ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আমগাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা দিলেন প্রধান শিক্ষক
এইচএসসিতেও থাকছে সিসিটিভির নজরদারি: সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন নির্দেশনা জারি
বিনামূল্যের প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত হলো পরীক্ষা ফি — গরিব শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার আশঙ্কা
শিক্ষা বাজেট বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই: শিক্ষা অধিকার সংসদ
শিক্ষায় বরাদ্দ ২ শতাংশে উন্নীত, স্বাগত জানালেন শিক্ষাবিদরা
২০২৮ থেকে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হতে যাওয়া চার নতুন বিষয়ে যা থাকবে
বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা
ছাত্রীদের গভীর রাতে অশালীন বার্তা প্রেরণ: ‘ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ ডিলিট হয়ে গেছে’ দাবি খুবি শিক্ষকের
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ, যৌন হয়রানি এবং অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এক শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগের পর বিষয়টি সামনে আসে। পরবর্তীতে আরও কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক ছাত্রী একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করলে ঘটনাটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, অধ্যাপক রেজাউল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রীদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করে বিভিন্ন অস্বস্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করতেন। এ-সংক্রান্ত একাধিক বার্তার স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় ওঠে।
প্রতিবেদকের হাতে আসা কয়েকটি স্ক্রিনশটে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ছাত্রীদের উদ্দেশে বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠতাসূচক মন্তব্য করেছেন
বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশিত বার্তাগুলোর মধ্যে রয়েছে— “বন্ধু হবা, কফি খাব আর মজা করব”, “বন্ধুর সঙ্গে হাগ করলে ডিপ্রেশন থাকে না”, “আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারব না, তোমার মতো মেয়ে বিয়ের আগে পাওয়া দরকার ছিল” ইত্যাদি। গত মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধকেন্দ্রে কৃষিপ্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থীরা একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগপত্রের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাঠানো কথিত উত্যক্ততামূলক বার্তার বিভিন্ন প্রমাণও সংযুক্ত করা হয়। অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়। ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী বলেন, শিক্ষক শুধু মেসেঞ্জারেই নয়, হোয়াটসঅ্যাপ কলের মাধ্যমেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এসব মন্তব্য করতেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি নিজে শিক্ষককে
ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর পর শিক্ষক সেটি গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে ব্যক্তিগত ও অস্বস্তিকর মন্তব্য করা শুরু করেন। ওই শিক্ষার্থী দাবি করেন, ক্যাম্পাস বন্ধ হওয়ার ঠিক আগের সময় এসব ঘটনার কারণে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং বিষয়টি দ্রুত সিনিয়র শিক্ষার্থীদের অবহিত করেন। বিচারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। শুরুতে প্রভাবশালী এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পেয়েছিলাম। কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা প্রয়োজন মনে করেই সামনে এসেছি।” তিনি বলেন, “আমি চাই অন্য ভুক্তভোগীরাও সাহস করে কথা বলুক এবং এ ঘটনার এমন একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিক্ষার্থীকে এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার হতে
না হয়।” ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর একই বিভাগের আরও কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের হয়রানির অভিযোগ তোলেন। তাদের মধ্যে একজন সাবেক ছাত্রী জানান, প্রায় এক যুগ আগেও শিক্ষক রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অস্বস্তিকর আচরণের অভিযোগ ছিল। তিনি বলেন, “যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এতটা জনপ্রিয় ছিল না, তখনও ক্লাসের সবার সামনে কিংবা গভীর রাতে ফোন ও মেসেজের মাধ্যমে ছাত্রীদের নানা ধরনের আপত্তিকর ও অস্বস্তিকর প্রশ্ন করতেন আমাদের বিভাগের শিক্ষক রেজাউল ইসলাম।” তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যাপক রেজাউল ইসলাম। তিনি দাবি করেন, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ। তিনি বলেন, “এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন
ও ষড়যন্ত্রমূলক। অপপ্রচার শুরু হওয়ার পর আমার ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ডিলিট হয়ে গেছে। এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে, কিন্তু এখনো ফোনটি উদ্ধার হয়নি।” তিনি বলেন, “ডিসিপ্লিনের প্রধান হিসেবে আমি অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি এবং শিক্ষার্থীদের কিছু নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে বাধা দিয়েছি। মূলত ঈর্ষা ও শত্রুতা থেকেই একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।” অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে অধ্যাপক রেজাউল ইসলামকে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুনর রশিদ খাঁন বলেন, “ডিনদের সঙ্গে বৈঠক করে অভিযুক্ত শিক্ষককে ডিসিপ্লিন প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তার স্থলে ড. মো. ইয়াসিনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া
হয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।” এদিকে অভিযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশটগুলোকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার বিকেলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত শিক্ষকের অপসারণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন হিসেবে গড়ে তুলতে যৌন হয়রানির অভিযোগের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের কাছে কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা। বর্তমানে অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তদন্তের
ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রশাসনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।
বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশিত বার্তাগুলোর মধ্যে রয়েছে— “বন্ধু হবা, কফি খাব আর মজা করব”, “বন্ধুর সঙ্গে হাগ করলে ডিপ্রেশন থাকে না”, “আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারব না, তোমার মতো মেয়ে বিয়ের আগে পাওয়া দরকার ছিল” ইত্যাদি। গত মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধকেন্দ্রে কৃষিপ্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থীরা একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগপত্রের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাঠানো কথিত উত্যক্ততামূলক বার্তার বিভিন্ন প্রমাণও সংযুক্ত করা হয়। অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়। ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী বলেন, শিক্ষক শুধু মেসেঞ্জারেই নয়, হোয়াটসঅ্যাপ কলের মাধ্যমেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এসব মন্তব্য করতেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি নিজে শিক্ষককে
ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর পর শিক্ষক সেটি গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে ব্যক্তিগত ও অস্বস্তিকর মন্তব্য করা শুরু করেন। ওই শিক্ষার্থী দাবি করেন, ক্যাম্পাস বন্ধ হওয়ার ঠিক আগের সময় এসব ঘটনার কারণে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং বিষয়টি দ্রুত সিনিয়র শিক্ষার্থীদের অবহিত করেন। বিচারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। শুরুতে প্রভাবশালী এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পেয়েছিলাম। কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা প্রয়োজন মনে করেই সামনে এসেছি।” তিনি বলেন, “আমি চাই অন্য ভুক্তভোগীরাও সাহস করে কথা বলুক এবং এ ঘটনার এমন একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিক্ষার্থীকে এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার হতে
না হয়।” ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর একই বিভাগের আরও কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের হয়রানির অভিযোগ তোলেন। তাদের মধ্যে একজন সাবেক ছাত্রী জানান, প্রায় এক যুগ আগেও শিক্ষক রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অস্বস্তিকর আচরণের অভিযোগ ছিল। তিনি বলেন, “যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এতটা জনপ্রিয় ছিল না, তখনও ক্লাসের সবার সামনে কিংবা গভীর রাতে ফোন ও মেসেজের মাধ্যমে ছাত্রীদের নানা ধরনের আপত্তিকর ও অস্বস্তিকর প্রশ্ন করতেন আমাদের বিভাগের শিক্ষক রেজাউল ইসলাম।” তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যাপক রেজাউল ইসলাম। তিনি দাবি করেন, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ। তিনি বলেন, “এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন
ও ষড়যন্ত্রমূলক। অপপ্রচার শুরু হওয়ার পর আমার ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ডিলিট হয়ে গেছে। এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে, কিন্তু এখনো ফোনটি উদ্ধার হয়নি।” তিনি বলেন, “ডিসিপ্লিনের প্রধান হিসেবে আমি অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি এবং শিক্ষার্থীদের কিছু নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে বাধা দিয়েছি। মূলত ঈর্ষা ও শত্রুতা থেকেই একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।” অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে অধ্যাপক রেজাউল ইসলামকে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুনর রশিদ খাঁন বলেন, “ডিনদের সঙ্গে বৈঠক করে অভিযুক্ত শিক্ষককে ডিসিপ্লিন প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তার স্থলে ড. মো. ইয়াসিনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া
হয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।” এদিকে অভিযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশটগুলোকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার বিকেলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত শিক্ষকের অপসারণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন হিসেবে গড়ে তুলতে যৌন হয়রানির অভিযোগের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের কাছে কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা। বর্তমানে অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তদন্তের
ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রশাসনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।



