ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
মধ্যরাতে পরকীয়ার সময় বিএনপি নেতা হাতেনাতে ধরা, অতঃপর…
চট্টগ্রামে হামের ‘মহামারি’: চট্টগ্রামে হামের তাণ্ডবে ১৩ মৃত্যু, ল্যাব থাকলেও পরীক্ষা ঢাকায়
জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু সেনা বাহিনীর
অফশোর ঋণের সুদে ফের ২০ শতাংশ কর আরোপের চিন্তায় সরকার
আসন্ন জাতীয় বাজেটে অফশোর ঋণের সুদ পরিশোধের ওপর পুনরায় ২০ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাদের মতে, আগামী জুনে উপস্থাপিত হতে যাওয়া অর্থ বিলেই এ বিষয়ে বিধান রাখা হতে পারে।
অফশোর ঋণ বলতে বিদেশে অবস্থিত ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান বা অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট থেকে নেওয়া ঋণকে বোঝায়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে এ ধরনের ঋণের সুদের ওপর কর আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও পরে ব্যাংক খাতের আপত্তির মুখে সরকার সেই অবস্থান থেকে সরে আসে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ২২ এপ্রিল জারি করা একটি এসআরওর মাধ্যমে এ কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত এনবিআরের এক
জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে বলেন, বিদেশি ঋণের সুদের ওপর কর আরোপের বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে এবং প্রস্তাবিত অর্থ বিলে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। তার ভাষ্য, অতীতে কর অব্যাহতির যে প্রেক্ষাপট ছিল, বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন। কর বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ মনে করছেন, স্থানীয় ও বিদেশি উৎসের ঋণের মধ্যে কর কাঠামোগত ভারসাম্য বজায় রাখতে অফশোর ঋণের সুদের ওপর কর থাকা প্রয়োজন। কর পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসএমএসি অ্যাডভাইজরি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্নেহাশীষ বড়ুয়া বলেন, স্থানীয় ঋণের সুদের ওপর কর থাকলেও বিদেশি ঋণের ক্ষেত্রে তা না থাকলে বৈষম্য তৈরি হয়। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি
(ডিটিএএ) থাকায় বাংলাদেশে কর্তিত কর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান নিজ দেশে সমন্বয় করতে পারবে। তার মতে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকটের সময় বিদেশি তহবিল আকর্ষণের জন্য কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল, তবে বর্তমানে সেই পরিস্থিতি আর নেই। অন্যদিকে ব্যাংকার ও উদ্যোক্তারা এ উদ্যোগের বিরোধিতা করছেন। তাদের মতে, কর আরোপ করা হলে বিদেশি ঋণের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং শেষ পর্যন্ত প্রকল্প ব্যয়ও বাড়বে। দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বার বলেন, কর আরোপের ফলে ঋণদাতারা সুদের হার বাড়িয়ে দিতে পারেন, যা বিনিয়োগ ব্যয় বাড়াবে। তিনি জানান, ডিবিএল গ্রুপের বর্তমানে প্রায় ২০ কোটি ডলারের অফশোর ঋণ রয়েছে। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমানও
আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের কর বিদেশি ঋণদাতাদের নিরুৎসাহিত করতে পারে। ফলে বিদেশি অর্থায়নের প্রাপ্যতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি ঋণের সুদের হারও বেড়ে যেতে পারে। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, এমন সময়ে এ কর পুনর্বহালের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যখন ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যেই উচ্চ সুদহার, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থায়ন সংকটের চাপ মোকাবিলা করছেন। ফলে প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে শিল্প ও বিনিয়োগ খাতে এর প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে।
জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে বলেন, বিদেশি ঋণের সুদের ওপর কর আরোপের বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে এবং প্রস্তাবিত অর্থ বিলে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। তার ভাষ্য, অতীতে কর অব্যাহতির যে প্রেক্ষাপট ছিল, বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন। কর বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ মনে করছেন, স্থানীয় ও বিদেশি উৎসের ঋণের মধ্যে কর কাঠামোগত ভারসাম্য বজায় রাখতে অফশোর ঋণের সুদের ওপর কর থাকা প্রয়োজন। কর পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসএমএসি অ্যাডভাইজরি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্নেহাশীষ বড়ুয়া বলেন, স্থানীয় ঋণের সুদের ওপর কর থাকলেও বিদেশি ঋণের ক্ষেত্রে তা না থাকলে বৈষম্য তৈরি হয়। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি
(ডিটিএএ) থাকায় বাংলাদেশে কর্তিত কর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান নিজ দেশে সমন্বয় করতে পারবে। তার মতে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকটের সময় বিদেশি তহবিল আকর্ষণের জন্য কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল, তবে বর্তমানে সেই পরিস্থিতি আর নেই। অন্যদিকে ব্যাংকার ও উদ্যোক্তারা এ উদ্যোগের বিরোধিতা করছেন। তাদের মতে, কর আরোপ করা হলে বিদেশি ঋণের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং শেষ পর্যন্ত প্রকল্প ব্যয়ও বাড়বে। দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বার বলেন, কর আরোপের ফলে ঋণদাতারা সুদের হার বাড়িয়ে দিতে পারেন, যা বিনিয়োগ ব্যয় বাড়াবে। তিনি জানান, ডিবিএল গ্রুপের বর্তমানে প্রায় ২০ কোটি ডলারের অফশোর ঋণ রয়েছে। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমানও
আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের কর বিদেশি ঋণদাতাদের নিরুৎসাহিত করতে পারে। ফলে বিদেশি অর্থায়নের প্রাপ্যতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি ঋণের সুদের হারও বেড়ে যেতে পারে। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, এমন সময়ে এ কর পুনর্বহালের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যখন ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যেই উচ্চ সুদহার, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থায়ন সংকটের চাপ মোকাবিলা করছেন। ফলে প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে শিল্প ও বিনিয়োগ খাতে এর প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে।



