ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ
টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট
সংসদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য সমন্বিত হামলার সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ
ইউএন টর্চার এক্সপার্ট এখনো জুলাই’২০২৪-এ আটকেঃ অ্যালিস এডওয়ার্ডস অ্যাকটিভিস্টদের মতামত প্রকাশে বাধা দিলেন
চকরিয়ায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বন ও নদীখেকোদের মহোৎসব: অসহায় বনবিভাগ
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে উত্তেজনা: টিটিপির সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগে একাধিক কর্মী আটক, অনেকে পালিয়েছে বিদেশে
উগ্রবাদী হামলার শঙ্কা: সতর্কবার্তার বিষয়টি স্বীকার করল সিটিটিসি
বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত
অর্থনীতির বিদ্যমান চাপের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ভোক্তা চাহিদার মন্দা। নিত্যপ্রয়োজনীয় নয়—এমন পণ্যে ব্যয় কমিয়ে দিচ্ছেন ক্রেতারা। ফলে টিস্যু ও টয়লেট্রিজের মতো পণ্যের ব্যবহার কমে গেছে, যা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নগদ প্রবাহকে আরও সংকুচিত করছে।
একাধিক সংকটের সম্মিলিত প্রভাব এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে শিল্প খাতে। এর প্রকট উদাহরণ সিমেন্ট শিল্প।
খাত-সংশ্লিষ্টরা জানান, সিমেন্ট উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল—ক্লিংকার, লাইমস্টোন ও জিপসামের প্রায় পুরোটাই আমদানিনির্ভর। এর বড় অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। তবে চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে গত প্রায় দুই মাস ধরে ওই অঞ্চল থেকে সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জাহাজ ভাড়ার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, যা আমদানি ব্যয়কে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। একই সময়ে জ্বালানিনির্ভর উৎপাদন
ব্যবস্থার কারণে ডিজেল সংকটে বারবার উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে কারখানাগুলোকে। পরিবহন সংকটও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। ডিজেলের অভাবে লাইটার জাহাজের চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় বহির্নোঙরে বড় জাহাজগুলোর অপেক্ষার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে করে কোম্পানিগুলোকে অতিরিক্ত ডেমারেজ গুনতে হচ্ছে। খাতসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, “উৎপাদন ব্যয় প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে, কিন্তু বিক্রি কমেছে ৫০ শতাংশের বেশি।” পরিবহন সংকটের প্রভাব পড়েছে শিল্পের উৎপাদনশীলতায়ও। একটি শীর্ষস্থানীয় সিমেন্ট উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পর্যায়ের এক কর্মকর্তা জানান, নিজস্ব ও ভাড়াকৃত ট্রাক—দুটোর ব্যবহারই প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। তিনি বলেন, “আগে একটি ট্রাক দিনে একটি ট্রিপ সম্পন্ন করতে পারত। এখন একই কাজ করতে দুই দিন লাগছে। অথচ যানবাহন অলস থাকলেও চালকদের মজুরি
বহন করতে হচ্ছে।” রপ্তানিমুখী খাতগুলোও একই ধরনের চাপে রয়েছে। একটি শিল্পগোষ্ঠীর প্রধান জানান, সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। তার ভাষ্য, “ট্রাক ভাড়া দ্বিগুণ হলেও নির্ধারিত সময়ে পণ্য পাঠানো যাচ্ছে না।” এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যবসায়ীরা জ্বালানি সরবরাহে অগ্রাধিকার নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবছেন। ব্যবসায়ীদের মতে, পরিবহন ব্যাহত হওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো বহুমাত্রিক চাপে পড়েছে। দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। খাতসংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে বলেন, এতে শুধু মুনাফাই নয়, অনেক প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা এবং ব্যাংক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। একজন সিমেন্ট উৎপাদক বলেন, “এটি আর শুধু বাড়তি খরচের বিষয় নয়; বর্তমান
বাস্তবতায় এটি টিকে থাকার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।”
ব্যবস্থার কারণে ডিজেল সংকটে বারবার উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে কারখানাগুলোকে। পরিবহন সংকটও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। ডিজেলের অভাবে লাইটার জাহাজের চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় বহির্নোঙরে বড় জাহাজগুলোর অপেক্ষার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে করে কোম্পানিগুলোকে অতিরিক্ত ডেমারেজ গুনতে হচ্ছে। খাতসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, “উৎপাদন ব্যয় প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে, কিন্তু বিক্রি কমেছে ৫০ শতাংশের বেশি।” পরিবহন সংকটের প্রভাব পড়েছে শিল্পের উৎপাদনশীলতায়ও। একটি শীর্ষস্থানীয় সিমেন্ট উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পর্যায়ের এক কর্মকর্তা জানান, নিজস্ব ও ভাড়াকৃত ট্রাক—দুটোর ব্যবহারই প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। তিনি বলেন, “আগে একটি ট্রাক দিনে একটি ট্রিপ সম্পন্ন করতে পারত। এখন একই কাজ করতে দুই দিন লাগছে। অথচ যানবাহন অলস থাকলেও চালকদের মজুরি
বহন করতে হচ্ছে।” রপ্তানিমুখী খাতগুলোও একই ধরনের চাপে রয়েছে। একটি শিল্পগোষ্ঠীর প্রধান জানান, সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। তার ভাষ্য, “ট্রাক ভাড়া দ্বিগুণ হলেও নির্ধারিত সময়ে পণ্য পাঠানো যাচ্ছে না।” এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যবসায়ীরা জ্বালানি সরবরাহে অগ্রাধিকার নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবছেন। ব্যবসায়ীদের মতে, পরিবহন ব্যাহত হওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো বহুমাত্রিক চাপে পড়েছে। দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। খাতসংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে বলেন, এতে শুধু মুনাফাই নয়, অনেক প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা এবং ব্যাংক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। একজন সিমেন্ট উৎপাদক বলেন, “এটি আর শুধু বাড়তি খরচের বিষয় নয়; বর্তমান
বাস্তবতায় এটি টিকে থাকার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।”



