ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ
টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট
সংসদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য সমন্বিত হামলার সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ
বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত
ইউএন টর্চার এক্সপার্ট এখনো জুলাই’২০২৪-এ আটকেঃ অ্যালিস এডওয়ার্ডস অ্যাকটিভিস্টদের মতামত প্রকাশে বাধা দিলেন
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে উত্তেজনা: টিটিপির সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগে একাধিক কর্মী আটক, অনেকে পালিয়েছে বিদেশে
উগ্রবাদী হামলার শঙ্কা: সতর্কবার্তার বিষয়টি স্বীকার করল সিটিটিসি
চকরিয়ায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বন ও নদীখেকোদের মহোৎসব: অসহায় বনবিভাগ
পাহাড় সাবাড়, নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন আর সংরক্ষিত বনভূমি দখল—কক্সবাজারের চকরিয়ায় প্রকৃতি ধ্বংসের এক মহোৎসব চলছে। রাজনৈতিক প্রভাব আর বনবিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর ‘ম্যানেজ’ প্রক্রিয়ায় রাতারাতি উধাও হয়ে যাচ্ছে টিলা ও সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, স্থানীয়দের ভাষায় দখলদারদের দাপটে বনকর্মীরা এখন ‘পা ভাঙা মুরগির মতো অসহায়’।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মাতামুহুরী নদী ও বিভিন্ন ছড়াখাল থেকে ড্রেজার বসিয়ে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন। অন্যদিকে, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের পাঁচটি বিট—মানিকপুর, কাকারা, নলবিলা, ফাঁসিয়াখালী ও ডুলাহাজারা—সবখানেই চলছে দখলদারিত্বের প্রতিযোগিতা।
রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা স্থানীয় বিএনপির প্রভাবশালীরা সংরক্ষিত বনের গাছ কেটে সমতল ও টিলা শ্রেণির জায়গা প্লট আকারে মৌখিকভাবে বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ
লাখ টাকা। ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বাসিন্দাদের অভিযোগ, উচিতার বিল মৌজায় গত দুই মাস ধরে ব্যাপক হারে বনভূমি দখল হলেও সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তা ও ফরেস্ট গার্ডরা দেখেও না দেখার ভান করছেন। কোথাও অর্থের বিনিময়ে সখ্যতা, আবার কোথাও অস্ত্রধারী দখলদারদের ভয়ে বনকর্মীরা চুপচাপ থাকছেন। বনভূমির ওপর রাতারাতি গড়ে উঠছে অবৈধ বসতি, মুরগির ফার্মসহ নানা স্থাপনা। ফাঁসিয়াখালী বনবিট কর্মকর্তা খসরুল আমিন জানান, সম্প্রতি উচিতার বিল ও নয়াপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন একর বনভূমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, “ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পুলিশের সহায়তা নিয়ে আমরা সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছি এবং অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিচ্ছি।” রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান ও বিট কর্মকর্তারা বলছেন, জনবল স্বল্পতার সুযোগ নিচ্ছে
দখলদারেরা। নিয়মিত টহল ও বন আইনে মামলা করা হলেও দখলবাজদের ‘চোখ রাঙানি’ থামছে না। তাদের দাবি, স্থানীয় বিএনপির প্রভাবশালীরা সরাসরি জড়িত থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ছে। এক্ষেত্রে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সদিচ্ছা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা। কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা (ডিএফও) মো. মারুফ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, “বনজ সম্পদ রক্ষায় টহল জোরদার করা হয়েছে। যত বড় প্রভাবশালী বা প্রতাপশালীই হোক না কেন, বনভূমি দখলকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সকল কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে আইন প্রয়োগের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।” এক নজরে বর্তমান সংকট • আক্রান্ত এলাকা: ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের ৫টি বনবিট ও মাতামুহুরী নদী। • অব্যাহত কর্মকাণ্ড: পাহাড় কাটা, বালু উত্তোলন, গাছ উজাড় ও অবৈধ বসতি। • প্রধান
বাধা: রাজনৈতিক প্রভাব, জনবল সংকট ও দখলদারদের সশস্ত্র অবস্থান। প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় এখনই সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে চকরিয়ার এই সংরক্ষিত বনভূমি কেবল মানচিত্রেই টিকে থাকবে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের ৫টি বনবিট ও মাতামুহুরী নদী। • অব্যাহত কর্মকাণ্ড: পাহাড় কাটা, বালু উত্তোলন, গাছ উজাড় ও অবৈধ বসতি। • প্রধান বাধা: রাজনৈতিক প্রভাব, জনবল সংকট ও দখলদারদের সশস্ত্র অবস্থান। প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় এখনই সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে চকরিয়ার এই সংরক্ষিত বনভূমি কেবল মানচিত্রেই টিকে থাকবে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
লাখ টাকা। ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বাসিন্দাদের অভিযোগ, উচিতার বিল মৌজায় গত দুই মাস ধরে ব্যাপক হারে বনভূমি দখল হলেও সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তা ও ফরেস্ট গার্ডরা দেখেও না দেখার ভান করছেন। কোথাও অর্থের বিনিময়ে সখ্যতা, আবার কোথাও অস্ত্রধারী দখলদারদের ভয়ে বনকর্মীরা চুপচাপ থাকছেন। বনভূমির ওপর রাতারাতি গড়ে উঠছে অবৈধ বসতি, মুরগির ফার্মসহ নানা স্থাপনা। ফাঁসিয়াখালী বনবিট কর্মকর্তা খসরুল আমিন জানান, সম্প্রতি উচিতার বিল ও নয়াপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন একর বনভূমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, “ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পুলিশের সহায়তা নিয়ে আমরা সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছি এবং অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিচ্ছি।” রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান ও বিট কর্মকর্তারা বলছেন, জনবল স্বল্পতার সুযোগ নিচ্ছে
দখলদারেরা। নিয়মিত টহল ও বন আইনে মামলা করা হলেও দখলবাজদের ‘চোখ রাঙানি’ থামছে না। তাদের দাবি, স্থানীয় বিএনপির প্রভাবশালীরা সরাসরি জড়িত থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ছে। এক্ষেত্রে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সদিচ্ছা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা। কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা (ডিএফও) মো. মারুফ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, “বনজ সম্পদ রক্ষায় টহল জোরদার করা হয়েছে। যত বড় প্রভাবশালী বা প্রতাপশালীই হোক না কেন, বনভূমি দখলকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সকল কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে আইন প্রয়োগের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।” এক নজরে বর্তমান সংকট • আক্রান্ত এলাকা: ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের ৫টি বনবিট ও মাতামুহুরী নদী। • অব্যাহত কর্মকাণ্ড: পাহাড় কাটা, বালু উত্তোলন, গাছ উজাড় ও অবৈধ বসতি। • প্রধান
বাধা: রাজনৈতিক প্রভাব, জনবল সংকট ও দখলদারদের সশস্ত্র অবস্থান। প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় এখনই সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে চকরিয়ার এই সংরক্ষিত বনভূমি কেবল মানচিত্রেই টিকে থাকবে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের ৫টি বনবিট ও মাতামুহুরী নদী। • অব্যাহত কর্মকাণ্ড: পাহাড় কাটা, বালু উত্তোলন, গাছ উজাড় ও অবৈধ বসতি। • প্রধান বাধা: রাজনৈতিক প্রভাব, জনবল সংকট ও দখলদারদের সশস্ত্র অবস্থান। প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় এখনই সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে চকরিয়ার এই সংরক্ষিত বনভূমি কেবল মানচিত্রেই টিকে থাকবে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।



