ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লেবাননে প্রচুর মানুষ মারা যাচ্ছে, ইসরাইলের সমালোচনা ট্রাম্পের
ইরান চুক্তি নিয়ে ইসরাইলে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি: যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও কে আসল বিজয়ী?
ফিলিপাইনে ৬.২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
চুক্তি হলেও লেবানন ও গাজা থেকে সেনা সরাবে না ইসরাইল
লেবাননে ইসরাইলের রাসায়নিক ‘গ্লাইফোসেট’ ব্যবহারের অভিযোগ
সাইবার হামলার শিকার ইরানের ৪ প্রধান ব্যাংক
বাংলাদেশের মতো ভারতেও জেন-জি নেতৃত্ব জনগণের ঘৃণার পাত্র: জয়পুরে চড়-থাপ্পড়ের শিকার জেন-জি নেতা অভিজিৎ
ভারতের রাজস্থানের জয়পুরে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে প্রকাশ্য রাজপথে চড়-থাপ্পড় ও মারধরের শিকার হয়েছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (Cockroach Janata Party – CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান অভিজিৎ দীপকে (Abhijeet Dipke)। এ ঘটনায় জেন-জি নেতৃত্বের প্রতি জনগণের ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ ও ঘৃণার আরেকটি উদাহরণ সামনে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে।
গতকাল সোমবার শহীদ স্মারকের কাছে নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, বেকারত্বসহ বিভিন্ন যুবসমাজের সমস্যা নিয়ে আয়োজিত প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার সময় এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সমর্থকদের কাঁধে চড়ে আসার সময় কয়েকজন যুবক তাঁকে থাপ্পড় মারেন এবং হেনস্থা করেন। ঘটনার পর পুলিশ দুই যুবককে আটক করেছে।
‘ককরোচ জনতা পার্টি’ সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে
ওঠা একটি ব্যঙ্গাত্মক যুব আন্দোলন। অভিজিৎ দীপকে এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রথমে একটি জোক হিসেবে শুরু হলেও দ্রুত এটি নিট প্রশ্নফাঁস, বেকারত্ব ও শিক্ষাব্যবস্থার ব্যর্থতার বিরুদ্ধে যুব ক্ষোভের প্রতীকে পরিণত হয়। তবে সমালোচকরা বলছেন, এ ধরনের নেতৃত্ব শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার জন্যই জনপ্রিয়, বাস্তবে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ। বাংলাদেশে জেন-জি নেতৃত্বের দুর্নীতি ও হেনস্তার অভিযোগ বাংলাদেশে ২০২৪-এর ছাত্র আন্দোলনের নায়করা ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে জড়িয়ে পড়েছেন। সাবেক ছাত্র নেতা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদসহ একাধিক জেন-জি প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কয়েকশ কোটি টাকার দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে নাহিদ ইসলামের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বিরুদ্ধে নগদ কোম্পানি
থেকে ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নিয়োগে অনিয়ম, প্রকল্পে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগও রয়েছে। জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক থেকে এমপি বনে যাওয়া হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে উপজেলায় সরকারী বরাদ্দের ১০ কোটি টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ করছেন এলাকাবাসী। কয়েকজন ছাত্র নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, হয়রানি এবং এমনকি যৌন হয়রানির অভিযোগও সামনে এসেছে। যারা ‘দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ’ গড়ার স্লোগান দিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ জনগণের মধ্যে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি করেছে। ফলে জেন-জি নেতৃত্বের ‘নৈতিক উচ্চতা’ অনেকাংশে ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বাংলাদেশ-ভারত: জেন-জি নেতৃত্বের একই ছবি? বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর জেন-জি নেতৃত্বের প্রতি যে ক্ষোভ
ও অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে, ভারতেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। অনেকে মনে করছেন, সোশ্যাল মিডিয়া-নির্ভর তরুণ নেতারা বড় বড় স্লোগান দিলেও বাস্তব সমাধান দিতে পারছেন না। ফলে জনগণের মধ্যে তাদের প্রতি ঘৃণা ও প্রত্যাখ্যানের মনোভাব বাড়ছে। জয়পুরের এ ঘটনা সেই প্রবণতারই ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে। অভিজিৎ দীপকে ঘটনার পর বলেছেন, এটি তাঁকে ও তাঁর আন্দোলনকে ভয় দেখানোর চেষ্টা। তবে সমালোচকরা বলছেন, এ ধরনের নেতৃত্বের প্রতি জনগণের ক্ষোভ এখন প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। এ ঘটনা ভারতের যুব আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
ওঠা একটি ব্যঙ্গাত্মক যুব আন্দোলন। অভিজিৎ দীপকে এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রথমে একটি জোক হিসেবে শুরু হলেও দ্রুত এটি নিট প্রশ্নফাঁস, বেকারত্ব ও শিক্ষাব্যবস্থার ব্যর্থতার বিরুদ্ধে যুব ক্ষোভের প্রতীকে পরিণত হয়। তবে সমালোচকরা বলছেন, এ ধরনের নেতৃত্ব শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার জন্যই জনপ্রিয়, বাস্তবে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ। বাংলাদেশে জেন-জি নেতৃত্বের দুর্নীতি ও হেনস্তার অভিযোগ বাংলাদেশে ২০২৪-এর ছাত্র আন্দোলনের নায়করা ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে জড়িয়ে পড়েছেন। সাবেক ছাত্র নেতা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদসহ একাধিক জেন-জি প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কয়েকশ কোটি টাকার দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে নাহিদ ইসলামের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বিরুদ্ধে নগদ কোম্পানি
থেকে ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নিয়োগে অনিয়ম, প্রকল্পে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগও রয়েছে। জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক থেকে এমপি বনে যাওয়া হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে উপজেলায় সরকারী বরাদ্দের ১০ কোটি টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ করছেন এলাকাবাসী। কয়েকজন ছাত্র নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, হয়রানি এবং এমনকি যৌন হয়রানির অভিযোগও সামনে এসেছে। যারা ‘দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ’ গড়ার স্লোগান দিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ জনগণের মধ্যে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি করেছে। ফলে জেন-জি নেতৃত্বের ‘নৈতিক উচ্চতা’ অনেকাংশে ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বাংলাদেশ-ভারত: জেন-জি নেতৃত্বের একই ছবি? বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর জেন-জি নেতৃত্বের প্রতি যে ক্ষোভ
ও অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে, ভারতেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। অনেকে মনে করছেন, সোশ্যাল মিডিয়া-নির্ভর তরুণ নেতারা বড় বড় স্লোগান দিলেও বাস্তব সমাধান দিতে পারছেন না। ফলে জনগণের মধ্যে তাদের প্রতি ঘৃণা ও প্রত্যাখ্যানের মনোভাব বাড়ছে। জয়পুরের এ ঘটনা সেই প্রবণতারই ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে। অভিজিৎ দীপকে ঘটনার পর বলেছেন, এটি তাঁকে ও তাঁর আন্দোলনকে ভয় দেখানোর চেষ্টা। তবে সমালোচকরা বলছেন, এ ধরনের নেতৃত্বের প্রতি জনগণের ক্ষোভ এখন প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। এ ঘটনা ভারতের যুব আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।



