ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা
বিএনপি নেতা আরাফাত রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীতে আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বেড়ে চলেছে সংখ্যা
সুনামগঞ্জে এক বছরে অন্তত ১৫ ছাত্র মাদ্রাসার মুহতামিমের ধর্ষণের শিকার, ধামাচাপার চেষ্টা স্থানীয় মাওলানাদের
সীতাকুণ্ডে বিএনপি কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করল আওয়ামী লীগ কর্মীকে
যুবলীগ নেতা ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা, মামলা করতে গিয়ে ৬৮ বছরের বৃদ্ধা মা বিএনপি অফিস ভাঙার মামলায় কারাগারে!
ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু: পরিবারের বরাতে পুলিশ
বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে কলেজছাত্রীকে মসজিদের কক্ষে নিয়ে বারবার ধর্ষণ, হত্যার হুমকি
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় মসজিদে দায়িত্বরত বিবাহিত ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
হুমায়ুন আহমেদ (৩০) নামের ওই ইমাম উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের মধুরকান্দি গ্রামের ইছব আলীর ছেলে। তিনি রতারগাঁও গ্রামের দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির আরও অভিযোগ আছে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাঘবের বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মসজিদে ইমামতি করার সময় দিগেন্দ্র বর্মন সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে হুমায়ুনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মসজিদের পাশেই ছাত্রীর বাড়ি। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তিনি ওই ছাত্রীকে নিজ কক্ষে নিয়ে প্রায়ই রাত কাটাতেন।
গত
২৪শে মে রাত ৯টার দিকে মসজিদসংলগ্ন কক্ষে নিয়ে ভুক্তভোগীকে পুনরায় জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় ঘটনাটি কাউকে জানালে ছুরি দিয়ে কেটে টুকরো টুকরো করে হত্যার হুমকি দেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া গত ১৭ই জুলাই দুপুরে নিজের বাড়িতে নিয়ে আবারও ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। তখন তিনি স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ভুক্তভোগীকে বিয়ে করার আশ্বাস দেন। কিন্তু পরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি তা অস্বীকার করেন এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে থাকেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গত ২৬শে জুলাই ভুক্তভোগীর বাবা সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ
দিলে বিশ্বম্ভরপুর থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। বিশ্বম্ভরপুর থানার ওসি শাহীন মিয়া বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বুধবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
২৪শে মে রাত ৯টার দিকে মসজিদসংলগ্ন কক্ষে নিয়ে ভুক্তভোগীকে পুনরায় জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় ঘটনাটি কাউকে জানালে ছুরি দিয়ে কেটে টুকরো টুকরো করে হত্যার হুমকি দেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া গত ১৭ই জুলাই দুপুরে নিজের বাড়িতে নিয়ে আবারও ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। তখন তিনি স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ভুক্তভোগীকে বিয়ে করার আশ্বাস দেন। কিন্তু পরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি তা অস্বীকার করেন এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে থাকেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গত ২৬শে জুলাই ভুক্তভোগীর বাবা সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ
দিলে বিশ্বম্ভরপুর থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। বিশ্বম্ভরপুর থানার ওসি শাহীন মিয়া বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বুধবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।





