ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মা-ভাইসহ আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর প্রিয়া গ্রেফতার
২৩ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ, পাম্প মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা
শরীয়তপুরে ককটেল ফাটিয়ে ৫০ ঘর ভাংচুর, আটক ১০
লক্ষ্মীপুরে জমি নিয়ে বিরোধে স্বজনদের হামলায় প্রাণ গেল একজনের
তেল না পেয়ে পেট্রোল পাম্প কর্মচারীকে মারধর, যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
রাজধানীতে বখাটেদের ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্র খুন
শামা ওবায়েদের নামে চলছে তদ্বির বাণিজ্য
ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুবদল-ছাত্রদল সংঘর্ষ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মহাসড়কের ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, শিমরাইল মোড়ে মহাসড়কের দুপাশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা প্রায় ৫০০টি দোকান উচ্ছেদে যৌথ অভিযান শুরু করে জেলা প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং হাইওয়ে পুলিশ। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার শমিত রাজার নেতৃত্বে এই অভিযান চলাকালীন জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মনিরুল ইসলামের ছেলে যুবদল নেতা রিয়াজুল ইসলাম রিনাজের অনুসারীদের সাথে ছাত্রদল ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের একটি পক্ষের সংঘর্ষ বাধে। এতে যুবদলের তামিম নামের এক কর্মী গুরুতর আহত হন। পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। স্থানীয় সূত্র ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাদের মতে, গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে এসব ফুটপাত থেকে নির্দিষ্ট একটি পক্ষ চাঁদা আদায় করে আসছিল। উচ্ছেদ অভিযানের পর খালি জায়গার নিয়ন্ত্রণ নিতে এবং পুনরায় দোকান বসিয়ে চাঁদা আদায়ের সুযোগ পেতে একাধিক গ্রুপ সক্রিয় হয়ে ওঠে। মূলত ফুটপাতের চাঁদাবাজির আধিপত্য বিস্তার ঘিরেই এই সংঘাতের সূত্রপাত। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিপন সরকার বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে এসব ফুটপাত থেকে একপক্ষ ভাড়া ও চাঁদা আদায় করে আসছিল। উচ্ছেদের পর আরেকপক্ষ খালি জায়গা দখল করে ফের দোকানপাট বসিয়ে চাঁদা আদায় করার মিশনে নামেন। একসঙ্গে আরও দুটি গ্রুপ ফুটপাতের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এ নিয়েই মূলত এই
ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মারামারিতে লিপ্ত হওয়ায় দু'গ্রুপের নেতারা কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন। উচ্ছেদ অভিযানের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার শমিত রাজা বলেন, সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে গড়ে তোলা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কেউ এই জায়গায় স্থাপনা গড়ে তুললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযানে নারায়ণগঞ্জ সড়র ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আহসান উল্লাহ মজুমদার, সহকারী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন, হাইওয়ে পুলিশের গাজিপুর জিয়নের পুলিশ সুপার সিমা রানী সরকার, শিমরাইল ক্যাম্পের ইনচার্জ টিআই জুলহাস উদ্দিন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত মিজানুর রহমানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। স্থানীয় সূত্র ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাদের মতে, গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে এসব ফুটপাত থেকে নির্দিষ্ট একটি পক্ষ চাঁদা আদায় করে আসছিল। উচ্ছেদ অভিযানের পর খালি জায়গার নিয়ন্ত্রণ নিতে এবং পুনরায় দোকান বসিয়ে চাঁদা আদায়ের সুযোগ পেতে একাধিক গ্রুপ সক্রিয় হয়ে ওঠে। মূলত ফুটপাতের চাঁদাবাজির আধিপত্য বিস্তার ঘিরেই এই সংঘাতের সূত্রপাত। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিপন সরকার বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে এসব ফুটপাত থেকে একপক্ষ ভাড়া ও চাঁদা আদায় করে আসছিল। উচ্ছেদের পর আরেকপক্ষ খালি জায়গা দখল করে ফের দোকানপাট বসিয়ে চাঁদা আদায় করার মিশনে নামেন। একসঙ্গে আরও দুটি গ্রুপ ফুটপাতের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এ নিয়েই মূলত এই
ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মারামারিতে লিপ্ত হওয়ায় দু'গ্রুপের নেতারা কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন। উচ্ছেদ অভিযানের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার শমিত রাজা বলেন, সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে গড়ে তোলা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কেউ এই জায়গায় স্থাপনা গড়ে তুললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযানে নারায়ণগঞ্জ সড়র ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আহসান উল্লাহ মজুমদার, সহকারী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন, হাইওয়ে পুলিশের গাজিপুর জিয়নের পুলিশ সুপার সিমা রানী সরকার, শিমরাইল ক্যাম্পের ইনচার্জ টিআই জুলহাস উদ্দিন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত মিজানুর রহমানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।



