ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মায়ানমার সীমান্তে নতুন অস্বস্তি: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত, আরাকান নেতার বিতর্কিত মানচিত্র ঘিরে উদ্বেগ
নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন সাতক্ষীরার লাখো জেলে, পরিবার নিয়ে দুর্ভোগে
চট্টগ্রামে বেপরোয়া শিবির-সাজ্জাদের বাহিনী: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫০ লাখ টাকা না দিলে শরীর ঝাঁজরা করে দেওয়ার হুমকি
প্রতিকূলতার মাঝেও সাধারণ মানুষের পাশে চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ: কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা
গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আটক ২
বাঁশখালীতে কৃষকের ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা
থমকে গেছে এমআরটির উন্নয়নমূলক কাজ, বারিধারা-নতুনবাজার এলাবাসীর ভোগান্তি চরমে
আলুটিলা পাহাড় ইসলামীকরণ: পর্যটন স্থানে জমি দখলের করে ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ; জেলা প্রশাসকের সায়
খাগড়াছড়ির দর্শনীয় আলুটিলা পাহাড়ে মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সের নামে মসজিদ নির্মাণের কাজ চলছে। এ নিয়ে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে এটিকে পর্যটন এলাকায় অপ্রয়োজনীয় ধর্মীয় আগ্রাসন বলে অভিহিত করছেন।
গত ১০ মে রবিবার খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেছেন, আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রে যা নির্মাণ করা হচ্ছে তা একটি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্স। তিনি সরাসরি মসজিদ নির্মাণের কথা স্বীকার না করে বলেন, এই কমপ্লেক্সে নামাজের স্থানও থাকবে। তবে এই বক্তব্য পর্যটন স্থানে মসজিদ নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটন জেলা পরিষদের এখতিয়ারভুক্ত বিষয় হলেও জেলা প্রশাসন জেলা পরিষদকে পাশ কাটিয়ে ভূমি অধিগ্রহণ করে প্রকল্প বাস্তবায়ন
করছে। যে জমিতে এই কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে, সেটি ছিল সাবেক সংসদ সদস্য যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরার ছেলে অপু ত্রিপুরার। সেখানে তার আমবাগান ছিল বলে জানা যায়। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি’র জায়গায় মসজিদ নির্মান করে জায়গা দখলের চেষ্টা করছে একদল অসাধু গোষ্ঠি। পর্যটন বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়দের মতে, পর্যটন কেন্দ্র কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়। মানুষ সেখানে বিনোদন, প্রকৃতি উপভোগ ও শিক্ষার জন্য যায়, ধর্মচর্চার জন্য নয়। অথচ সারাদেশে সরকারি অর্থায়নে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে এবং প্রতিটি গ্রাম-মহল্লায় একাধিক মসজিদ রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে পর্যটন স্থানগুলোতে মসজিদ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন।
স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অভিযোগ, আলুটিলাসহ বিভিন্ন পর্যটন স্থানে এ ধরনের নির্মাণ স্থানীয় সংস্কৃতি, ধর্মীয় বিশ্বাস, আচার-ঐতিহ্য ও প্রথাকে উপেক্ষা করে চলছে। এটিকে তারা সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় আগ্রাসন হিসেবে দেখছেন। সম্প্রতি আলুটিলা থেকে পাহাড়ি (ত্রিপুরা) দোকানদারদের উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, যা পরে স্থগিত করা হয়। অথচ একই স্থানে অস্থানীয় বাঙালিদের দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পার্বত্য অঞ্চলে পর্যটন ব্যবস্থাপনায় স্থানীয়দের নিয়ন্ত্রণ ও অংশগ্রহণ খুবই কম। ফলে পর্যটনের সুফল স্থানীয় জনগণের কাছে পৌঁছাচ্ছে না, বরং তাদের উচ্ছেদ ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের অভিযোগ বাড়ছে। বান্দরবানসহ অন্যান্য এলাকায়ও এমন প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। স্থানীয় সেনসিটিভিটি উপেক্ষা করে পর্যটন বিকাশ করলে তা দীর্ঘমেয়াদে স্থানীয়দের
মধ্যে ক্ষোভ ও প্রতিরোধ সৃষ্টি করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে দিয়েছেন। আলুটিলা পাহাড়ে মসজিদসহ মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্স নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
করছে। যে জমিতে এই কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে, সেটি ছিল সাবেক সংসদ সদস্য যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরার ছেলে অপু ত্রিপুরার। সেখানে তার আমবাগান ছিল বলে জানা যায়। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি’র জায়গায় মসজিদ নির্মান করে জায়গা দখলের চেষ্টা করছে একদল অসাধু গোষ্ঠি। পর্যটন বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়দের মতে, পর্যটন কেন্দ্র কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়। মানুষ সেখানে বিনোদন, প্রকৃতি উপভোগ ও শিক্ষার জন্য যায়, ধর্মচর্চার জন্য নয়। অথচ সারাদেশে সরকারি অর্থায়নে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে এবং প্রতিটি গ্রাম-মহল্লায় একাধিক মসজিদ রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে পর্যটন স্থানগুলোতে মসজিদ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন।
স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অভিযোগ, আলুটিলাসহ বিভিন্ন পর্যটন স্থানে এ ধরনের নির্মাণ স্থানীয় সংস্কৃতি, ধর্মীয় বিশ্বাস, আচার-ঐতিহ্য ও প্রথাকে উপেক্ষা করে চলছে। এটিকে তারা সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় আগ্রাসন হিসেবে দেখছেন। সম্প্রতি আলুটিলা থেকে পাহাড়ি (ত্রিপুরা) দোকানদারদের উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, যা পরে স্থগিত করা হয়। অথচ একই স্থানে অস্থানীয় বাঙালিদের দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পার্বত্য অঞ্চলে পর্যটন ব্যবস্থাপনায় স্থানীয়দের নিয়ন্ত্রণ ও অংশগ্রহণ খুবই কম। ফলে পর্যটনের সুফল স্থানীয় জনগণের কাছে পৌঁছাচ্ছে না, বরং তাদের উচ্ছেদ ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের অভিযোগ বাড়ছে। বান্দরবানসহ অন্যান্য এলাকায়ও এমন প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। স্থানীয় সেনসিটিভিটি উপেক্ষা করে পর্যটন বিকাশ করলে তা দীর্ঘমেয়াদে স্থানীয়দের
মধ্যে ক্ষোভ ও প্রতিরোধ সৃষ্টি করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে দিয়েছেন। আলুটিলা পাহাড়ে মসজিদসহ মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্স নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।



