ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইসরায়েলের পরমাণু স্থাপনায় হামলার দাবি ইরানের
খার্গ দ্বীপ নিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোকে কঠোর হুঁশিয়ারি তেহরানের
যেসব শর্তে যুদ্ধ বন্ধে রাজি ইরান
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই মুহূর্তে কোনো আলোচনা হচ্ছে না: ইরান
আলোচনার আবহে মধ্যপ্রাচ্যে সেনা সমাবেশ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরান যুদ্ধে ২৯০ মার্কিন সেনা আহতের কথা জানাল সেন্টকম
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
এবার তেল নিয়ে নাগরিকদের জরুরি বার্তা দিল ভারত
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব পড়েছে দক্ষিণ এশিয়াতেও। জ্বালানি তেল নিয়ে বিভিন্ন দেশেই হাহাকার শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তেল নিয়ে নাগরিকদের জরুরি বার্তা দিয়েছে ভারত।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত সরকার নাগরিকদের জ্বালানি মজুত নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে ‘প্যানিক-বাইং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সরকার জানিয়েছে, ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক সরবরাহে চাপ তৈরি হলেও দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে সীমাবদ্ধতা আরোপের ফলে তেলের দাম বেড়ে গেছে।
ভারতের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা সুজাতা শর্মা বলেন, গুজবে বিশ্বাস করবেন না। অপ্রয়োজনীয়ভাবে জ্বালানি কিনে মজুত করবেন না।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের পক্ষ
থেকে এমন দাবি করা হলেও বাস্তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। অনেক নাগরিক তেল পাম্পে ভিড় করছেন এবং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করছেন। এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী আশীষ সিং জানান, তাকে প্রায় এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে জ্বালানি নিতে হয়েছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেও হরমুজ প্রণালি নিয়ে স্বস্তির খবর এসেছে বাংলাদেশের জন্য। ইরান জানিয়েছে, বাংলাদেশসহ কয়েকটি বন্ধুপ্রতিম দেশের জাহাজকে নিরাপদে চলাচলের সুযোগ দেয়া হবে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে। খবর এনডিটিভির। মূলত হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। তবে পুরো প্রণালি বন্ধ না করে বাছাই করা কিছু
দেশকে চলাচলের সুযোগ দিচ্ছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, পশ্চিমা গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। অনেক জাহাজ মালিক বা দেশ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে যাতে তারা নিরাপদে প্রণালি পার হতে পারে। যেসব দেশকে আমরা বন্ধু মনে করি বা বিশেষ কারণে অনুমতি দিই, তাদের জন্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনী নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করছে। তিনি আরও বলেন, সংবাদে দেখেছেন চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারত। কয়েক দিন আগে ভারতের দুটি জাহাজ পার হয়েছে। আরও কিছু দেশ, এমনকি বাংলাদেশও যারা আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করেছে। ভবিষ্যতেও, যুদ্ধের পরেও এটি অব্যাহত থাকবে। তবে আরাগচি জানিয়েছেন, যেসব দেশকে ইরান প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখে
বা চলমান সংঘাতে জড়িত বলে মনে করে তাদের জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে যেতে পারবে না। তিনি বলেন, আমরা এখন যুদ্ধের মধ্যে আছি। পুরো অঞ্চলই যুদ্ধক্ষেত্র। আমাদের শত্রু ও তাদের মিত্রদের জাহাজ চলাচলের কোনও কারণ নেই। তবে অন্যদের জন্য এটি খোলা থাকবে।
থেকে এমন দাবি করা হলেও বাস্তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। অনেক নাগরিক তেল পাম্পে ভিড় করছেন এবং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করছেন। এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী আশীষ সিং জানান, তাকে প্রায় এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে জ্বালানি নিতে হয়েছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেও হরমুজ প্রণালি নিয়ে স্বস্তির খবর এসেছে বাংলাদেশের জন্য। ইরান জানিয়েছে, বাংলাদেশসহ কয়েকটি বন্ধুপ্রতিম দেশের জাহাজকে নিরাপদে চলাচলের সুযোগ দেয়া হবে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে। খবর এনডিটিভির। মূলত হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। তবে পুরো প্রণালি বন্ধ না করে বাছাই করা কিছু
দেশকে চলাচলের সুযোগ দিচ্ছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, পশ্চিমা গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। অনেক জাহাজ মালিক বা দেশ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে যাতে তারা নিরাপদে প্রণালি পার হতে পারে। যেসব দেশকে আমরা বন্ধু মনে করি বা বিশেষ কারণে অনুমতি দিই, তাদের জন্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনী নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করছে। তিনি আরও বলেন, সংবাদে দেখেছেন চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারত। কয়েক দিন আগে ভারতের দুটি জাহাজ পার হয়েছে। আরও কিছু দেশ, এমনকি বাংলাদেশও যারা আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করেছে। ভবিষ্যতেও, যুদ্ধের পরেও এটি অব্যাহত থাকবে। তবে আরাগচি জানিয়েছেন, যেসব দেশকে ইরান প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখে
বা চলমান সংঘাতে জড়িত বলে মনে করে তাদের জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে যেতে পারবে না। তিনি বলেন, আমরা এখন যুদ্ধের মধ্যে আছি। পুরো অঞ্চলই যুদ্ধক্ষেত্র। আমাদের শত্রু ও তাদের মিত্রদের জাহাজ চলাচলের কোনও কারণ নেই। তবে অন্যদের জন্য এটি খোলা থাকবে।



