ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ছাত্রলীগ নেতা দেশে ফিরেছেন ভেবে চট্টগ্রামে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈমকে পেটালো পুলিশ
শিরোপাহীন দুই যুগ, কোন পথে ব্রাজিল?
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন ডিজে সঞ্জয়
যেভাবে বিশ্ব ফ্যাশনের গতিপথ বদলে দিচ্ছে ফুটবল
রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও বাংলাদেশের পতাকা হাতে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে সঞ্জয়
‘ছিন্ন বিশ্বে’ একতার গান
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চান বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী
শ্যুটার আসিফের পর ক্রিকেটার নাঈম: বিএনপি আমলে দুই ক্রীড়াবিদকে পুলিশি নির্যাতন
২০০৬ সালের ২রা অক্টোবর। গুলশানে জাতীয় শ্যুটিং ফেডারেশন ভবনের সামনের পুলিশ পিটিয়ে হাত ভেঙে দিয়েছিলো কমনওয়েলথ গেমসে সোনাজয়ী শ্যুটার আসিফ হোসেন খানকে। ২০ বছর পর জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে পেটালো পুলিশ। ক্রীড়াঙ্গনের এই দুই ন্যাক্কারজনক ঘটনাতেই রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা দলের নাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
২০০৬ সালের সেই কালো দিনে গুলশানে জাতীয় শ্যুটিং ফেডারেশন ভবনের সামনে গাড়ি পার্কিং নিয়ে একটি তুচ্ছ বিবাদের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা চড়াও হন দেশের নামী ক্রীড়াবিদদের ওপর।
কমনওয়েলথ গেমসে দেশের জন্য সোনা বয়ে আনা শ্যুটার আসিফ হোসেন খান, শ্যুটার আলী হোসেন শিপু, জাহাঙ্গীর হোসেন, জান্নাতুল ফেরদৌস এবং কোচ শোয়েবুজ্জামানের ওপর নির্মমভাবে প্রহার
করা হয়। পুলিশের সেই মারধরে হাত ভেঙে গিয়েছিল দেশের গর্ব শ্যুটার আসিফের। দীর্ঘ ২০ বছর পর আবারও পুলিশি নির্যাতনের শিকার হলেন দেশের আরেকজন জাতীয় স্তরের ক্রীড়াবিদ। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শেষ করে শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামের ফ্লাইট ধরেন বাংলাদেশ টেস্ট দলের অফ স্পিনার নাঈম হাসান। বিমানবন্দর থেকে নেমে রাত সাড়ে দশটায় সিএনজি করে নিজের বাসায় ফিরছিলেন তিনি। লালখান বাজার এলাকায় পৌঁছালে ডিবি পুলিশ তার পথ আটকায়। ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়: প্রথমে গাড়ির কাগজ দেখার ভান করে নাঈমকে কলার ধরে টেনে নামানো হয়। এরপর কোনো কিছু না বুঝেই পাইপ দিয়ে তাকে পেটানো শুরু করে পুলিশ। নির্যাতনের সময় নাঈম নিজের ক্রিকেটার পরিচয় দিলেও পুলিশ তা বিন্দুমাত্র
আমলে নেয়নি। ছাত্রলীগ নেতা দেশে ফিরেছেন ভেবে চট্টগ্রামে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈমকে পেটালো পুলিশ স্থানীয়দের তথ্যমতে, গভীর রাতে বিমানবন্দর থেকে ফেরায় পুলিশ তাকে ‘ছাত্রলীগ নেতা’ ভেবে ভুল করে এই অমানবিক নির্যাতন চালায়। এতে আরেকটি চিত্রও বেরিয়ে আসে। পুলিশ কীভাবে সরকারের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে নির্যাতন চালাচ্ছে। এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলে সাধারণ মানুষ জড়ো হতে শুরু করে। উপস্থিত জনতা ক্রিকেটার নাঈমকে শনাক্ত করতে পারলে পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। জনতার চাপের মুখে পড়ে পুলিশ তাকে সেখান থেকে সরিয়ে খুলশি থানায় নিয়ে যায়। তবে হয়রানি সেখানেই শেষ হয়নি; খুলশি থানাতেও নাঈমের সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ আচরণ করে পুলিশ। পরবর্তীতে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে এবং সাধারণ মানুষের
চাপের মুখে তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় তারা। জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারের ওপর পুলিশের এমন বর্বর আচরণের তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একই সঙ্গে ক্রিকেটারদের অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করা সংগঠন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোশিয়েসন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা ক্রিকেটার নাঈমের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত দোষী পুলিশ সদস্যদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছে। এদিকে বিএনপি আমলে আবার কেন ক্রীড়াবিদদের উপর পুলিশি নির্যাতন ঘটল তা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে সমালোচনা। বিএনপি মুখে খেলাধুলায় উন্নয়নের কথা বললেও দেশের ক্রীড়াবিদদের
প্রাপ্য সম্মান দিতে জানে না বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।
করা হয়। পুলিশের সেই মারধরে হাত ভেঙে গিয়েছিল দেশের গর্ব শ্যুটার আসিফের। দীর্ঘ ২০ বছর পর আবারও পুলিশি নির্যাতনের শিকার হলেন দেশের আরেকজন জাতীয় স্তরের ক্রীড়াবিদ। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শেষ করে শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামের ফ্লাইট ধরেন বাংলাদেশ টেস্ট দলের অফ স্পিনার নাঈম হাসান। বিমানবন্দর থেকে নেমে রাত সাড়ে দশটায় সিএনজি করে নিজের বাসায় ফিরছিলেন তিনি। লালখান বাজার এলাকায় পৌঁছালে ডিবি পুলিশ তার পথ আটকায়। ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়: প্রথমে গাড়ির কাগজ দেখার ভান করে নাঈমকে কলার ধরে টেনে নামানো হয়। এরপর কোনো কিছু না বুঝেই পাইপ দিয়ে তাকে পেটানো শুরু করে পুলিশ। নির্যাতনের সময় নাঈম নিজের ক্রিকেটার পরিচয় দিলেও পুলিশ তা বিন্দুমাত্র
আমলে নেয়নি। ছাত্রলীগ নেতা দেশে ফিরেছেন ভেবে চট্টগ্রামে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈমকে পেটালো পুলিশ স্থানীয়দের তথ্যমতে, গভীর রাতে বিমানবন্দর থেকে ফেরায় পুলিশ তাকে ‘ছাত্রলীগ নেতা’ ভেবে ভুল করে এই অমানবিক নির্যাতন চালায়। এতে আরেকটি চিত্রও বেরিয়ে আসে। পুলিশ কীভাবে সরকারের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে নির্যাতন চালাচ্ছে। এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলে সাধারণ মানুষ জড়ো হতে শুরু করে। উপস্থিত জনতা ক্রিকেটার নাঈমকে শনাক্ত করতে পারলে পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। জনতার চাপের মুখে পড়ে পুলিশ তাকে সেখান থেকে সরিয়ে খুলশি থানায় নিয়ে যায়। তবে হয়রানি সেখানেই শেষ হয়নি; খুলশি থানাতেও নাঈমের সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ আচরণ করে পুলিশ। পরবর্তীতে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে এবং সাধারণ মানুষের
চাপের মুখে তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় তারা। জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারের ওপর পুলিশের এমন বর্বর আচরণের তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একই সঙ্গে ক্রিকেটারদের অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করা সংগঠন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোশিয়েসন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা ক্রিকেটার নাঈমের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত দোষী পুলিশ সদস্যদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছে। এদিকে বিএনপি আমলে আবার কেন ক্রীড়াবিদদের উপর পুলিশি নির্যাতন ঘটল তা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে সমালোচনা। বিএনপি মুখে খেলাধুলায় উন্নয়নের কথা বললেও দেশের ক্রীড়াবিদদের
প্রাপ্য সম্মান দিতে জানে না বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।



