ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব
অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান মোজতবা খামেনি, অডিও ফাঁস
রাশিয়ার তেল পাইপলাইন ইস্যুতে ইউরোপীয় মিত্রদের ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ জেলেনস্কির
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পর ইরানে ‘খুব কঠোর’ হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
অ্যামেরিকার সঙ্গে কিউবার বৈঠক সম্পন্ন: প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ কানেল
ট্রাম্পের গঠিত রিলিজিয়াস ফ্রিডম কমিশনের একমাত্র মুসলিম নারী সদস্যর পদত্যাগ
কাবুলে হাসপাতালে ভয়াবহ বিমান হামলা: পাকিস্তানের যুদ্ধাপরাধ ও বর্বরতা ১৯৭১ এর মতোই
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শবে কদরের রাত, সোমবার রাত ৯টার দিকে একটি মাদকাসক্তদের পুনর্বাসন হাসপাতালে (ওমিদ হাসপাতাল নামে পরিচিত, প্রায় ২,০০০ শয্যা বিশিষ্ট) ভয়াবহ বিমান হামলা চালানো হয়েছে। তালেবান সরকারের উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাতের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় এখন পর্যন্ত ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন প্রায় ২৫০ জন। হাসপাতালের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে, আগুন লেগে অনেকে পুড়ে বা দম বন্ধ হয়ে মারা গেছেন বলে জানা যাচ্ছে। উদ্ধারকারী দলগুলো এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের বের করার চেষ্টা করছে।
তালেবান কর্তৃপক্ষ সরাসরি পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে এই হামলার জন্য দায়ী করেছে। তারা একে “যুদ্ধাপরাধ” এবং “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ”
হিসেবে অভিহিত করেছে। আফগানিস্তানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রও জানিয়েছেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিরীহ রোগী ও কর্মীরা এই হামলার শিকার হয়েছেন—কোনো সামরিক ঘাঁটি বা স্থাপনা সেখানে ছিল না। অন্যদিকে, পাকিস্তান সরকার এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তারা দাবি করেছে, হামলাগুলো শুধুমাত্র তালেবান ও তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসী ঘাঁটি, অস্ত্রাগার ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ বলেছে, কোনো বেসামরিক স্থাপনা, বিশেষ করে হাসপাতালকে লক্ষ্য করা হয়নি—এসব অভিযোগ “জনমতকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা”। এই ঘটনা পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ঘটেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা, সীমান্ত সংঘর্ষ ও বিমান হামলা চলছে। পাকিস্তানের অভ্যন্তরে টিটিপি-সংশ্লিষ্ট হামলা বেড়ে যাওয়ার পর
থেকে ইসলামাবাদ আফগান ভূখণ্ড থেকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য তালেবানকে দায়ী করে আসছে। এই নৃশংস হামলা অনেকের মনে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ৩০ লক্ষ বাঙালী হত্যার বর্বরতার স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। হাসপাতালের মতো একটি স্থানে—যেখানে অসুস্থ, চিকিৎসাধীন মানুষরা আশ্রয় নিয়েছিল—বোমা ফেলে শত শত নিরীহ প্রাণ কেড়ে নেওয়া যেন পাকিস্তানের সেই পুরনো নৃশংস চরিত্রেরই প্রতিফলন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা এই হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।এই ঘটনা দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য নতুন করে হুমকি সৃষ্টি করেছে। উভয় পক্ষের মধ্যে সংযম ও সংলাপের অভাবে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের এখনই হস্তক্ষেপ
না করলে আরও বড় বিপর্যয় অপেক্ষা করছে।
হিসেবে অভিহিত করেছে। আফগানিস্তানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রও জানিয়েছেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিরীহ রোগী ও কর্মীরা এই হামলার শিকার হয়েছেন—কোনো সামরিক ঘাঁটি বা স্থাপনা সেখানে ছিল না। অন্যদিকে, পাকিস্তান সরকার এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তারা দাবি করেছে, হামলাগুলো শুধুমাত্র তালেবান ও তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসী ঘাঁটি, অস্ত্রাগার ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ বলেছে, কোনো বেসামরিক স্থাপনা, বিশেষ করে হাসপাতালকে লক্ষ্য করা হয়নি—এসব অভিযোগ “জনমতকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা”। এই ঘটনা পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ঘটেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা, সীমান্ত সংঘর্ষ ও বিমান হামলা চলছে। পাকিস্তানের অভ্যন্তরে টিটিপি-সংশ্লিষ্ট হামলা বেড়ে যাওয়ার পর
থেকে ইসলামাবাদ আফগান ভূখণ্ড থেকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য তালেবানকে দায়ী করে আসছে। এই নৃশংস হামলা অনেকের মনে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ৩০ লক্ষ বাঙালী হত্যার বর্বরতার স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। হাসপাতালের মতো একটি স্থানে—যেখানে অসুস্থ, চিকিৎসাধীন মানুষরা আশ্রয় নিয়েছিল—বোমা ফেলে শত শত নিরীহ প্রাণ কেড়ে নেওয়া যেন পাকিস্তানের সেই পুরনো নৃশংস চরিত্রেরই প্রতিফলন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা এই হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।এই ঘটনা দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য নতুন করে হুমকি সৃষ্টি করেছে। উভয় পক্ষের মধ্যে সংযম ও সংলাপের অভাবে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের এখনই হস্তক্ষেপ
না করলে আরও বড় বিপর্যয় অপেক্ষা করছে।



