শিশুর নিরাপত্তা শুরু হোক ঘর থেকেই: গুড টাচ, ব্যাড টাচ এবং যা শেখা দরকার আগেই – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৪ মে, ২০২৬

শিশুর নিরাপত্তা শুরু হোক ঘর থেকেই: গুড টাচ, ব্যাড টাচ এবং যা শেখা দরকার আগেই

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ মে, ২০২৬ |
সম্প্রতি দেশজুড়ে অসংখ্য শিশু ধর্ষণ ও নিপীড়নের ঘটনায় সাধারণ মানুষের উদ্বেগ চরমে। চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ঘটনায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর তথ্যই বলে দেয়, শিশুর বিপদ কেবল অপরিচিত মানুষের কাছ থেকে আসে না। আসে পরিচিত মুখ থেকেও। আসে বিশ্বাসের জায়গা থেকেও। পরিবার, আত্মীয়-স্বজনের সান্নিধ্য, প্রতিবেশীর বাড়ি কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোথাও নিরাপদ নেই শিশুরা- ছেলে হোক বা মেয়ে শিশু। তাই এখন সময় এসেছে প্রতিটি অভিভাবককে একটি কঠিন কিন্তু অপরিহার্য কথোপকথন করতে হবে — নিজের সন্তানের সঙ্গে। সেই কথোপকথনের নাম: গুড টাচ ও ব্যাড টাচ। শিশুর নিরাপত্তার স্বার্থে জড়তা ভেঙে এখনই প্রস্তুত হোন। পরিসংখ্যান যা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ

কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত — এই ১৬ মাসে দেশে হত্যার শিকার হয়েছে অন্তত ৫২২ শিশু। গড়ে প্রতি মাসে ৩২ জনেরও বেশি শিশুর প্রাণ গেছে। একই সময়ে ধর্ষণসহ চরম নির্যাতনের শিকার হয়েছে ১ হাজার ২২৩ শিশু, অর্থাৎ গড়ে প্রতি মাসে ৭৬ জনেরও বেশি। এর মধ্যে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২০শে মে পর্যন্ত — মাত্র সাড়ে চার মাসে — দেশে কমপক্ষে ১১৮ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে আরও অন্তত ৪৬ জন। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে অন্তত ১৭টি শিশুকে। গত দুই সপ্তাহেই অন্তত চারটি শিশু ধর্ষণের পর প্রাণ হারিয়েছে। এই সংখ্যাগুলো কেবল পরিসংখ্যান নয়।

প্রতিটি সংখ্যার পেছনে আছে একটি থেমে যাওয়া শৈশব, একটি ভেঙে পড়া পরিবার এবং একটি আতঙ্কিত সমাজ। আর এই সমাজেই আপনার সন্তান বড় হচ্ছে। তাই তাকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব আপনার — এখনই, আজই। গুড টাচ ও ব্যাড টাচ কী? শিশুকে প্রথমেই বোঝাতে হবে যে সব স্পর্শ সমান নয়। কিছু স্পর্শ ভালো, কিছু স্পর্শ খারাপ এবং কিছু স্পর্শ বিভ্রান্তিকর। গুড টাচ বা ভালো স্পর্শ হলো সেই স্পর্শ যা শিশুকে নিরাপদ, উষ্ণ এবং ভালো অনুভব করায়। যেমন মায়ের আলিঙ্গন, বাবার হাত ধরে হাঁটা, বন্ধুর সঙ্গে হাত মেলানো বা ডাক্তার কর্তৃক প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা — যা শিশুর অনুমতি নিয়ে এবং অভিভাবকের সামনে করা হয়। ব্যাড টাচ বা খারাপ

স্পর্শ হলো সেই স্পর্শ যা শিশুকে অস্বস্তি, ভয় বা লজ্জা দেয়। বিশেষভাবে শরীরের যে অংশগুলো সাঁতারের পোশাক বা অন্তর্বাসে ঢাকা থাকে — অর্থাৎ বুক, যৌনাঙ্গ, নিতম্ব — সেখানে অন্য কেউ স্পর্শ করলে তা সর্বদা ব্যাড টাচ। শিশুকে পরিষ্কারভাবে বলুন: এই জায়গাগুলো শুধু তার নিজের। মা-বাবা ছাড়া এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার (অভিভাবকের উপস্থিতিতে) বাইরে অন্য কেউ এখানে হাত দিতে পারবে না। বিভ্রান্তিকর স্পর্শ হলো সেই স্পর্শ যা শিশুর মনে মিশ্র অনুভূতি তৈরি করে। যেমন কোনো পরিচিত মানুষ বা আত্মীয়ের স্পর্শ যা প্রথমে স্বাভাবিক মনে হয়, কিন্তু ধীরে ধীরে অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। শিশুকে শেখান, যেকোনো স্পর্শে যদি মনের ভেতরে অস্বস্তি লাগে — সেটাই সংকেত। শিশুকে

যে পাঁচটি মূল বিষয় শেখাবেন এক: শরীর সম্পূর্ণ তার নিজের। শিশুকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলুন, তার শরীর শুধু তার। কেউ তার অনুমতি ছাড়া তাকে স্পর্শ করতে পারবে না। এমনকি পরিচিত আত্মীয়ও নয়। জোর করে কাউকে আলিঙ্গন করতে বা চুমু দিতে বাধ্য করবেন না — এমনকি পারিবারিক আড্ডায়ও না। এটি শিশুর মনে একটি সুরক্ষার সীমানা তৈরি করে। দুই: ‘না’ বলা তার অধিকার। শিশুকে শেখান, সে যদি কোনো স্পর্শে অস্বস্তি বোধ করে, তাহলে জোরে এবং স্পষ্টভাবে ‘না’ বলতে পারবে। সে যেন জানে, ‘না’ বলা অভদ্রতা নয়, এটি তার অধিকার। বড়দের বা পরিচিতদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম সমানভাবে প্রযোজ্য। তিন: কোনো গোপন স্পর্শ থাকবে না। শিশুকে শেখান, কোনো

প্রাপ্তবয়স্ক যদি তাকে বলেন এই স্পর্শের কথা গোপন রাখতে হবে — তাহলে সেটা সবচেয়ে বড় বিপদের সংকেত। ভালো মানুষ কখনো শিশুকে গোপনীয়তার বোঝা দেয় না। এই একটি শিক্ষা বহু অপরাধ প্রতিরোধ করতে পারে। চার: পেট বা মনে অস্বস্তি লাগলেই সংকেত। শিশুর ভাষায় বোঝান — পেটে যখন অদ্ভুত একটা অনুভূতি হয়, বুক ধড়ফড় করে, ভয় লাগে বা লজ্জা লাগে — তার মানে কিছু একটা ঠিক নেই। শরীর তখন সংকেত দিচ্ছে। সেই সংকেতকে বিশ্বাস করতে হবে। পাঁচ: সব কিছু বিশ্বস্ত মানুষকে বলতে হবে। শিশুকে অন্তত তিনজন বিশ্বস্ত প্রাপ্তবয়স্কের কথা বলতে সাহায্য করুন — মা, বাবা, দাদি বা কাছের কোনো আত্মীয় — যাদের কাছে সে

যেকোনো কথা নির্ভয়ে বলতে পারবে। স্পষ্ট করে বলুন: কেউ তোমাকে খারাপভাবে স্পর্শ করলে, তুমি আমাকে বলবে। আমি রাগ করব না, তোমাকে দোষ দেব না। অপরাধী শনাক্ত করার উপায় শেখান গবেষণা বলছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিশু যৌন নির্যাতনকারী অপরিচিত কেউ নয়। সে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, শিক্ষক, প্রতিবেশী বা পরিচিত কেউ হতে পারে। তাই শিশুকে চেহারা নয়, আচরণ চিনতে শেখান। সম্ভাব্য অপরাধী যে আচরণগুলো করতে পারে সেগুলো হলো — শিশুকে একা পেলে ঘরের দরজা বন্ধ করা, শিশুকে বিশেষ উপহার বা টাকা দিয়ে কাছে টানার চেষ্টা করা, শরীরের বিভিন্ন অংশ দেখতে চাওয়া বা স্পর্শ করতে চাওয়া এবং অন্যদের কাছ থেকে আলাদা করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা। এর পাশাপাশি ঘটনা গোপন রাখতে ভয় দেখানো বা মিষ্টি কথায় বোঝানো এবং বলা যে এটা স্বাভাবিক বা সবাই করে — এগুলোও বিপদের স্পষ্ট লক্ষণ। শিশুকে বলুন, যদি কেউ এভাবে আচরণ করে — তাকে বিশ্বাস করার দরকার নেই, সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে সরে আসতে হবে। বিপদে পড়লে কী করবে — আত্মরক্ষার ব্যবহারিক শিক্ষা শিশুকে কেবল তত্ত্ব নয়, বাস্তব পরিস্থিতিতে কী করতে হবে তাও শেখাতে হবে। জোরে ‘না’ বলা এবং চিৎকার করা। শিশুকে শেখান, বিপদ বুঝলে সে দ্বিধাগ্রস্ত না হয়ে সঙ্গে সঙ্গে জোরে ‘না’ বলবে এবং চিৎকার করবে। লোকলজ্জার কথা ভাববে না। পরিচিত মানুষ হলেও থামবে না। চিৎকার করলে লোক জড়ো হয় — এটাই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা। সেখান থেকে দৌড়ে পালানো। শিশুকে শেখান, বিপদ টের পেলে যত দ্রুত সম্ভব সেই জায়গা ছেড়ে যেতে হবে। লোকজন আছে এমন জায়গায় — দোকান, রাস্তা বা পাশের বাড়িতে — চলে যেতে হবে। প্রয়োজনে আঁচড়ে, কামড়ে দিয়ে হলেও যেন আত্মরক্ষার চেষ্টা করে। কাছের মানুষকে জানানো। ঘটনার পর শিশু যেন থেমে না থাকে। সে যেন বিশ্বস্ত মানুষের কাছে গিয়ে ঘটনাটি বলে। মনে করিয়ে দিন — এটা তার দোষ নয়। সে কোনো ভুল করেনি। সাহায্য চাওয়া শেখান। শিশুকে কিছু নির্দিষ্ট বাক্য মুখস্থ করিয়ে দিন। যেমন: ‘আমাকে বাঁচাও’, ‘সাহায্য করুন’, ‘এই মানুষটি আমার ক্ষতি করতে চাইছে’, ‘আমার মা-বাবাকে ডাকুন।’ এই বাক্যগুলো বিপদের মুহূর্তে মস্তিষ্ক যখন থমকে যায়, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেরিয়ে আসে। জাতীয় শিশু হেল্পলাইন নম্বর মুখস্থ করান। বাংলাদেশে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় জাতীয় হেল্পলাইন নম্বর হলো ১০৯৮। এই নম্বরটি শিশুকে মনে রাখতে শেখান এবং প্রয়োজনে নিজেই ফোন করতে বলুন। অথবা জরুরি হেল্পলাইন ৯৯৯-তো আছেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ সতর্কতা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখাচ্ছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মক্তব-মাদ্রাসার মতো বিশ্বাসযোগ্য পরিবেশেও শিশু নিরাপদ নয়। তাই অভিভাবক হিসেবে আপনাকে কিছু বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। শিশু স্কুল বা মক্তব থেকে ফিরলে তার সঙ্গে স্বাভাবিক কথা বলুন — কী পড়লে, কে কী বলল, কেমন লাগল। কোনো শিক্ষক বা বড় মানুষ একা ডেকে নিয়ে যায় কিনা জানুন। সে যদি হঠাৎ কোনো বিশেষ জায়গায় যেতে ভয় পায় বা অস্বীকার করে, তার কারণ জিজ্ঞেস করুন ধৈর্য ধরে। শিশুকে আগে থেকেই বলুন, শিক্ষক বা ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব যে-ই হোক না কেন, কেউ যদি তাকে একা ঘরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে — সে যেন সঙ্গে সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে আসে এবং আপনাকে জানায়। অভিভাবক হিসেবে যা করবেন শিশুর সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলা মানে তাকে ভয় দেখানো নয়, বরং তাকে শক্তিশালী করা। কিছু বিষয় মাথায় রাখুন। বয়স অনুযায়ী কথা বলুন। তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুকে শেখান শরীরের সঠিক নাম এবং সাঁতারের পোশাকে ঢাকা অংশ কারো ছোঁয়া মানে খারাপ স্পর্শ। ছয় থেকে দশ বছর বয়সীকে গুড টাচ-ব্যাড টাচ, না বলার অধিকার এবং বিশ্বস্ত মানুষকে সব বলার শিক্ষা দিন। এগারো বছর বা তার বেশি বয়সীকে অনলাইন নিরাপত্তা, সম্মতির ধারণা এবং বন্ধুদেরও সুরক্ষায় সাহায্য করতে শেখান। একবার বললেই হবে না। এই আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিভিন্ন সুযোগে, বিভিন্ন বয়সে বারবার স্বাভাবিকভাবে কথা তুলুন। মনে রাখুন, শিশু যদি কখনো কিছু বলে — প্রথমেই বিশ্বাস করুন। সন্দেহ করবেন না, রাগ করবেন না, লুকাবেন না। কারণ আপনার প্রতিক্রিয়াই ঠিক করবে সে ভবিষ্যতে আর কিছু বলবে কিনা। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ — নিজের পরিবারের মধ্যেও সীমানা তৈরি করুন। শিশুর অনিচ্ছায় কাউকে আলিঙ্গন করতে বা চুমু দিতে জোর করবেন না, এমনকি আপনার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়কেও। শেষ কথা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার ফারজানা রহমান বলেন, শিশুদের বিরুদ্ধে যারা অপরাধ করছে তাদের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স দরকার, এবং শিশু সুরক্ষার বিষয়টিকে রাজনৈতিক এজেন্ডায় কখনোই যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। রাষ্ট্র ও সমাজ যতদিন না সেই দায়িত্ব নেয়, ততদিন প্রতিটি অভিভাবককেই নিজের সন্তানের প্রথম সুরক্ষক হয়ে উঠতে হবে। একটি কথোপকথন, একটি শিক্ষা, একটি আলিঙ্গন দিয়ে বলা — ‘তুমি যাই বলো আমি বিশ্বাস করব’ — এই ছোট্ট পদক্ষেপগুলোই একদিন আপনার সন্তানের জীবন বাঁচাতে পারে। আজই শুরু করুন। সেই কথোপকথন আর দেরি করবেন না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
‘ছিন্ন বিশ্বে’ একতার গান মালয়েশিয়ায় ৫ মাসে ৩০ হাজারের বেশি অভিবাসী আটক হোয়াইট হাউসকে আরিয়ানার হুঁশিয়ারি, ‘বর্বর কাজে’ আমার গান ব্যবহার করবেন না ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই চিকিৎসাসামগ্রীর গুদাম শিক্ষা বাজেট বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই: শিক্ষা অধিকার সংসদ আদ্‌-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা সিপিবির প্রতিক্রিয়া: বাজেটে নেই ব্যয় কমানোর আশাবাদ, বাড়বে বৈষম্য খুলনায় বাড়ির সামনে গুলি করে বিএনপি নেতা ঢাকাইয়া রফিককে হত্যা কার্যালয়ে চোরের হানা, নাশকতা চেষ্টার দাবি অ্যাটর্নি জেনারেল কুদ্দুসের ‘একই আকাশ, একই বাতাস’: বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন স্বপ্নের কথা বললেন নতুন ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী শিশু ফাহিমা ধর্ষণ-হত্যা: ৩৩ দিন পর আদালতে চার্জশিট আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে পতন প্রতিবেশীর শয়নকক্ষে মিলল শিশু ‘রাকার’ বস্তাবন্দি লাশ বিজয়ের ৫২তম জন্মদিনে ভক্তদের জন্য থাকছে বিশেষ উপহার ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চান বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশ বিশ্বকাপের মাঝেই চলে গেলেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী তারকা ব্রিতো মেক্সিকো সিটিতে বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধন ৩ লাল কার্ডের নাটকীয় উদ্বোধনী ম্যাচে দ. আফ্রিকাকে হারাল মেক্সিকো পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারালো দক্ষিণ কোরিয়া