ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুদ্ধের সময় ‘লুকিয়ে’ আমিরাত যান ইসরাইলের দুই গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান
চীন দেখে যারপরনাই মুগ্ধ ট্রাম্প
চীন ছাড়লেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের তেল কিনতে পারে চীন, দাবি হোয়াইট হাউসের
গর্ভপাতের ওষুধ ডাকযোগে সরবরাহ আপাতত চালু থাকবে যুক্তরাষ্ট্রে
ফাতাহ-৪ ক্রুজ মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালাল পাকিস্তান
পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর দুই শীর্ষ নেতা ঢাকায়
আবারও বাংলাদেশি জেলেদের ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদের মোহনা এলাকায় ফের জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মায়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সদস্যরা তিনটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১৩ জন জেলেকে আটক করে নিয়ে গেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে সাগরে মাছ ধরা শেষে টেকনাফে ফেরার পথে শাহপরীর দ্বীপের নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটক হওয়া ট্রলারগুলোর মালিক মো. কালু ওরফে মালা হালু, মো. মুস্তাফিজ এবং মীর কাশিম। এরা তিনজনই শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দা।
ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন—মোস্তাফিজুর রহমান (৪০), ফরিদ হোসেন (৩০), রবিউল হাসান (১৭), কালাম (৩০), হোসেন আহমদ (৩৮), মীর কাশেম আলী (৪০), গিয়াস উদ্দিন, সালাউদ্দিন (১৮), মহিউদ্দিন (২২), মলা কালু মিয়া (৫৫),
আবু তাহের (৪০), আবদুল খালেক এবং জাবের মিয়া (২৪)। এরা সবাই টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ এলাকার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম জানিয়েছেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। কিভাবে ঘটনাটি ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে জেলেদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দা এনায়েত উল্লাহ বলেন, সাম্প্রতিক এ ঘটনায় জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক পরিবার তাদের স্বজনদের নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে। তথ্যটি নিশ্চিত করে শাহপরীর দ্বীপের ইউপি সদস্য আবদুস সালাম জানান, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে জেলে পল্লীতে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। স্থানীয় জেলেদের দাবি, গত দুই বছরে
আরাকান আর্মি বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৫০০ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। তাদের মধ্যে প্রায় ৩০০ জনকে পরে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। সবশেষ গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ৭৩ জন জেলে মুক্তি পান। তবে এখনো প্রায় ২০০ জন জেলে তাদের হেফাজতে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।#
আবু তাহের (৪০), আবদুল খালেক এবং জাবের মিয়া (২৪)। এরা সবাই টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ এলাকার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম জানিয়েছেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। কিভাবে ঘটনাটি ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে জেলেদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দা এনায়েত উল্লাহ বলেন, সাম্প্রতিক এ ঘটনায় জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক পরিবার তাদের স্বজনদের নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে। তথ্যটি নিশ্চিত করে শাহপরীর দ্বীপের ইউপি সদস্য আবদুস সালাম জানান, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে জেলে পল্লীতে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। স্থানীয় জেলেদের দাবি, গত দুই বছরে
আরাকান আর্মি বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৫০০ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। তাদের মধ্যে প্রায় ৩০০ জনকে পরে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। সবশেষ গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ৭৩ জন জেলে মুক্তি পান। তবে এখনো প্রায় ২০০ জন জেলে তাদের হেফাজতে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।#



