ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দল থেকে বহিষ্কার নিয়ে মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা
১৭ বছর লড়াইয়ের পরও কেন বহিষ্কার, মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা
আ.লীগ ছাড়া সংসদ, যা বললেন রুমিন ফারহানা
ফেনী-৩ আসনের সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আটক করেছে ডিবি
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পিতার জানাজায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
রুমিন ফারহানা: আমার এলাকায় ওয়াজ যেমন হবে, কীর্তন-বাউল গানও হবে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, তার এলাকায় ধর্মীয় ওয়াজ-মাহফিলের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উৎসব, যেমন- কীর্তন ও বাউল গানের অনুষ্ঠানও সমানভাবে পালিত হবে।
গতরাতে আশুগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে আধ্যাত্মিক সাধক আব্দুল কাদির শাহ (রহ.)-এর ৫৮তম স্মরণোৎসব ও বার্ষিক ওরস উদ্বোধনকালে এমন মন্তব্য করেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
বক্তব্যের শুরুতেই তিনি সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হামলার তীব্র সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, ‘গত ১৮ মাস ইউনূস সরকারের সময়ে আমরা দেখেছি, কীভাবে একটার পর একটা মাজার ভাঙা হয়েছে, বাউল গানের আসরে বাধা দেওয়া হয়েছে। বাউল গান
যারা করে, তাদের হেনস্তা করে জেলে দেওয়া হয়েছে আমরা এগুলো দেখেছি। আমি জানি না, আর কোনো রাজনীতিবিদ প্রতিবাদ করেছে কি না। তবে, আমি সংখ্যা ধরে ধরে প্রতিটা মাজার ভাঙার প্রতিবাদ করেছি।’ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় নিজের অনড় অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ঈদুল ফিতরের একদিন পর সিলেটে এরকম বাউল গানের আসরে ভাঙচুর করা হয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমি যতদিন এই এলাকার দায়িত্বে থাকব, আমার এলাকায় ওয়াজ যেমন হবে, কীর্তন যেমন হবে, বাউল গানও হবে।’ নতুন প্রজন্মের কাছে দেশীয় সংস্কৃতি পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে এই সংসদ সদস্য জানান, ‘বাংলাদেশের সৃষ্টি ও সংস্কৃতি লালন-পালন করে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদের। আমাদের
কৃষ্টি-সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মকে জানানোর দায়িত্বও আমাদের। যারা বাউল গান ও মাজারের সাথে যুক্ত তারা কিন্তু আমাদের সংস্কৃতির একটি অংশ।’ রুমিন বলেন, ‘স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষণাপত্রে ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের কথা। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর যখন এর হিসাব মিলাতে যাই তখন এসবের কিছুই পাই না।’ ২৪-এর আন্দোলনে নিজে মাঠে থেকে লড়েছেন উল্লেখ করে তার সাথে মুক্তিযুদ্ধকে মেলানোর অপচেষ্টার প্রতিবাদ করে রুমিন বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমার বাবা ভাষা সৈনিক অলি আহাদ। ওই পরিবারের সন্তান হিসেবে বলতে চাই, কোনো কিছুর সঙ্গেই স্বাধীনতা সংগ্রামকে মেলানো যাবে না।
যারা করে, তাদের হেনস্তা করে জেলে দেওয়া হয়েছে আমরা এগুলো দেখেছি। আমি জানি না, আর কোনো রাজনীতিবিদ প্রতিবাদ করেছে কি না। তবে, আমি সংখ্যা ধরে ধরে প্রতিটা মাজার ভাঙার প্রতিবাদ করেছি।’ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় নিজের অনড় অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ঈদুল ফিতরের একদিন পর সিলেটে এরকম বাউল গানের আসরে ভাঙচুর করা হয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমি যতদিন এই এলাকার দায়িত্বে থাকব, আমার এলাকায় ওয়াজ যেমন হবে, কীর্তন যেমন হবে, বাউল গানও হবে।’ নতুন প্রজন্মের কাছে দেশীয় সংস্কৃতি পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে এই সংসদ সদস্য জানান, ‘বাংলাদেশের সৃষ্টি ও সংস্কৃতি লালন-পালন করে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদের। আমাদের
কৃষ্টি-সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মকে জানানোর দায়িত্বও আমাদের। যারা বাউল গান ও মাজারের সাথে যুক্ত তারা কিন্তু আমাদের সংস্কৃতির একটি অংশ।’ রুমিন বলেন, ‘স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষণাপত্রে ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের কথা। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর যখন এর হিসাব মিলাতে যাই তখন এসবের কিছুই পাই না।’ ২৪-এর আন্দোলনে নিজে মাঠে থেকে লড়েছেন উল্লেখ করে তার সাথে মুক্তিযুদ্ধকে মেলানোর অপচেষ্টার প্রতিবাদ করে রুমিন বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমার বাবা ভাষা সৈনিক অলি আহাদ। ওই পরিবারের সন্তান হিসেবে বলতে চাই, কোনো কিছুর সঙ্গেই স্বাধীনতা সংগ্রামকে মেলানো যাবে না।



