ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় পুলিশ হত্যা: ইরানে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে সম্ভাব্য পারমানবিক হুমকি হিসেবে দেখছে
তিন আরব দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি লড়াইয়ে ইরান
কলকাতায় বিজেপির প্রার্থী হতে চান আরজি কর হাসপাতালে নির্যাতিত চিকিৎসকের মা
কিউবায় আলো ফেরাতে সাহসী পদক্ষেপ রাশিয়ার
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি একটুও কমাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা
যুক্তরাষ্ট্রে হামলার ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে পাকিস্তান: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা
ইসরায়েলের গ্যাস ফিল্ডে আক্রমণের জবাবে এক রাতেই ৯ ধনী উপসাগরীয় দেশে ইরানের ব্যালিস্টিক আঘাত
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ইরান। গত রাতে (১৮-১৯ মার্চ) ইরান একযোগে ৯টি দেশে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এটি ইসরায়েলের (যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে) ইরানের সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ডে (বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র) আক্রমণের প্রত্যুত্তর হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই হামলাকে যুদ্ধের সবচেয়ে তীব্র প্রতিশোধমূলক আক্রমণ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। ইরান এখন একমাত্র দেশ যা একসঙ্গে জিডিপি পার ক্যাপিটায় বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ৭টি দেশে (ইসরায়েলসহ উপসাগরীয় রাষ্ট্র) আক্রমণ চালাচ্ছে।
ইসরায়েলের আক্রমণের পটভূমি:
১৮ মার্চ ইসরায়েল (যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে) ইরানের সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ডে (কাতারের সঙ্গে যৌথ) হামলা চালায়। এতে আসালুয়েহ রিফাইনারি ও গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনায় আগুন লাগে, উৎপাদন ব্যাহত হয়।
কাতার এই হামলাকে “বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন” বলে নিন্দা করে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (IRGC) এর প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোর শক্তি স্থাপনাকে “বৈধ লক্ষ্য” ঘোষণা করে এবং “যেকোন সময়” হামলার হুমকি দেয়। ইরানের পাল্টা হামলার বিস্তারিত কেন্দ্রীয় ইসরায়েল (তেল আভিভ, রামাত গান, বনেই ব্রাক) লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্লাস্টার মিউনিশন নিক্ষেপ। রামাত গানে ২ জন নিহত। ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে ৪ ফিলিস্তিনি নারী নিহত। যুদ্ধ শুরু থেকে ইসরায়েলে ১২ জনেরও বেশি নিহত। কাতার: ১৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ। রাস লাফান এলএনজি হাবে (বিশ্বের সবচেয়ে বড় এলএনজি কমপ্লেক্স) “ব্যাপক ক্ষতি” নিশ্চিত। আগুন লাগে, উৎপাদন বন্ধ। কাতারএনার্জি জানায়, এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি। সংযুক্ত আরব আমিরাত: ১৩টি
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ২৭টি আক্রমণ ড্রোন প্রতিহত। শক্তি স্থাপনায় আসন্ন হামলার হুমকি। যুদ্ধ শুরু থেকে UAE-তে ১,৯৪৬+ প্রজেক্টাইল নিক্ষেপ। সৌদি আরব: সামরেফ রিফাইনারি ও জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স থেকে কর্মী সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ। রিয়াদের উপর ক্ষেপণাস্ত্রের ঢেউ প্রতিহত। আরামকো স্থাপনায় আগুন ও ক্ষতি। কুয়েত: ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত। মার্কিন স্থাপনা (আরিফজান, আলি আল-সালেম) লক্ষ্য। বাহরাইন: মার্কিন ৫ম ফ্লিট সদর দপ্তরে অব্যাহত আক্রমণ। শেখ ঈসা এয়ারবেসে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র। ওমান: শিল্পাঞ্চলে (দুকম পোর্ট) ড্রোন হামলা। কর্মী নিহত। নিরপেক্ষ ওমানও আক্রান্ত। জর্ডান : মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা। ইরাক : বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে রাত্রিকালীন ড্রোন অবরোধ। আক্রান্ত উপসাগরীয় দেশগুলোর সম্মিলিত জিডিপি পার ক্যাপিটা $৪১৭,০০০-এর বেশি। এরা বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশ, কিন্তু ইরান নিজের অর্থনীতি ধ্বংসের
মুখে থেকেও এদের আক্রমণ করছে। এটিকে “অপারেশন ম্যাডম্যান” বলা হচ্ছে —উউপসাগরীয় অঞ্চলের সম্পদ পুড়িয়ে দিয়ে যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানানোর কৌশল হিসাবে দেখছেন সমর বিশেষজ্ঞরা। যুদ্ধ শুরু (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইরান হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন নিক্ষেপ করেছে, যার বেশিরভাগ প্রতিহত হলেও ক্ষতি বিশাল। তেলের দাম $১১০ ছাড়িয়েছে, বিশ্ব অর্থনীতিতে সংকট তৈরি হয়েছে। এই হামলা যুদ্ধকে আরও বিস্তৃত করেছে এবং তেল-গ্যাসের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
কাতার এই হামলাকে “বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন” বলে নিন্দা করে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (IRGC) এর প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোর শক্তি স্থাপনাকে “বৈধ লক্ষ্য” ঘোষণা করে এবং “যেকোন সময়” হামলার হুমকি দেয়। ইরানের পাল্টা হামলার বিস্তারিত কেন্দ্রীয় ইসরায়েল (তেল আভিভ, রামাত গান, বনেই ব্রাক) লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্লাস্টার মিউনিশন নিক্ষেপ। রামাত গানে ২ জন নিহত। ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে ৪ ফিলিস্তিনি নারী নিহত। যুদ্ধ শুরু থেকে ইসরায়েলে ১২ জনেরও বেশি নিহত। কাতার: ১৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ। রাস লাফান এলএনজি হাবে (বিশ্বের সবচেয়ে বড় এলএনজি কমপ্লেক্স) “ব্যাপক ক্ষতি” নিশ্চিত। আগুন লাগে, উৎপাদন বন্ধ। কাতারএনার্জি জানায়, এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি। সংযুক্ত আরব আমিরাত: ১৩টি
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ২৭টি আক্রমণ ড্রোন প্রতিহত। শক্তি স্থাপনায় আসন্ন হামলার হুমকি। যুদ্ধ শুরু থেকে UAE-তে ১,৯৪৬+ প্রজেক্টাইল নিক্ষেপ। সৌদি আরব: সামরেফ রিফাইনারি ও জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স থেকে কর্মী সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ। রিয়াদের উপর ক্ষেপণাস্ত্রের ঢেউ প্রতিহত। আরামকো স্থাপনায় আগুন ও ক্ষতি। কুয়েত: ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত। মার্কিন স্থাপনা (আরিফজান, আলি আল-সালেম) লক্ষ্য। বাহরাইন: মার্কিন ৫ম ফ্লিট সদর দপ্তরে অব্যাহত আক্রমণ। শেখ ঈসা এয়ারবেসে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র। ওমান: শিল্পাঞ্চলে (দুকম পোর্ট) ড্রোন হামলা। কর্মী নিহত। নিরপেক্ষ ওমানও আক্রান্ত। জর্ডান : মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা। ইরাক : বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে রাত্রিকালীন ড্রোন অবরোধ। আক্রান্ত উপসাগরীয় দেশগুলোর সম্মিলিত জিডিপি পার ক্যাপিটা $৪১৭,০০০-এর বেশি। এরা বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশ, কিন্তু ইরান নিজের অর্থনীতি ধ্বংসের
মুখে থেকেও এদের আক্রমণ করছে। এটিকে “অপারেশন ম্যাডম্যান” বলা হচ্ছে —উউপসাগরীয় অঞ্চলের সম্পদ পুড়িয়ে দিয়ে যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানানোর কৌশল হিসাবে দেখছেন সমর বিশেষজ্ঞরা। যুদ্ধ শুরু (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইরান হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন নিক্ষেপ করেছে, যার বেশিরভাগ প্রতিহত হলেও ক্ষতি বিশাল। তেলের দাম $১১০ ছাড়িয়েছে, বিশ্ব অর্থনীতিতে সংকট তৈরি হয়েছে। এই হামলা যুদ্ধকে আরও বিস্তৃত করেছে এবং তেল-গ্যাসের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।



