ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
মধ্যরাতে পরকীয়ার সময় বিএনপি নেতা হাতেনাতে ধরা, অতঃপর…
চট্টগ্রামে হামের ‘মহামারি’: চট্টগ্রামে হামের তাণ্ডবে ১৩ মৃত্যু, ল্যাব থাকলেও পরীক্ষা ঢাকায়
জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু সেনা বাহিনীর
কারা হেফাজতে মৃত্যুর মিছিল: সাতক্ষীরার কারাবন্দী আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল লতিফের মৃত্যু
কারাগারে বন্দি অবস্থায় আরও একজন আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাতক্ষীরা জেলা কমিটির উপদেষ্টা এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল লতিফ গত ২৫ মে, সোমবার দিবাগত রাত ৪টার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি সাতক্ষীরা জজকোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটরের দায়িত্বও পালন করেছিলেন।
২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে থাকা আব্দুল লতিফকে ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর খুলনার বয়রা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। প্রায় পাঁচ মাস কারাবন্দি থাকার পর তাঁর এই মৃত্যু ঘটলো।
উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান
আব্দুল লতিফের
মৃত্যু বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মাত্র ১৫ মাসে কারা হেফাজতে মোট ১১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালেই মারা গেছেন ১০৭ থেকে ১১২ জন — যা যেকোনো মানদণ্ডে অস্বাভাবিক এবং উদ্বেগজনক। ২০২৬ সালের শুরু থেকেও এই মৃত্যুর মিছিল থামেনি। মৃতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মী রয়েছেন। কারা হেফাজতে মৃত্যুর আরও খবর মানবাধিকারের প্রশ্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবার অভাব, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং রাজনৈতিক বন্দিদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে আসছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিপুলসংখ্যক আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে একসাথে
গ্রেপ্তার করায় কারাগারগুলোতে অভূতপূর্ব চাপ তৈরি হয়েছে। বন্দিদের সময়মতো চিকিৎসা না দেওয়া, জামিনের আবেদন বিলম্বিত হওয়া এবং মামলার দীর্ঘসূত্রিতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রের কাছে বন্দির জীবন রক্ষার দায়িত্ব রয়েছে। কারা হেফাজতে মৃত্যু ঘটলে তার স্বচ্ছ তদন্ত করা এবং দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা। জবাবদিহিতার দাবি মানবাধিকারকর্মীরা প্রতিটি কারা হেফাজতে মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্ত, বিচারাধীন বন্দিদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং কারাগারের পরিবেশ উন্নয়নে জরুরি পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছেন। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে প্রতিটি বন্দির মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অপরিহার্য কর্তব্য। আব্দুল লতিফের পরিবার এবং সহকর্মীরা তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে স্বচ্ছ তথ্য এবং সুষ্ঠু তদন্তের
দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে তারা কারাগারে চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন বলে জানা গেছে।
মৃত্যু বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মাত্র ১৫ মাসে কারা হেফাজতে মোট ১১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালেই মারা গেছেন ১০৭ থেকে ১১২ জন — যা যেকোনো মানদণ্ডে অস্বাভাবিক এবং উদ্বেগজনক। ২০২৬ সালের শুরু থেকেও এই মৃত্যুর মিছিল থামেনি। মৃতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মী রয়েছেন। কারা হেফাজতে মৃত্যুর আরও খবর মানবাধিকারের প্রশ্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবার অভাব, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং রাজনৈতিক বন্দিদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে আসছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিপুলসংখ্যক আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে একসাথে
গ্রেপ্তার করায় কারাগারগুলোতে অভূতপূর্ব চাপ তৈরি হয়েছে। বন্দিদের সময়মতো চিকিৎসা না দেওয়া, জামিনের আবেদন বিলম্বিত হওয়া এবং মামলার দীর্ঘসূত্রিতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রের কাছে বন্দির জীবন রক্ষার দায়িত্ব রয়েছে। কারা হেফাজতে মৃত্যু ঘটলে তার স্বচ্ছ তদন্ত করা এবং দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা। জবাবদিহিতার দাবি মানবাধিকারকর্মীরা প্রতিটি কারা হেফাজতে মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্ত, বিচারাধীন বন্দিদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং কারাগারের পরিবেশ উন্নয়নে জরুরি পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছেন। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে প্রতিটি বন্দির মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অপরিহার্য কর্তব্য। আব্দুল লতিফের পরিবার এবং সহকর্মীরা তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে স্বচ্ছ তথ্য এবং সুষ্ঠু তদন্তের
দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে তারা কারাগারে চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন বলে জানা গেছে।



