ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এপ্রিলের ২৮ দিনে প্রবাসী আয় ২৯১ কোটি ডলার
সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল
এনসিপি নেত্রী মিতুর দুই হলফনামায় ঘাপলা: তিন মাসেই সম্পদ বৃদ্ধি ৫৫%, বেড়েছে সোনাও, উৎস অজানা
বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত
এ বছর ২৪ শতাংশ বাড়তে পারে জ্বালানি দাম
আসন্ন বাজেট নিয়ে (২০২৬-২৭ ) যত চ্যালেঞ্জ ও প্রত্যাশা
২৭ এপ্রিল: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?
মাত্র ৯ মাসে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়াল
দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে সরকারের ধারদেনা নির্ভরতা ক্রমেই বাড়ছে। রাজস্ব আয় প্রত্যাশা অনুযায়ী না হওয়ায় বাজেট ঘাটতি সামাল দিতে ঋণ নেওয়ার চাপ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের পুরো বছরে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে যত ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ছিল, তার প্রায় পুরোটাই শেষ হয়েছে প্রথম ৯ মাসেই।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত (জুলাই–মার্চ) সরকার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৮ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। বাজেটে পুরো বছরের জন্য এ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা।
অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের আগেই ঋণ নেওয়ার পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নেওয়া হয়েছে ৭৮ হাজার ৪৯ কোটি টাকা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৩০
হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা। পরবর্তী সময়ে কিছু ঋণ সমন্বয়ের পর স্থিতি কমে প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকায় নেমেছে। অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে এসে সরকারের নগদ অর্থের চাপ আরও বাড়ে। মার্চের শেষ দিকে বেতন-ভাতা, ভর্তুকি ও সুদ পরিশোধের মতো নিয়মিত ব্যয় মেটাতে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হয়। এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েজ অ্যান্ড মিনস ও ওভারড্রাফট সুবিধার নির্ধারিত সীমা—মোট ২৪ হাজার কোটি টাকা—অতিক্রম করে যায়। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংককে অতিরিক্ত অর্থ জোগাতে ‘টাকা ছাপানোর’ পথেই যেতে হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এভাবে সরবরাহ করা অর্থ রিজার্ভ মানি হিসেবে পরিচিত, যা বাজারে মোট অর্থ সরবরাহকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিতে পারে। যদিও অর্থ মন্ত্রণালয় স্বল্প সময়ের মধ্যেই, প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে,
অতিরিক্ত এ ঋণ পরিশোধ করে দেয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এতে তাৎক্ষণিকভাবে মূল্যস্ফীতিতে বড় ধরনের চাপ পড়েনি বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করছেন, এ ধরনের প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে অর্থ সরবরাহ বাড়লে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা থাকে, যা মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ বাড়লে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ কমে যেতে পারে, ফলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ওপর চাপ তৈরি হয়। সরকারের ঋণনির্ভরতা বাড়ার আরেকটি বড় প্রভাব পড়ছে বাজেট কাঠামোয়। ঋণের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুদ পরিশোধের খরচও বাড়ছে, যা ইতোমধ্যে বাজেটের অন্যতম বড় ব্যয়খাতে পরিণত হয়েছে। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো
ও সামাজিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতার কারণে সরকারের সামনে ঋণ নেওয়া ছাড়া বিকল্প কম। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা ছাপিয়ে ঋণ নিলে মূল্যস্ফীতি বাড়ে এবং বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ নিলে বেসরকারি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তিনি মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙা করা, কর আদায় বাড়ানো এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির দিকে জোর দেওয়া জরুরি।
হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা। পরবর্তী সময়ে কিছু ঋণ সমন্বয়ের পর স্থিতি কমে প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকায় নেমেছে। অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে এসে সরকারের নগদ অর্থের চাপ আরও বাড়ে। মার্চের শেষ দিকে বেতন-ভাতা, ভর্তুকি ও সুদ পরিশোধের মতো নিয়মিত ব্যয় মেটাতে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হয়। এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েজ অ্যান্ড মিনস ও ওভারড্রাফট সুবিধার নির্ধারিত সীমা—মোট ২৪ হাজার কোটি টাকা—অতিক্রম করে যায়। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংককে অতিরিক্ত অর্থ জোগাতে ‘টাকা ছাপানোর’ পথেই যেতে হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এভাবে সরবরাহ করা অর্থ রিজার্ভ মানি হিসেবে পরিচিত, যা বাজারে মোট অর্থ সরবরাহকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিতে পারে। যদিও অর্থ মন্ত্রণালয় স্বল্প সময়ের মধ্যেই, প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে,
অতিরিক্ত এ ঋণ পরিশোধ করে দেয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এতে তাৎক্ষণিকভাবে মূল্যস্ফীতিতে বড় ধরনের চাপ পড়েনি বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করছেন, এ ধরনের প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে অর্থ সরবরাহ বাড়লে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা থাকে, যা মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ বাড়লে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ কমে যেতে পারে, ফলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ওপর চাপ তৈরি হয়। সরকারের ঋণনির্ভরতা বাড়ার আরেকটি বড় প্রভাব পড়ছে বাজেট কাঠামোয়। ঋণের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুদ পরিশোধের খরচও বাড়ছে, যা ইতোমধ্যে বাজেটের অন্যতম বড় ব্যয়খাতে পরিণত হয়েছে। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো
ও সামাজিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতার কারণে সরকারের সামনে ঋণ নেওয়া ছাড়া বিকল্প কম। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা ছাপিয়ে ঋণ নিলে মূল্যস্ফীতি বাড়ে এবং বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ নিলে বেসরকারি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তিনি মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙা করা, কর আদায় বাড়ানো এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির দিকে জোর দেওয়া জরুরি।



