ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২৯ কার্যদিবসে শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, যুবকের মৃত্যুদণ্ড
আমতলীতে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন আটক
প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ, ইমামকে আটক করে পুলিশে দিল জনতা
সরাইলে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ
খাবার কিনতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার শিশু
চরভদ্রাসনে বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ
বাসায় একা পেয়ে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ
শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে
যশোরের মণিরামপুরে শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ উঠেছে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা মামলায় ডা. রাফসানজানিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত।
শনিবার (২৩ মে) রাতে যশোর উপশহর এলাকার নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওবাইদুর রহমান।
পুলিশ জানায়, ডা. রাফসানজানির বিরুদ্ধে তার শ্যালিকা মণিরামপুর থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মণিরামপুর থানা পুলিশ শনিবার রাতে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
অভিযোগে বলা হয়, প্রায় তিন বছর আগে পড়াশোনা করানো এবং নিজের সন্তানদের দেখাশোনার কথা বলে ডা.
রাফসানজানি তার শ্যালিকাকে যশোরে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। সেখানে অবস্থানকালে তিনি ভুক্তভোগীকে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন। এছাড়াও ওই ঘটনার ভিডিও গোপনে ধারণ করে পরবর্তীতে তা দিয়ে ভুক্তভোগীকে নিয়মিত ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে বিয়ের প্রলোভন ও আশ্বাস দিয়ে মণিরামপুর উপজেলা সদরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে ভুক্তভোগীকে সেখানে রাখেন ওই চিকিৎসক। সেখানেও দীর্ঘ সময় ধরে নানা ধরনের ভয়ভীতি ও মানসিক চাপ প্রয়োগ করে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে ভুক্তভোগী এজাহারে উল্লেখ করেন। নিরুপায় হয়ে পরে তিনি মণিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মণিরামপুর থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ডা. রাফসানজানিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
রাফসানজানি তার শ্যালিকাকে যশোরে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। সেখানে অবস্থানকালে তিনি ভুক্তভোগীকে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন। এছাড়াও ওই ঘটনার ভিডিও গোপনে ধারণ করে পরবর্তীতে তা দিয়ে ভুক্তভোগীকে নিয়মিত ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে বিয়ের প্রলোভন ও আশ্বাস দিয়ে মণিরামপুর উপজেলা সদরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে ভুক্তভোগীকে সেখানে রাখেন ওই চিকিৎসক। সেখানেও দীর্ঘ সময় ধরে নানা ধরনের ভয়ভীতি ও মানসিক চাপ প্রয়োগ করে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে ভুক্তভোগী এজাহারে উল্লেখ করেন। নিরুপায় হয়ে পরে তিনি মণিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মণিরামপুর থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ডা. রাফসানজানিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।



