ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তবু টাকা যাচ্ছে ভারতে, সাবেক এমপি রণজিতের সম্পত্তি নিয়ে নতুন চাঞ্চল্য
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের ৭ দিনের রোডম্যাপ
কাজীদের ক্ষমতা শেষ, এবার সরকারি রেজিস্ট্রারের হাতে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্তির দায়িত্ব
জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
বিশ্বমঞ্চে ট্রাম্পের ক্ষমতা নিম্নমুখী, চাপ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে
কাস্পিয়ান সাগরে ভেসে গেল ১৯ সেনা, নিহত ৯
১০০ ফুট লালগালিচায় চীনের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প
টানা বৃষ্টিতে ডুবল ব্যাংকক, জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা
টানা ৪৮ ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের বেশিরভাগ সড়ক তলিয়ে যাওয়ার পর শহরটিতে জরুরি বন্যা দুর্যোগ ঘোষণা করা হয়েছে।
বাসিন্দাদের ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে শহরের খালগুলোর আশপাশে বসবাসকারীদের ঘরের মালামাল দ্রুত উপরের তলায় সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, বছরের এ সময়ে থাইল্যান্ডে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত সাধারণ ঘটনা হলেও সাম্প্রতিক অতিবর্ষণ ব্যাংককের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে দিয়েছে। যানজটের জন্য পরিচিত শহরটির প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
রোববার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। এতে শহরের খালগুলোর পানি উপচে নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মধ্য ব্যাংককের উত্তরে এক খালের পাশে
বসবাসকারী ৬৭ বছর বয়সি সোমকিদ ফিউক-নগাম বলেন, পানি আসতেই আছে। এখন বাইরে যাওয়া কঠিন। এখন তো পানি কোমর পর্যন্ত উঠে গেছে। তিনি বলেন, আমি কোথাও যেতে পারছি না। দুই দিন ধরে আমার দোকান বন্ধ রেখেছি। ফিউক-নগামের ভাষ্য, ২০১১ সালে দেশজুড়ে বন্যার সময় ব্যাংককে যে পরিস্থিতি হয়েছিল, এবার শহরের পানির উচ্চতা তার চেয়েও খারাপ বলে মনে হচ্ছে। ২০১১ সালে চরম আবহাওয়াজনিত সেই দুর্যোগ তিন মাস ধরে চলেছিল। তখন পুরো থাইল্যান্ডে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়। তবে এবারের বন্যায় ব্যাংককে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। থাই আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, সপ্তাহজুড়ে আরও ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক কয়েক দিনের বৃষ্টির জন্য দায়ী নিম্নচাপটি
মধ্য থাইল্যান্ডের দিকে সরে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট জানিয়েছেন, শহরের পূর্বাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, বৃষ্টি ঝরেই যাচ্ছে এবং আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আমরা পাম্প করে পানি সরানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু খালগুলোর পানি পূর্ণ হয়ে গেছে। খালের পাশে যারা থাকেন, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।
বসবাসকারী ৬৭ বছর বয়সি সোমকিদ ফিউক-নগাম বলেন, পানি আসতেই আছে। এখন বাইরে যাওয়া কঠিন। এখন তো পানি কোমর পর্যন্ত উঠে গেছে। তিনি বলেন, আমি কোথাও যেতে পারছি না। দুই দিন ধরে আমার দোকান বন্ধ রেখেছি। ফিউক-নগামের ভাষ্য, ২০১১ সালে দেশজুড়ে বন্যার সময় ব্যাংককে যে পরিস্থিতি হয়েছিল, এবার শহরের পানির উচ্চতা তার চেয়েও খারাপ বলে মনে হচ্ছে। ২০১১ সালে চরম আবহাওয়াজনিত সেই দুর্যোগ তিন মাস ধরে চলেছিল। তখন পুরো থাইল্যান্ডে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়। তবে এবারের বন্যায় ব্যাংককে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। থাই আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, সপ্তাহজুড়ে আরও ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক কয়েক দিনের বৃষ্টির জন্য দায়ী নিম্নচাপটি
মধ্য থাইল্যান্ডের দিকে সরে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট জানিয়েছেন, শহরের পূর্বাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, বৃষ্টি ঝরেই যাচ্ছে এবং আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আমরা পাম্প করে পানি সরানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু খালগুলোর পানি পূর্ণ হয়ে গেছে। খালের পাশে যারা থাকেন, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।



