ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ১৩ বছর আজ
শেখ হাাসিনা সরকারের এনসিডি সেবা বন্ধ, বিনামূল্যের ওষুধ বঞ্চিত দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী
অর্থনৈতিক চাপে ধুঁকছে বাংলাদেশ: ‘১৪ বোয়িং’ ক্রয়—মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির জগদ্দল পাথর
রাজধানীর ৪০ ভাগ খুনের নেপথ্যেই রাজনীতি
বাস ভাড়া বাড়াল সরকার
বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় থমকে যাচ্ছে গার্মেন্টস খাত, ক্রয়াদেশ চলে যাচ্ছে ভারতে
সেচ সংকটে বিপর্যয়: “কৃষি কার্ড” নিয়ে পাম্পে পাম্পে ঘুরেও ডিজেল পাচ্ছেন না কৃষক, বোরো ধানে চিটা পড়ার আশঙ্কা
প্রকল্প বাতিল, অথচ হদিস নেই ১৫৪ কোটি টাকার!
কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকায় প্রস্তাবিত ১৫ কিলোমিটার উড়ালসড়ক প্রকল্প বাতিল হওয়ার পর প্রকল্প ব্যয়ের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সরকারি নথি অনুযায়ী, প্রকল্পে মোট ১৫৪ কোটি টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে, যার মধ্যে ১৫০ কোটি টাকা ভূমি অধিগ্রহণ খাতে ব্যয় দেখানো হয়। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্পের আওতায় কোনো জমি অধিগ্রহণ করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাস্তবে অর্থ ছাড় না হলে ভূমি অধিগ্রহণ দেখানোর সুযোগ নেই। সে ক্ষেত্রে এই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত যাওয়ার কথা। তবে তা ফেরত দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় পুরো ব্যয়ের হিসাব খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্পের বাস্তব
কাজ শুরুর আগেই এত বড় অঙ্কের ব্যয় দেখানো অস্বাভাবিক। বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অন্যান্য খাতেও বিভিন্ন ব্যয় দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ১ কোটি ৩১ লাখ টাকা, যানবাহন ভাড়া ৮৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা, অফিস ভাড়া ২৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা, পরামর্শক সেবা বাবদ ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং সম্মানি ও পারিশ্রমিক বাবদ ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া সরবরাহ ও সেবায় ২ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক খাতে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং আসবাবপত্র ক্রয়ে ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ের হিসাব দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে একনেক সভায় অনুমোদন পায়, যার ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৬৫১ কোটি টাকা। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল মিঠামইন, ইটনা ও অষ্টগ্রামকে কিশোরগঞ্জ সদর এবং ঢাকার সঙ্গে সারা বছর সড়ক যোগাযোগে যুক্ত করা। তবে পরবর্তী সময়ে প্রকল্পটি বাতিল করা হয়। পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অতিরিক্ত আরও ২ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ের তথ্যও পাওয়া গেছে। এদিকে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সমীক্ষায় অস্বাভাবিকভাবে উচ্চ যানবাহন চলাচলের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা অনুযায়ী, ২০৩০ সালে প্রতিদিন ২৫ হাজার ৮০০টি এবং ২০৪০ সালে ৩৫ হাজার ৫০০টি যানবাহন চলাচলের
পূর্বাভাস দেওয়া হয়, যা দেশের বড় অবকাঠামো, যেমন- যমুনা সেতু ও পদ্মা সেতুর যানবাহন চলাচলের পরিমাণকেও ছাড়িয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রকল্পের ব্যয়, ভূমি অধিগ্রহণের হিসাব এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখছে সরকার। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
কাজ শুরুর আগেই এত বড় অঙ্কের ব্যয় দেখানো অস্বাভাবিক। বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অন্যান্য খাতেও বিভিন্ন ব্যয় দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ১ কোটি ৩১ লাখ টাকা, যানবাহন ভাড়া ৮৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা, অফিস ভাড়া ২৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা, পরামর্শক সেবা বাবদ ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং সম্মানি ও পারিশ্রমিক বাবদ ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া সরবরাহ ও সেবায় ২ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক খাতে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং আসবাবপত্র ক্রয়ে ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ের হিসাব দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে একনেক সভায় অনুমোদন পায়, যার ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৬৫১ কোটি টাকা। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল মিঠামইন, ইটনা ও অষ্টগ্রামকে কিশোরগঞ্জ সদর এবং ঢাকার সঙ্গে সারা বছর সড়ক যোগাযোগে যুক্ত করা। তবে পরবর্তী সময়ে প্রকল্পটি বাতিল করা হয়। পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অতিরিক্ত আরও ২ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ের তথ্যও পাওয়া গেছে। এদিকে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সমীক্ষায় অস্বাভাবিকভাবে উচ্চ যানবাহন চলাচলের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা অনুযায়ী, ২০৩০ সালে প্রতিদিন ২৫ হাজার ৮০০টি এবং ২০৪০ সালে ৩৫ হাজার ৫০০টি যানবাহন চলাচলের
পূর্বাভাস দেওয়া হয়, যা দেশের বড় অবকাঠামো, যেমন- যমুনা সেতু ও পদ্মা সেতুর যানবাহন চলাচলের পরিমাণকেও ছাড়িয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রকল্পের ব্যয়, ভূমি অধিগ্রহণের হিসাব এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখছে সরকার। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।



