ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৪ বিয়ের পরেও পরনারীর ঘরে! জামায়াত কর্মীকে রাতভর খুঁটিতে বেঁধে পুলিশে সোপর্দ
বাগেরহাটে একই পরিবারের তিনজনের গলিত মরদেহ উদ্ধার
মোহাম্মদপুরে ‘ককটেল’ বিস্ফোরণ
‘পানি সরাও, মানুষ বাঁচাও’ স্লোগানে যশোরে ডিসি অফিস ঘেরাও
প্রবাসীর স্ত্রীসহ আপত্তিকর অবস্থায় যুবদল নেতা আটক
নিখোঁজ কাস্টমসকর্মীর ১৫ টুকরা লাশ পুকুরে
গভীর রাতে তরুণীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় আটক ইসলামী ছাত্র আন্দোলন নেতা- ‘আগেই বিয়ে হয়েছে’
মাদ্রাসার বাথরুমে ছাত্রের মরদেহ: গ্রেপ্তার ২ শিক্ষক কারাগারে
রাজধানীর রায়েরবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার একটি মাদ্রাসা থেকে শিশু শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ ৪ঠা আগস্ট, মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামানের আদালত পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক আব্দুস ছবুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন— রওয়াজাতুল উলূম হাফিজিয়া নুরানি মাদ্রাসার শিক্ষক মো. জাকারিয়া (৩৫) ও মো. জোবায়ের আহম্মেদ (২০)।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক আমজাদ হোসেন আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। তবে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
৩রা আগস্ট, সোমবার দুপুরে রওয়াজাতুল উলূম হাফিজিয়া নুরানি মাদ্রাসার তৃতীয় তলার বাথরুম থেকে মো. নাঈম শেখ নামে
১৩ বছরের এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা নাজমা বেগম শিক্ষক জাকারিয়া ও জোবায়েরকে আসামি করে মামলা করেন। এরপর রাত ১০টার দিকে সেই মাদ্রাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, দুই শিক্ষক বিভিন্ন অজুহাতে নাঈমকে নির্যাতন করতেন। নাঈম বিষয়টি তার মাকে বলেছিল। পরে ছেলেকে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন নাজমা বেগম। কিন্তু আসামিরা মাদ্রাসা থেকে ছাড়পত্র দেননি। নাঈম ওই মাদ্রাসায় পড়তে না চাওয়ায় আসামিরা তার ওপর ক্রমাগত নির্যাতন চালিয়ে যান। সোমবার দুপুরে নাঈম মাদ্রাসায় পড়বে না বলে শিক্ষকদের জানায়। তখন তাকে মারধর করা হয়। পরে তাকে আসামিরা শ্বাসরোধে হত্যা করে। নিরাপত্তার স্বার্থে মাদ্রাসায় পড়ুয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী নাম-পরিচয়
প্রকাশ না করে প্রতিবেদককে জানান, হুজুররা বলাৎকার করে শিক্ষার্থীদের। কেউ তাদের কথায় রাজি না হলে তার ওপর জুলুম-নির্যাতন করে। যাদের পরিবাররের কাছে যাওয়ার উপায় নাই, তারা মুখ বুঁজে দিনের পর দিন এসব অত্যাচার সহ্য করে যাচ্ছে। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে শিক্ষার্থীরা আকুতি জানায়, যেন এই অত্যাচারী শিক্ষকদের হাত থেকে তাদের রক্ষা করা হয়।
১৩ বছরের এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা নাজমা বেগম শিক্ষক জাকারিয়া ও জোবায়েরকে আসামি করে মামলা করেন। এরপর রাত ১০টার দিকে সেই মাদ্রাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, দুই শিক্ষক বিভিন্ন অজুহাতে নাঈমকে নির্যাতন করতেন। নাঈম বিষয়টি তার মাকে বলেছিল। পরে ছেলেকে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন নাজমা বেগম। কিন্তু আসামিরা মাদ্রাসা থেকে ছাড়পত্র দেননি। নাঈম ওই মাদ্রাসায় পড়তে না চাওয়ায় আসামিরা তার ওপর ক্রমাগত নির্যাতন চালিয়ে যান। সোমবার দুপুরে নাঈম মাদ্রাসায় পড়বে না বলে শিক্ষকদের জানায়। তখন তাকে মারধর করা হয়। পরে তাকে আসামিরা শ্বাসরোধে হত্যা করে। নিরাপত্তার স্বার্থে মাদ্রাসায় পড়ুয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী নাম-পরিচয়
প্রকাশ না করে প্রতিবেদককে জানান, হুজুররা বলাৎকার করে শিক্ষার্থীদের। কেউ তাদের কথায় রাজি না হলে তার ওপর জুলুম-নির্যাতন করে। যাদের পরিবাররের কাছে যাওয়ার উপায় নাই, তারা মুখ বুঁজে দিনের পর দিন এসব অত্যাচার সহ্য করে যাচ্ছে। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে শিক্ষার্থীরা আকুতি জানায়, যেন এই অত্যাচারী শিক্ষকদের হাত থেকে তাদের রক্ষা করা হয়।



