ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানের যা কিছু ‘অবশিষ্ট’ তা-ও শেষ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াল মালয়েশিয়া
গোয়েন্দা মন্ত্রীর নিহতের খবর নিশ্চিত করলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার ‘কঠিন প্রতিশোধ’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
লারিজানি হত্যার প্রতিশোধে ইসরাইলে ক্লাস্টার বোমা হামলা ইরানের
কাবুলে হাসপাতালে ভয়াবহ বিমান হামলা: পাকিস্তানের যুদ্ধাপরাধ ও বর্বরতা ১৯৭১ এর মতোই
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব
হরমুজ প্রণালি পাশ কাটানোর চেষ্টায় সৌদি, আমিরাত, ইরাক
ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রায় সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ করে রাখায় বিকল্প উপায়ের সন্ধান করছে তেল রপ্তানিকারক দেশ। এরই মধ্যে কয়েকটি দেশ পাইপলাইনের মাধ্যমে রপ্তানি শুরু করেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই প্রণালিটি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে ৮৭ শতাংশ পর্যন্ত।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) জানিয়েছে, এই বিকল্প রুটগুলো দিয়ে রপ্তানির পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে। সৌদি আরব লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত তাদের ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ পাইপলাইনের মাধ্যমে দ্রুত সরবরাহ বাড়াচ্ছে। আইইএ-র মার্চ মাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পাইপলাইন দিয়ে তেল প্রবাহ ২০২৫ সালের দৈনিক গড় ১ দশমিক ৭ মিলিয়ন ব্যারেল থেকে বেড়ে ৯ মার্চ রেকর্ড ৫ দশমিক ৯ মিলিয়ন
ব্যারেলে পৌঁছায়। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এটি পূর্ণ সক্ষমতা অর্থাৎ, দৈনিক ৭ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছাবে। সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের হাবশান-ফুজাইরাহ পাইপলাইনের মাধ্যমে রপ্তানি বাড়াচ্ছে। এই পাইপলাইনটি ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহ বন্দরের সঙ্গে যুক্ত। চলতি মাসের প্রথম ১০ দিনে এই লাইনে দৈনিক গড় তেল প্রবাহ পৌঁছায় ১ দশমিক ৮ মিলিয়ন ব্যারেলে। যা সংকটের আগের ১ মিলিয়ন ব্যারেলের তুলনায় অনেক বেশি এবং বর্তমানে এটি সর্বোচ্চ সক্ষমতায় আছে। ট্যাঙ্কার ট্র্যাকার ডটকম এবং বাজার বিশ্লেষণকারী সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, উপসাগরীয় দেশগুলো বিকল্প খুঁজতে হিমশিম খেলেও ইরান প্রতিদিন ১ দশমিক ১ থেকে ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। তবে গত শুক্রবার মার্কিন বাহিনী ইরানের
খার্গ দ্বীপে হামলা চালায়। এই দ্বীপটি ইরানের তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে এবং এটি তেহরানের অন্যতম প্রধান দুর্বলতা হিসেবে বিবেচিত। ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, মার্কিন বাহিনী সেখানে প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে হস্তক্ষেপ অব্যাহত রাখে, তবে তাদের তেলের অবকাঠামোতেও হামলা চালানো হতে পারে। রয়টার্স জানিয়েছে বাজার বিশ্লেষকরা বর্তমানে খার্গ দ্বীপের পাইপলাইন, টার্মিনাল বা মজুত ট্যাংকের ক্ষতি পর্যবেক্ষণ করছেন। সেখানে সামান্যতম বিপর্যয়ও বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ আরও কমিয়ে দিতে পারে। যা অস্থিতিশীল বাজারে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করবে। তুরস্ককে ব্যবহার করছে ইরাক চলমান পরিস্থিতিতে তুরস্কের জেহান বন্দরের মাধ্যমে দৈনিক ২ লাখ ৫০
হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি শুরু করেছে ইরাক। তাদের রাজস্বের ৯০ শতাংশই আসে অপরিশোধিত তেল বিক্রি থেকে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে দৈনিক প্রায় ৩৫ লাখ ব্যারেল ইরাকি তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বিকল্প রুট হিসেবে তুরস্ককে বেছে নেওয়ার পর ইরাক তাদের উত্তর কিরকুক প্রদেশের খনিগুলো থেকে তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু করেছে। এই রপ্তানি প্রক্রিয়াটি স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। সরবরাহের পাইপলাইনটি কুর্দিস্তানের ওপর দিয়ে তুরস্কের জেহান বন্দরে গেছে। নতুন ‘প্রোটোকল’ চায় ইরান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির দাবি, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর উপসাগরীয় দেশগুলোর উচিত হরমুজ প্রণালির জন্য একটি নতুন প্রোটোকল বা নীতিমালা তৈরি করা। এর
উদ্দেশ্য ইরান ও আঞ্চলিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিছু শর্তের অধীনে সংকীর্ণ জলপথটি দিয়ে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা। রয়টার্স জানিয়েছে আরাগচির এই মন্তব্যের আগে গত মঙ্গলবার ইরানের স্পিকার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লিখেন, ‘হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি আর যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরে যাবে না।’ ইরানের এমন কঠোর অবস্থানের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র জাহাজ পাহারা দেওয়ার জন্য একটি নৌ-জোট গঠনের চেষ্টা চলাচ্ছে। বুধবার পর্যন্ত তাতে উল্লেখযোগ্য সাড়া মেলেনি। ন্যাটোভুক্ত অধিকাংশ দেশ জানিয়েছে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে জড়াতে চায় না। সবশেষ ফ্রান্স বলেছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর এবং তেহরানের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে তারা জোটের কথা বিবেচনা করবে। এ অবস্থায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, যুদ্ধের অবসান কেবল তখনই সম্ভব যদি
পুরো অঞ্চলজুড়ে সংঘাত স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়। পাশাপাশি ইরানকেও যুদ্ধের কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। নিরাপদ করিডোরের প্রস্তাব আটকে পড়া কয়েক হাজার জাহাজ এবং নাবিকদের ভাগ্য নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মাঝে বুধবার বিশেষ বৈঠকে বসছে আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থা (আইএমও)। লন্ডনে সংস্থাটির দুই দিনব্যাপী অধিবেশনে কয়েকটি প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হওয়া কথা। এ ছাড়া, বৃহস্পতিবার ৪০ সদস্যের কাউন্সিল কিছু প্রস্তাবের ওপর ভোট দিতে পারে বলে জানিয়েছে এএফপি। উল্লেখযোগ্য প্রস্তাবের মধ্যে আছে, পারস্য উপসাগরে আটকে পড়া নাবিক এবং জাহাজগুলোকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি নিরাপদ করিডোর প্রতিষ্ঠা করা। তবে এই প্রস্তাবগুলো পাস হলেও তা মানা বাধ্যতামূলক নয়। ১৯ দিনে যা হলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর
৪ মার্চ ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। ব্রিটিশ নৌ-নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও-এর তথ্য অনুযায়ী, ১ মার্চ থেকে এই প্রণালি এবং ওমান উপসাগরে ১০টি ট্যাঙ্কারসহ মোট ২১টি বাণিজ্যিক জাহাজ আক্রমণ অথবা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। আইএমওর হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত আটজন নাবিক ও বন্দর শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। চারজন নিখোঁজ ও ১০ জন আহত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা উইন্ডওয়ার্ড জানায়, যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ৯৭ শতাংশ কমে গেছে। শিপিং ইন্ডাস্ট্রি ইন্টেলিজেন্স সাইট লয়েডস লিস্ট জানিয়েছে, এই চ্যানেলে সাধারণত প্রতিদিন প্রায় ১২০টি জাহাজ চলাচল করলেও যুদ্ধ শুরুর পরের দুই সপ্তাহে চলাচল করে মাত্র ৭৭টি। এদিকে এইচএসবিসি ব্যাংকের গবেষকরা ১৪ মার্চের এক প্রতিবেদনে জানান, সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে জাহাজের জ্বালানি তেলের দাম ৮৭ শতাংশ বেড়েছে। এই দাম ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রায় আগ্রাসনের পরবর্তী পর্যায়ের সমতুল্য।
ব্যারেলে পৌঁছায়। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এটি পূর্ণ সক্ষমতা অর্থাৎ, দৈনিক ৭ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছাবে। সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের হাবশান-ফুজাইরাহ পাইপলাইনের মাধ্যমে রপ্তানি বাড়াচ্ছে। এই পাইপলাইনটি ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহ বন্দরের সঙ্গে যুক্ত। চলতি মাসের প্রথম ১০ দিনে এই লাইনে দৈনিক গড় তেল প্রবাহ পৌঁছায় ১ দশমিক ৮ মিলিয়ন ব্যারেলে। যা সংকটের আগের ১ মিলিয়ন ব্যারেলের তুলনায় অনেক বেশি এবং বর্তমানে এটি সর্বোচ্চ সক্ষমতায় আছে। ট্যাঙ্কার ট্র্যাকার ডটকম এবং বাজার বিশ্লেষণকারী সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, উপসাগরীয় দেশগুলো বিকল্প খুঁজতে হিমশিম খেলেও ইরান প্রতিদিন ১ দশমিক ১ থেকে ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। তবে গত শুক্রবার মার্কিন বাহিনী ইরানের
খার্গ দ্বীপে হামলা চালায়। এই দ্বীপটি ইরানের তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে এবং এটি তেহরানের অন্যতম প্রধান দুর্বলতা হিসেবে বিবেচিত। ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, মার্কিন বাহিনী সেখানে প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে হস্তক্ষেপ অব্যাহত রাখে, তবে তাদের তেলের অবকাঠামোতেও হামলা চালানো হতে পারে। রয়টার্স জানিয়েছে বাজার বিশ্লেষকরা বর্তমানে খার্গ দ্বীপের পাইপলাইন, টার্মিনাল বা মজুত ট্যাংকের ক্ষতি পর্যবেক্ষণ করছেন। সেখানে সামান্যতম বিপর্যয়ও বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ আরও কমিয়ে দিতে পারে। যা অস্থিতিশীল বাজারে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করবে। তুরস্ককে ব্যবহার করছে ইরাক চলমান পরিস্থিতিতে তুরস্কের জেহান বন্দরের মাধ্যমে দৈনিক ২ লাখ ৫০
হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি শুরু করেছে ইরাক। তাদের রাজস্বের ৯০ শতাংশই আসে অপরিশোধিত তেল বিক্রি থেকে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে দৈনিক প্রায় ৩৫ লাখ ব্যারেল ইরাকি তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বিকল্প রুট হিসেবে তুরস্ককে বেছে নেওয়ার পর ইরাক তাদের উত্তর কিরকুক প্রদেশের খনিগুলো থেকে তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু করেছে। এই রপ্তানি প্রক্রিয়াটি স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। সরবরাহের পাইপলাইনটি কুর্দিস্তানের ওপর দিয়ে তুরস্কের জেহান বন্দরে গেছে। নতুন ‘প্রোটোকল’ চায় ইরান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির দাবি, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর উপসাগরীয় দেশগুলোর উচিত হরমুজ প্রণালির জন্য একটি নতুন প্রোটোকল বা নীতিমালা তৈরি করা। এর
উদ্দেশ্য ইরান ও আঞ্চলিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিছু শর্তের অধীনে সংকীর্ণ জলপথটি দিয়ে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা। রয়টার্স জানিয়েছে আরাগচির এই মন্তব্যের আগে গত মঙ্গলবার ইরানের স্পিকার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লিখেন, ‘হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি আর যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরে যাবে না।’ ইরানের এমন কঠোর অবস্থানের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র জাহাজ পাহারা দেওয়ার জন্য একটি নৌ-জোট গঠনের চেষ্টা চলাচ্ছে। বুধবার পর্যন্ত তাতে উল্লেখযোগ্য সাড়া মেলেনি। ন্যাটোভুক্ত অধিকাংশ দেশ জানিয়েছে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে জড়াতে চায় না। সবশেষ ফ্রান্স বলেছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর এবং তেহরানের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে তারা জোটের কথা বিবেচনা করবে। এ অবস্থায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, যুদ্ধের অবসান কেবল তখনই সম্ভব যদি
পুরো অঞ্চলজুড়ে সংঘাত স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়। পাশাপাশি ইরানকেও যুদ্ধের কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। নিরাপদ করিডোরের প্রস্তাব আটকে পড়া কয়েক হাজার জাহাজ এবং নাবিকদের ভাগ্য নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মাঝে বুধবার বিশেষ বৈঠকে বসছে আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থা (আইএমও)। লন্ডনে সংস্থাটির দুই দিনব্যাপী অধিবেশনে কয়েকটি প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হওয়া কথা। এ ছাড়া, বৃহস্পতিবার ৪০ সদস্যের কাউন্সিল কিছু প্রস্তাবের ওপর ভোট দিতে পারে বলে জানিয়েছে এএফপি। উল্লেখযোগ্য প্রস্তাবের মধ্যে আছে, পারস্য উপসাগরে আটকে পড়া নাবিক এবং জাহাজগুলোকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি নিরাপদ করিডোর প্রতিষ্ঠা করা। তবে এই প্রস্তাবগুলো পাস হলেও তা মানা বাধ্যতামূলক নয়। ১৯ দিনে যা হলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর
৪ মার্চ ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। ব্রিটিশ নৌ-নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও-এর তথ্য অনুযায়ী, ১ মার্চ থেকে এই প্রণালি এবং ওমান উপসাগরে ১০টি ট্যাঙ্কারসহ মোট ২১টি বাণিজ্যিক জাহাজ আক্রমণ অথবা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। আইএমওর হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত আটজন নাবিক ও বন্দর শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। চারজন নিখোঁজ ও ১০ জন আহত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা উইন্ডওয়ার্ড জানায়, যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ৯৭ শতাংশ কমে গেছে। শিপিং ইন্ডাস্ট্রি ইন্টেলিজেন্স সাইট লয়েডস লিস্ট জানিয়েছে, এই চ্যানেলে সাধারণত প্রতিদিন প্রায় ১২০টি জাহাজ চলাচল করলেও যুদ্ধ শুরুর পরের দুই সপ্তাহে চলাচল করে মাত্র ৭৭টি। এদিকে এইচএসবিসি ব্যাংকের গবেষকরা ১৪ মার্চের এক প্রতিবেদনে জানান, সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে জাহাজের জ্বালানি তেলের দাম ৮৭ শতাংশ বেড়েছে। এই দাম ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রায় আগ্রাসনের পরবর্তী পর্যায়ের সমতুল্য।



