ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারি শৌচাগার ভেঙে বিএনপি কার্যালয় স্থাপন, লাগানো হয়েছে এমপির ছবিও
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের ৭ দিনের রোডম্যাপ
বোমাবাজি নিয়ে পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার
গ্যাস নিয়ে সুখবর
বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি, তেলের দামও বাড়েনি- সমন্বয় করা হয়েছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী
গভীর রাতে বিএনপির নেতার নেতৃত্বে এনজিও ভবন গুঁড়িয়ে দিয়ে টিকার সামগ্রীসহ কোটি টাকার মাল লুটপাট
সরকারপন্থীদের ঢোকাতে সরকারি কমিটিগুলো থেকে আওয়ামীপন্থী ট্যাগে বাদ পড়ছেন কর্মকর্তারা, নির্দেশনা জারি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবলীগ নেতার পারিবারিক ঐতিহ্যবাহী বাড়ি পুড়িয়ে ছাই করে দিল বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সন্ত্রাসীরা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আওয়ামী লীগের সংগঠন যুবলীগের এক নেতার পৈতৃক বসতঘরে রাতের আঁধারে আগুন দিয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা।
গতকাল ২৪শে সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার দরিকান্দি ইউনিয়নের খাল্লা গ্রামের মির্জা শফিকুল ইসলাম স্বপনের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
জানা গেছে, মির্জা শফিকুল ইসলাম বাঞ্ছারামপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ নেতা। তার বাবা মরহুম জীবন মিয়াও দরিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। স্বপন নিজেও টানা তিনবার দরিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরিবারের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে এ বাড়ির পুরোনো ঘরটির স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে।
স্থানীয়দের কাছে অত্যন্ত সজ্জন এই পরিবারটি। এলাকাবাসীর সুখে-দুঃখে সবসময় তারা এগিয়ে আসেন। কিন্তু ২০২৪-এর ৫ই আগস্টের পর রাজনৈতিক
সহিংসতার কারণে তারা এলাকা থেকে দূরে সরে রয়েছেন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাদের ওপর ক্রমাগত হুমকি-ধমকির পাশাপাশি বাড়ি ও ভিটার দখল নিতে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছিল। এই বাড়িটি স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি প্রাণকেন্দ্র ছিল। তাই বাড়িটির ওপর অনেকদিন ধরেই প্রতিহিংসার নজর ছিল বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সন্ত্রাসীদের। নিরাপত্তার কারণে নাম-পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিবেশীরা জানালেন এই ঘটনার পেছনে স্থানীয় বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির নেতাকর্মীরা যুক্ত ছিলেন। তাদের অনেককেই এলাকাবাসী চেনেন, কিন্তু কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে চান না। জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ ওই বাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখেন প্রতিবেশীরা। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরোনো কাঠ ও টিনের তৈরি ঘরটিতে। আগুনের তীব্রতায় ঘরের কাঠামো, আসবাবপত্র, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী পুড়ে যায়। পরে
স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর দেখা যায়, ঘরটির ভেতরে থাকা অধিকাংশ সামগ্রীই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। নিকটস্থ এক প্রতিবেশী জানান, ইউনিয়নের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে ঘরটি ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর মির্জা শফিকুল ইসলাম স্বপন বর্তমানে এলাকার বাইরে অবস্থান করছেন। এই সুযোগে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সন্ত্রাসীরা তাদের বাড়িটিতে আগুন দেয়। আগুন দেওয়ার পূর্বে বাড়ির মূল্যবান সামগ্রী লুটপাটও চালায়। দরিকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহিদুল হক দানিস বলেন, স্বপন চেয়ারম্যানের এই ঘরটি ছিল একটি রাজনৈতিক ঐতিহ্য। এখান থেকেই ইউনিয়নের রাজনীতি ও চেয়ারম্যানের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হত। এমন ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। মির্জা শফিকুল ইসলাম স্বপন
মোবাইলে বলেন, এটি আমার বাবার আমলের অনেক দামি কাঠের তৈরি প্রাচীন ঘর। এই ঘর আমাদের পরিবারের ঐতিহ্য ও স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। ইউনিয়নের মানুষের জন্য এবং এলাকার উন্নয়নে দীর্ঘদিন কাজ করেছি। কিন্তু প্রতিহিংসার কারণে আমাদের ঘরটি পুড়িয়ে দেওয়া হবে- এটা ভাবতেও পারছি না। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত; পুলিশ তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনবে- এটাই আমার প্রত্যাশা। বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সহিংসতার কারণে তারা এলাকা থেকে দূরে সরে রয়েছেন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাদের ওপর ক্রমাগত হুমকি-ধমকির পাশাপাশি বাড়ি ও ভিটার দখল নিতে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছিল। এই বাড়িটি স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি প্রাণকেন্দ্র ছিল। তাই বাড়িটির ওপর অনেকদিন ধরেই প্রতিহিংসার নজর ছিল বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সন্ত্রাসীদের। নিরাপত্তার কারণে নাম-পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিবেশীরা জানালেন এই ঘটনার পেছনে স্থানীয় বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির নেতাকর্মীরা যুক্ত ছিলেন। তাদের অনেককেই এলাকাবাসী চেনেন, কিন্তু কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে চান না। জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ ওই বাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখেন প্রতিবেশীরা। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরোনো কাঠ ও টিনের তৈরি ঘরটিতে। আগুনের তীব্রতায় ঘরের কাঠামো, আসবাবপত্র, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী পুড়ে যায়। পরে
স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর দেখা যায়, ঘরটির ভেতরে থাকা অধিকাংশ সামগ্রীই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। নিকটস্থ এক প্রতিবেশী জানান, ইউনিয়নের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে ঘরটি ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর মির্জা শফিকুল ইসলাম স্বপন বর্তমানে এলাকার বাইরে অবস্থান করছেন। এই সুযোগে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সন্ত্রাসীরা তাদের বাড়িটিতে আগুন দেয়। আগুন দেওয়ার পূর্বে বাড়ির মূল্যবান সামগ্রী লুটপাটও চালায়। দরিকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহিদুল হক দানিস বলেন, স্বপন চেয়ারম্যানের এই ঘরটি ছিল একটি রাজনৈতিক ঐতিহ্য। এখান থেকেই ইউনিয়নের রাজনীতি ও চেয়ারম্যানের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হত। এমন ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। মির্জা শফিকুল ইসলাম স্বপন
মোবাইলে বলেন, এটি আমার বাবার আমলের অনেক দামি কাঠের তৈরি প্রাচীন ঘর। এই ঘর আমাদের পরিবারের ঐতিহ্য ও স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। ইউনিয়নের মানুষের জন্য এবং এলাকার উন্নয়নে দীর্ঘদিন কাজ করেছি। কিন্তু প্রতিহিংসার কারণে আমাদের ঘরটি পুড়িয়ে দেওয়া হবে- এটা ভাবতেও পারছি না। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত; পুলিশ তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনবে- এটাই আমার প্রত্যাশা। বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’



