ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৩০ ভরি স্বর্ণ লুট: কক্সবাজারে এক রাতেই দুই বাড়িতে সশস্ত্র ডাকাতি, এলাকায় চরম আতঙ্ক
৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা
ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্যামিলি কার্ডের ফাঁদে ফেলে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা ইউপি সদস্যের
আদালতে বিচারকের ছোড়া পেপার ওয়েটে ফাটল আইনজীবীর মাথা
বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ায় ‘শারমিনকে’ হত্যা করে ভারতে পালাচ্ছিলেন প্রেমিক
মোদিবিরোধী তাণ্ডবের পর হেফাজতের উগ্রবাদীদের ধরিয়ে নেওয়া সেই দর্জিকে প্রকাশ্যে গুলি করে, কুপিয়ে হত্যা
দক্ষিণখানে দুই বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
সুযোগ মতো একেক সময় একেক ছাত্রকে নিয়ে টয়লেটে ঢুকতেন মাদ্রাসার মুহতামিম, এবং…
চট্টগ্রামে ৮ বছর বয়সী মাদ্রাসাছাত্রকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে হওয়া মামলায় ওই প্রতিষ্ঠানের মুহতামিমকে (অধ্যক্ষ) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল ৩রা আগস্ট, সোমবার দুপুরে আনোয়ারা উপজেলার কর্ণফুলী টানেল সংলগ্ন চায়না রোডের বৈরাগ এলাকা তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তার মুহাম্মদ রমিজ উদ্দীন (৩১) বাঁশখালী উপজেলার উত্তর সরল এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে এবং স্থানীয় দারুচ্ছুন্নাহ খাইরিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার মুহতামিম।
র্যাব ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি ওই মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের শিক্ষার্থী। মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়ার পর থেকে প্রধান শিক্ষক রমিজ উদ্দীন বিভিন্ন সময় তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মাদ্রাসার টয়লেটে নিয়ে বলাৎকার (ধর্ষণ) করতেন।
সর্বশেষ গত ২৩শে জুলাই বিকেলে মাদ্রাসা ছুটির পর অন্য শিক্ষার্থীরা মাঠে খেলতে গেলে
ওই শিশুকে এতিমখানার হেফজ বিভাগের দ্বিতীয় তলার একটি শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে আবারও ধর্ষণ করা হয়। পাশাপাশি বিষয়টি কাউকে বলতে ভয়ভীতিও দেখানো হয়। পরে বাড়িতে গিয়ে শিশুটি মায়ের কাছে কান্নাকাটি করে মাদ্রাসায় আর না যাওয়ার কথা জানায় এবং সব খুলে বলে। শিশুটির বাবা বাদী হয়ে গত ২৯শে জুলাই বাঁশখালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রমিজ উদ্দীন বিভিন্ন সময় একেক শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসার টয়লেট এবং ফাঁকা শ্রেণিকক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করতেন। মারের ভয়ে কেউ মুখ খুলত না। এ বিষয়ে র্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এ. আর. এম. মোজাফফর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, মামলা হওয়ার পর থেকে
রমিজ উদ্দীন পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আনোয়ারা এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরও বলেন, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে বাঁশখালী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ওই শিশুকে এতিমখানার হেফজ বিভাগের দ্বিতীয় তলার একটি শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে আবারও ধর্ষণ করা হয়। পাশাপাশি বিষয়টি কাউকে বলতে ভয়ভীতিও দেখানো হয়। পরে বাড়িতে গিয়ে শিশুটি মায়ের কাছে কান্নাকাটি করে মাদ্রাসায় আর না যাওয়ার কথা জানায় এবং সব খুলে বলে। শিশুটির বাবা বাদী হয়ে গত ২৯শে জুলাই বাঁশখালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রমিজ উদ্দীন বিভিন্ন সময় একেক শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসার টয়লেট এবং ফাঁকা শ্রেণিকক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করতেন। মারের ভয়ে কেউ মুখ খুলত না। এ বিষয়ে র্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এ. আর. এম. মোজাফফর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, মামলা হওয়ার পর থেকে
রমিজ উদ্দীন পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আনোয়ারা এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরও বলেন, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে বাঁশখালী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।



