ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুদ্ধের সময় ‘লুকিয়ে’ আমিরাত যান ইসরাইলের দুই গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান
চীন দেখে যারপরনাই মুগ্ধ ট্রাম্প
চীন ছাড়লেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের তেল কিনতে পারে চীন, দাবি হোয়াইট হাউসের
গর্ভপাতের ওষুধ ডাকযোগে সরবরাহ আপাতত চালু থাকবে যুক্তরাষ্ট্রে
ফাতাহ-৪ ক্রুজ মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালাল পাকিস্তান
পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর দুই শীর্ষ নেতা ঢাকায়
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হরমোজ প্রণালীতে তেল পাচারের অভিযোগ
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এক চাঞ্চল্যকর বিশ্বাসভাতকতার অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন দাবি অনুযায়ী, পাকিস্তান ইরানের অগোচরে হরমোজ প্রণালী ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল পাচার করছে এবং সেই তেল ইরানের শত্রু দেশগুলোর হাতে তুলে দিচ্ছে।
সম্প্রতি ‘হোসেন নেজাত’ নামে জনৈক ব্যক্তির একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টকে কেন্দ্র করে এই বিতর্কের সূত্রপাত। সেখানে দাবি করা হয়, পাকিস্তান নিজেদের নাম ব্যবহার করে হরমোজ প্রণালী দিয়ে ইরানের তেল পরিবহন করছে। এই তেল পরবর্তীতে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রতিপক্ষ দেশগুলোর কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। পোস্টে অভিযোগ করা হয়েছে যে, একটি মুসলিম দেশ হিসেবে পাকিস্তানের ওপর ইরান আস্থা রাখলেও পাকিস্তান সেই আস্থার অপব্যবহার করেছে।
বর্তমানে
হরমোজ প্রণালীতে ইরানের কড়া নজরদারি ও আংশিক অবরোধ চলছে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের নৌবাহিনীর জাহাজের উপস্থিতি এবং তেল পরিবহনের এই দাবি আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। যদিও পাকিস্তান সরকার বা প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। অনেক বিশ্লেষক এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন গুজব’ বা ‘তথ্য যুদ্ধ’ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, পাকিস্তান বর্তমানে ইরান ও পশ্চিমাদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করছে। এমন অবস্থায় এ ধরনের গোপন কর্মকাণ্ড পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থানের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তবে এই পাচারকাণ্ডের কোনো অকাট্য প্রমাণ বা স্যাটেলাইট চিত্র এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে আসেনি। বিষয়টি নিয়ে তেহরান বা ইসলামাবাদের পক্ষ
থেকে কোনো কড়া প্রতিক্রিয়া আসে কি না, সেদিকেই এখন নজর বিশ্ববাসীর।
হরমোজ প্রণালীতে ইরানের কড়া নজরদারি ও আংশিক অবরোধ চলছে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের নৌবাহিনীর জাহাজের উপস্থিতি এবং তেল পরিবহনের এই দাবি আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। যদিও পাকিস্তান সরকার বা প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। অনেক বিশ্লেষক এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন গুজব’ বা ‘তথ্য যুদ্ধ’ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, পাকিস্তান বর্তমানে ইরান ও পশ্চিমাদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করছে। এমন অবস্থায় এ ধরনের গোপন কর্মকাণ্ড পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থানের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তবে এই পাচারকাণ্ডের কোনো অকাট্য প্রমাণ বা স্যাটেলাইট চিত্র এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে আসেনি। বিষয়টি নিয়ে তেহরান বা ইসলামাবাদের পক্ষ
থেকে কোনো কড়া প্রতিক্রিয়া আসে কি না, সেদিকেই এখন নজর বিশ্ববাসীর।



