ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মেসিকে ‘আই লাভ ইউ’ বলতে দেখা যায়। অনেকের মতে, সেটাও ছিল বাবার উদ্দেশে মেসির আবেগঘন বার্তা। মেসির ফুটবল জীবনের শুরু থেকেই ছায়াসঙ্গী ছিলেন তার
বাবা। শুধু অভিভাবক হিসেবেই নয়, বরং কোচ, পরামর্শদাতা এবং পরবর্তীতে এজেন্ট হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। এর আগে কানসাসে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ১৭ মিনিটেই প্রথম গোলের দেখা পান মেসি। সেই গোলটি করার পরই তাকে আবেগপ্রবণ দেখা যায়, ক্যামেরায় ধরা পড়ে মেসির চোখের জল। ম্যাচ শেষে কান্নার কারণ জানতে চাওয়া হলে মেসি বলেন, ‘সত্যি বলতে, ফুটবলের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। কিছু ব্যক্তিগত কারণে গত কয়েকটা দিন আমার বেশ কঠিন কেটেছে। আমি দলের সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। তারা সব সময় আমার পাশে ছিল। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার জন্য তারা আমাকে প্রচুর শক্তি জুগিয়েছে, ব্যস এটুকুই।’ বাবার অসুস্থতা নিয়ে মানসিক চাপের মধ্যে থাকলেও ম্যাচে
তার কোনো প্রভাব পড়তে দেননি মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিশ্ব নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। একইসঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবেও মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে নিজের নাম লেখান তিনি।



