ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভিনিসিউসের আর্সেনালে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন নিয়ে ‘কথা বলবেন না’ আর্তেতা
ভারতের মডেলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়ন করতে চান তামিম
শ্রীলঙ্কা সিরিজে অনিশ্চিত জাসপ্রীত বুমরাহ
ফিফা সভাপতির পদ ছাড়ার চাপে ইনফান্তিনো
সাঁতরে স্পেনে, সবাই আবার ফিরে গেলেন কেন?
দ্রুত সুস্থ হয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দলে লিটন
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আলাদা গ্রুপে বাংলাদেশ ও ভারত
পেশাদারত্ব বাড়লেও ক্রিকেটে মদ্যপানের সংস্কৃতি থেকে গেছে: স্টোকস
আধুনিক যুগের সঙ্গে সঙ্গে ক্রিকেট এখন অনেক বেশি পেশাদার ও সুশৃঙ্খল। তবে খেলাটির পরতে পরতে মদ্যপানের যে পুরোনো সংস্কৃতি জড়িয়ে আছে, তা এখনও আগের মতোই থেকে গেছে বলে মনে করেন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক বেন স্টোকস। তবে বিষয়টিকে অপরাধ বা দলের ভেতরে অনিয়ম হিসেবে না দেখে ক্রিকেটীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসেবেই বিবেচনা করছেন তিনি।
‘ফর দ্য লাভ অব ক্রিকেট’ পডকাস্টে কথা বলার সময় ৩৫ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার জানান, সময়ের সাথে সাথে খেলাটির আধুনিকায়ন হলেও এই নির্দিষ্ট অভ্যাসটি ক্রিকেট থেকে দূরে সরে যায়নি। গত জুনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানো স্টোকসের মতে, এটি কোনো অপরাধ বা নেতিবাচক চর্চা নয়, বরং ক্রিকেট সংস্কৃতির একটি অংশ
যা তৃণমূল থেকে একদম শীর্ষ স্তর পর্যন্ত সমানভাবে বিদ্যমান। ইংল্যান্ড দলের মদ্যপান নিয়ে কোনো ‘সমস্যা’ আছে কি না—এমন প্রশ্নে স্টোকস স্পষ্ট করে বলেন, ‘না, কোনো দলকে এভাবে বিচার করা একেবারেই অনুচিত। আমি মনে করি সামগ্রিকভাবে ক্রিকেটের ভেতরেই মদ্যপানের একটি সংস্কৃতি রয়ে গেছে এবং সেটির পরিবর্তন হয়নি।’ নিজের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে স্টোকস আরও বলেন, ‘আমরা ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে আছি। খেলাটি দিন দিন অনেক বেশি পেশাদার হয়েছে, কিন্তু একদম ক্লাব ক্রিকেট থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক স্তর পর্যন্ত অ্যালকোহলের সঙ্গে এর যে স্বাভাবিক সম্পর্ক, তা বহাল রয়েছে। খেলা পেশাদার হওয়ার সাথে সাথে এই সংস্কৃতিটি কিন্তু হারিয়ে যায়নি।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘যারা মনে করেন
এটি ইংল্যান্ড দলের ব্যক্তিগত কোনো সমস্যা, তারা ভুল ভাবছেন। এটি আসলে ক্রিকেটের বহু পুরোনো একটি চর্চা যা খেলার পরিবেশের সঙ্গেই মিশে আছে।’ ২০১৮ সালে ব্রিস্টলের একটি নাইটক্লাবের ঘটনার পর নির্দোষ প্রমাণিত হওয়া স্টোকস স্বীকার করেন, ক্যারিয়ারের একপর্যায়ে মদ্যপানের ব্যবহারে নিজস্ব ভারসাম্য বজায় রাখা তার জন্য কঠিন ছিল। তবে ২০২৫ সালে ইনজুরিতে থাকার সময় কিছুদিন তা থেকে দূরে থেকে পরবর্তীতে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনেন তিনি। তার মতে, মদ্যপান নিজে থেকে ক্ষতিকর কিছু না হলেও সীমা বজায় রাখা জরুরি। অবসরের পর ক্রিকেট ছাড়ছেন না এই অলরাউন্ডার। ইতোমধ্যেই লেভেল-থ্রি কোচিং কোর্স শুরু করেছেন তিনি। ড্রেসিংরুম থেকে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলকে নতুনভাবে নেতৃত্ব দেওয়াই এখন তার মূল
লক্ষ্য।
যা তৃণমূল থেকে একদম শীর্ষ স্তর পর্যন্ত সমানভাবে বিদ্যমান। ইংল্যান্ড দলের মদ্যপান নিয়ে কোনো ‘সমস্যা’ আছে কি না—এমন প্রশ্নে স্টোকস স্পষ্ট করে বলেন, ‘না, কোনো দলকে এভাবে বিচার করা একেবারেই অনুচিত। আমি মনে করি সামগ্রিকভাবে ক্রিকেটের ভেতরেই মদ্যপানের একটি সংস্কৃতি রয়ে গেছে এবং সেটির পরিবর্তন হয়নি।’ নিজের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে স্টোকস আরও বলেন, ‘আমরা ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে আছি। খেলাটি দিন দিন অনেক বেশি পেশাদার হয়েছে, কিন্তু একদম ক্লাব ক্রিকেট থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক স্তর পর্যন্ত অ্যালকোহলের সঙ্গে এর যে স্বাভাবিক সম্পর্ক, তা বহাল রয়েছে। খেলা পেশাদার হওয়ার সাথে সাথে এই সংস্কৃতিটি কিন্তু হারিয়ে যায়নি।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘যারা মনে করেন
এটি ইংল্যান্ড দলের ব্যক্তিগত কোনো সমস্যা, তারা ভুল ভাবছেন। এটি আসলে ক্রিকেটের বহু পুরোনো একটি চর্চা যা খেলার পরিবেশের সঙ্গেই মিশে আছে।’ ২০১৮ সালে ব্রিস্টলের একটি নাইটক্লাবের ঘটনার পর নির্দোষ প্রমাণিত হওয়া স্টোকস স্বীকার করেন, ক্যারিয়ারের একপর্যায়ে মদ্যপানের ব্যবহারে নিজস্ব ভারসাম্য বজায় রাখা তার জন্য কঠিন ছিল। তবে ২০২৫ সালে ইনজুরিতে থাকার সময় কিছুদিন তা থেকে দূরে থেকে পরবর্তীতে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনেন তিনি। তার মতে, মদ্যপান নিজে থেকে ক্ষতিকর কিছু না হলেও সীমা বজায় রাখা জরুরি। অবসরের পর ক্রিকেট ছাড়ছেন না এই অলরাউন্ডার। ইতোমধ্যেই লেভেল-থ্রি কোচিং কোর্স শুরু করেছেন তিনি। ড্রেসিংরুম থেকে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলকে নতুনভাবে নেতৃত্ব দেওয়াই এখন তার মূল
লক্ষ্য।



