ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৮
“কসম কেটে বলছি, খুব নার্ভাস হয়ে গেছি, দুর্বল হয়ে পড়েছি”, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও সাত শিশুর, মোট মৃত্যু ৬২০
শিশু মৃত্যুর ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে ইউনূস-নুরজাহানের বিচারের দাবিতে জনবিক্ষোভ
ঢাকা দক্ষিণের ৬০ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা
ঢাকা দক্ষিণের ২৭টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি
দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি আটজন এই রোগের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত শিশুদের মধ্যে ছয়জনই ঢাকা বিভাগের। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে দুইজন এবং রাজশাহী বিভাগে একজন শিশু প্রাণ হারিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১ হাজার ১০৫ জন শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৮৫ জনই ঢাকা বিভাগের। এই সময়ে উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৯৮ জন শিশু। এর
মধ্যে ২৯০ জনই ঢাকার বাসিন্দা। সরকারি হিসাবমতে, বর্তমানে নিশ্চিত হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৭৬ জন, যার বড় অংশই (১৫৭ জন) ঢাকা বিভাগের। তবে আশার কথা হলো, একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৯৩৫টি শিশু। এর মধ্যে চট্টগ্রামের ২৫৮ জন, ঢাকার ৭৯ জন এবং রাজশাহীর ৮৯ জন শিশু রয়েছে। এছাড়া খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর, সিলেট ও বরিশাল বিভাগেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এর আগে গত রোববার সকাল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে সাতজন শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ৩১ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ১৬৪
জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চলতি প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত মোট ১৮ হাজার ১২৯ জন শিশুর মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা দিয়েছে, যাদের মধ্যে ১১ হাজার ৬৫২ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৯৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ হাজার ৩০৪ জন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির গুরুত্ব এখন আগের চেয়েও বেশি। বিশেষ করে ঢাকা বিভাগে সংক্রমণের হার বেশি হওয়ায় অভিভাবকদের বাড়তি সচেতনতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।
মধ্যে ২৯০ জনই ঢাকার বাসিন্দা। সরকারি হিসাবমতে, বর্তমানে নিশ্চিত হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৭৬ জন, যার বড় অংশই (১৫৭ জন) ঢাকা বিভাগের। তবে আশার কথা হলো, একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৯৩৫টি শিশু। এর মধ্যে চট্টগ্রামের ২৫৮ জন, ঢাকার ৭৯ জন এবং রাজশাহীর ৮৯ জন শিশু রয়েছে। এছাড়া খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর, সিলেট ও বরিশাল বিভাগেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এর আগে গত রোববার সকাল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে সাতজন শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ৩১ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ১৬৪
জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চলতি প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত মোট ১৮ হাজার ১২৯ জন শিশুর মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা দিয়েছে, যাদের মধ্যে ১১ হাজার ৬৫২ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৯৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ হাজার ৩০৪ জন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির গুরুত্ব এখন আগের চেয়েও বেশি। বিশেষ করে ঢাকা বিভাগে সংক্রমণের হার বেশি হওয়ায় অভিভাবকদের বাড়তি সচেতনতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।



