ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও হরমুজে তেলবাহী জাহাজ চলাচল কম: শুধু ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ চলছে
ইরানের যা কিছু ‘অবশিষ্ট’ তা-ও শেষ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াল মালয়েশিয়া
গোয়েন্দা মন্ত্রীর নিহতের খবর নিশ্চিত করলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
হরমুজ প্রণালি পাশ কাটানোর চেষ্টায় সৌদি, আমিরাত, ইরাক
জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার ‘কঠিন প্রতিশোধ’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
লারিজানি হত্যার প্রতিশোধে ইসরাইলে ক্লাস্টার বোমা হামলা ইরানের
প্রথম দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল মালয়েশিয়ার: একই ধরনের চুক্তি করা বাংলাদেশ কী করবে?
মালয়েশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত Agreement on Reciprocal Trade (ART) চুক্তিকে “null and void” (অকার্যকর ও বাতিল) ঘোষণা করেছে। এই ঘোষণা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ট্রাম্প-যুগের reciprocal tariff নীতির একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। মালয়েশিয়ার পর বাংলাদেশের মতো অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে স্বাক্ষরিত একই ধরনের চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কুয়ালালামপুরে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এটি ট্রাম্পের reciprocal tariff strategy-এর অংশ ছিল, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র মালয়েশিয়ার আমদানির ওপর প্রাথমিকভাবে ৪৭% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করে, পরে আলোচনায় তা ১৯%-এ নামানো হয়।
বিনিময়ে মালয়েশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের রাসায়নিক, যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিক্স, গাড়ি, দুগ্ধজাত পণ্য, মাংস, চাল ইত্যাদির জন্য
উল্লেখযোগ্য বাজার সুবিধা দেয়। চুক্তিটি International Emergency Economic Powers Act (IEEPA)-এর অধীনে জরুরি অবস্থার নামে আরোপিত শুল্কের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে, ট্রাম্প IEEPA-এর অধীনে এই ব্যাপক শুল্ক আরোপের ক্ষমতা অতিক্রম করেছেন—এটি অসাংবিধানিক। ফলে শুল্ক নীতির আইনি ভিত্তি ভেঙে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র পরে সব আমদানির ওপর uniform 10% tariff আরোপের দিকে এগোয় (Section 122-এর অধীনে), যা মালয়েশিয়ার জন্য আগের বিশেষ ছাড় বাতিল করে দেয়। ১৫ মার্চ মালয়েশিয়ার Investment, Trade and Industry Minister Johari Abdul Ghani ঘোষণা করেন, “It is not on hold. It is no longer there, it’s null and void.” তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের
রায়ের কারণে reciprocity আর বজায় নেই। পরে মন্ত্রণালয় ক্ল্যারিফিকেশন দিলেও অনেক সূত্র (New Straits Times, StratNews Global, SCMP) এটিকে বাতিল হিসেবেই দেখছে। মালয়েশিয়া প্রথম দেশ হিসেবে এই নীতি থেকে বেরিয়ে এসেছে, যা অন্যান্য দেশকে (কম্বোডিয়া, আর্জেন্টিনা ইত্যাদি) অনুপ্রাণিত করতে পারে। বাংলাদেশের সঙ্গে একই ধরনের চুক্তি বাংলাদেশও ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে (৯ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে Agreement on Reciprocal Trade স্বাক্ষর করে। এতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের আমদানির ওপর reciprocal tariff ১৯%-এ নামিয়েছে (প্রাথমিক ৩৭% থেকে কমিয়ে), এবং কিছু টেক্সটাইল-অ্যাপারেল (US উৎপাদিত কটন/ফাইবার ব্যবহার করে তৈরি) zero tariff-এর সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিনিময়ে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের রাসায়নিক, যন্ত্রপাতি, কৃষিপণ্য (দুগ্ধ, মাংস, সয়া, ফল) ইত্যাদির জন্য উল্লেখযোগ্য বাজার সুবিধা দিয়েছে।
চুক্তিটি বাংলাদেশের RMG রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কিন্তু এতে asymmetrical reciprocity-এর অভিযোগ উঠেছে—বাংলাদেশের বাজার বেশি খোলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় কম। মালয়েশিয়ার পদক্ষেপের পর বাংলাদেশের চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। CPD-এর মতো থিঙ্ক ট্যাঙ্ক বলছে, চুক্তির fiscal impact (Tk 1,327 কোটি বার্ষিক রাজস্ব হারানোর সম্ভাবনা) বিবেচনা করে পুনর্বিবেচনা দরকার। কমার্স সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর reciprocal tariff বাতিল হলে চুক্তিও অকার্যকর হতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাংলাদেশের RMG রপ্তানি (US-এ $8 বিলিয়ন+) এবং US-এর বাজার অ্যাক্সেসের ওপর নির্ভরশীলতা বিবেচনায় চুক্তি বাতিল করলে নতুন 10% uniform tariff-এর চাপ পড়তে পারে। তবে মালয়েশিয়ার মতো বাতিল ঘোষণা করলে ASEAN/চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানো
যেতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসেনি, কিন্তু নতুন করে আলোচনা বা পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এই ঘটনা ট্রাম্পের tariff নীতির দুর্বলতা প্রকাশ করেছে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য নতুন বাণিজ্য কৌশলের সুযোগ তৈরি করতে পারে।
উল্লেখযোগ্য বাজার সুবিধা দেয়। চুক্তিটি International Emergency Economic Powers Act (IEEPA)-এর অধীনে জরুরি অবস্থার নামে আরোপিত শুল্কের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে, ট্রাম্প IEEPA-এর অধীনে এই ব্যাপক শুল্ক আরোপের ক্ষমতা অতিক্রম করেছেন—এটি অসাংবিধানিক। ফলে শুল্ক নীতির আইনি ভিত্তি ভেঙে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র পরে সব আমদানির ওপর uniform 10% tariff আরোপের দিকে এগোয় (Section 122-এর অধীনে), যা মালয়েশিয়ার জন্য আগের বিশেষ ছাড় বাতিল করে দেয়। ১৫ মার্চ মালয়েশিয়ার Investment, Trade and Industry Minister Johari Abdul Ghani ঘোষণা করেন, “It is not on hold. It is no longer there, it’s null and void.” তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের
রায়ের কারণে reciprocity আর বজায় নেই। পরে মন্ত্রণালয় ক্ল্যারিফিকেশন দিলেও অনেক সূত্র (New Straits Times, StratNews Global, SCMP) এটিকে বাতিল হিসেবেই দেখছে। মালয়েশিয়া প্রথম দেশ হিসেবে এই নীতি থেকে বেরিয়ে এসেছে, যা অন্যান্য দেশকে (কম্বোডিয়া, আর্জেন্টিনা ইত্যাদি) অনুপ্রাণিত করতে পারে। বাংলাদেশের সঙ্গে একই ধরনের চুক্তি বাংলাদেশও ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে (৯ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে Agreement on Reciprocal Trade স্বাক্ষর করে। এতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের আমদানির ওপর reciprocal tariff ১৯%-এ নামিয়েছে (প্রাথমিক ৩৭% থেকে কমিয়ে), এবং কিছু টেক্সটাইল-অ্যাপারেল (US উৎপাদিত কটন/ফাইবার ব্যবহার করে তৈরি) zero tariff-এর সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিনিময়ে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের রাসায়নিক, যন্ত্রপাতি, কৃষিপণ্য (দুগ্ধ, মাংস, সয়া, ফল) ইত্যাদির জন্য উল্লেখযোগ্য বাজার সুবিধা দিয়েছে।
চুক্তিটি বাংলাদেশের RMG রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কিন্তু এতে asymmetrical reciprocity-এর অভিযোগ উঠেছে—বাংলাদেশের বাজার বেশি খোলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় কম। মালয়েশিয়ার পদক্ষেপের পর বাংলাদেশের চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। CPD-এর মতো থিঙ্ক ট্যাঙ্ক বলছে, চুক্তির fiscal impact (Tk 1,327 কোটি বার্ষিক রাজস্ব হারানোর সম্ভাবনা) বিবেচনা করে পুনর্বিবেচনা দরকার। কমার্স সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর reciprocal tariff বাতিল হলে চুক্তিও অকার্যকর হতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাংলাদেশের RMG রপ্তানি (US-এ $8 বিলিয়ন+) এবং US-এর বাজার অ্যাক্সেসের ওপর নির্ভরশীলতা বিবেচনায় চুক্তি বাতিল করলে নতুন 10% uniform tariff-এর চাপ পড়তে পারে। তবে মালয়েশিয়ার মতো বাতিল ঘোষণা করলে ASEAN/চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানো
যেতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসেনি, কিন্তু নতুন করে আলোচনা বা পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এই ঘটনা ট্রাম্পের tariff নীতির দুর্বলতা প্রকাশ করেছে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য নতুন বাণিজ্য কৌশলের সুযোগ তৈরি করতে পারে।



