ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুবদল নেতার ওপর হামলা, ছাত্রদলের ৩ নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
চাকরির সুপারিশ করা কিশোরীর সাথে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধৃত জামায়াত এমপি গাজী নজরুল, ৫০১-কান্ডের মতো “দ্বিতীয় স্ত্রী” দাবি জেলা জামায়াতের
‘তারেক রহমানের ডাকেই সাড়া দিয়েছিলেন আবু সাঈদ’: ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের দাবি
‘ছাত্রদলের নামে ভুয়া ফটোকার্ড বানাচ্ছে, শিবির: বেরোবির সমাবেশে রাকিব
তাবিজ দেওয়ার নাম করে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াত আমিরকে জুতাপেটার পর পুলিশে সোপর্দ
ল্যাব টেস্টে এক প্লেট ফুচকায় মিলেছে ৭ কোটিরও বেশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া: ভোক্তা অধিকার
আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলনে সেনাবাহিনী কীভাবে সম্পৃক্ত ছিল, জানালেন রাশেদ খান
চবি শাটল ট্রেনে রাজবন্দিদের মুক্তি চেয়ে ছাত্রলীগের পোস্টার দেখে উত্তপ্ত ক্যাম্পাস
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনে নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পোস্টার লাগানোর ঘটনায় ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
পোস্টারে লেখা ছিল ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সকল রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তি চাই’।
সূত্রগুলো জানায়, রোববার রাতে চট্টগ্রামের বটতলী স্টেশনে থাকা শাটল ট্রেনে এসব পোস্টার সাঁটানো হয়। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। এর প্রৃতিবাদে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ক্যাম্পাসে মিছিল করেছে।
পোস্টারে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের রাজবন্দি হিসেবে উল্লেখ করে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। চবি ছাত্রলীগের নামে এই পোস্টারিংয়ের পর ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানেও অনুরূপ পোস্টার দেখা গেছে বলে জানা যায়।
ছাত্রদলের নেতারা এ ঘটনাকে নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রকাশ্য তৎপরতা বলে অভিহিত করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা
বলেন, অন্তর্বর্তী ও বর্তমান বিএনপি সরকারের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ছাত্রলীগের এমন কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করছে। অন্যদিকে ছাত্রলীগের সমর্থকরা এটিকে রাজনৈতিক অধিকারের দাবি হিসেবে উপস্থাপন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি, তবে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর তৎপরতা বৃদ্ধির অভিযোগ ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উঠেছে।
বলেন, অন্তর্বর্তী ও বর্তমান বিএনপি সরকারের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ছাত্রলীগের এমন কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করছে। অন্যদিকে ছাত্রলীগের সমর্থকরা এটিকে রাজনৈতিক অধিকারের দাবি হিসেবে উপস্থাপন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি, তবে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর তৎপরতা বৃদ্ধির অভিযোগ ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উঠেছে।



