ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পর ইরানে ‘খুব কঠোর’ হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
অ্যামেরিকার সঙ্গে কিউবার বৈঠক সম্পন্ন: প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ কানেল
ট্রাম্পের গঠিত রিলিজিয়াস ফ্রিডম কমিশনের একমাত্র মুসলিম নারী সদস্যর পদত্যাগ
জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন
কোনো সামর্থবান মুসলিম রাষ্ট্র নয়, ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
রাশিয়ার তেল পাইপলাইন ইস্যুতে ইউরোপীয় মিত্রদের ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ জেলেনস্কির
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কিছু মিত্র দেশের বিরুদ্ধে তাকে “ব্ল্যাকমেইল” করার অভিযোগ তুলেছেন। রাশিয়ার তেল হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়ায় পৌঁছানোর জন্য ইউক্রেনের মধ্য দিয়ে চলা সোভিয়েত যুগের দ্রুজবা তেল পাইপলাইন পুনরায় চালু করার চাপের প্রেক্ষিতে তিনি এ অভিযোগ করেন।
জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের মধ্য দিয়ে আবার রাশিয়ার তেল ইউরোপে প্রবাহিত করতে দেওয়া মানে কার্যত মস্কোর ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা।
ইউক্রেনের দাবি, জানুয়ারিতে রাশিয়ার বিমান হামলায় দ্রুজবা পাইপলাইনের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এখনো তা মেরামত করা হয়নি।
এদিকে হাঙ্গেরি রাশিয়ার জ্বালানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। দেশটি পাইপলাইন পুনরায় চালুর দাবি জানিয়ে মস্কোর বিরুদ্ধে নতুন ইইউ নিষেধাজ্ঞা এবং ইউক্রেনকে দেওয়ার জন্য নির্ধারিত
৯০ বিলিয়ন ইউরোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঋণ প্যাকেজ আটকে রেখেছে। হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান আগামী এপ্রিলের নির্বাচনের আগে ইউক্রেনবিরোধী অবস্থানকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে তুলে ধরেছেন। তবে জনমত জরিপে তার দল বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। ইইউ ইউক্রেনকে দ্রুত পাইপলাইনটি মেরামতের আহ্বান জানিয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পরিদর্শনের জন্য পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ করেছে। কিছু ইউরোপীয় কর্মকর্তা আশঙ্কা করছেন, জেলেনস্কির অনড় অবস্থান অরবানের নির্বাচনী সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে কিয়েভে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জেলেনস্কি বলেন, ইউরোপের অন্যত্র যখন রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তখন একই সঙ্গে ইউক্রেনের মধ্য দিয়ে সেই তেল পরিবহনের দাবি নীতিগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, “আমরা হয় রাশিয়ার তেল বিক্রি করি,
নয়তো করি না। যদি আমাদের ওপর দ্রুজবা পাইপলাইন চালু করার জন্য চাপ দেওয়া হয়, তবে সেটি মূলত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সমতুল্য।” সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট কমাতে কিছু দেশের জন্য রাশিয়ার তেল কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আংশিক শিথিল করেছে। এই সিদ্ধান্ত ইউরোপের বেশ কয়েকজন নেতার সমালোচনার মুখে পড়েছে। জেলেনস্কি আরও বলেন, “আমি স্পষ্টভাবে বলছি, আমি রাশিয়ার তেল সরবরাহ পুনরুদ্ধারের বিরুদ্ধে। কিন্তু যদি আমাকে এমন শর্ত দেওয়া হয় যে ইউক্রেন অস্ত্র পাবে না, তবে এ ক্ষেত্রে আমি অসহায় হয়ে পড়ব। এটিই প্রকৃত অর্থে ব্ল্যাকমেইল।” এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত প্রসঙ্গে জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের তৈরি ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এখন দেশের জন্য “তেলের
মতো গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ”। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের যৌথ ড্রোন উৎপাদন চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছেন। জেলেনস্কি জানান, সস্তা ইরানি ডিজাইনের ড্রোন মোকাবিলায় ইউক্রেনের প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতার প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশের আগ্রহ রয়েছে। তিনি বলেন, “আধুনিক ড্রোন উৎপাদন এবং এ বিষয়ে ইউক্রেনের অভিজ্ঞতাই আজকের দিনে আমাদের ‘ইউক্রেনীয় তেল’।” তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ সেদিকে বেশি কেন্দ্রীভূত হওয়ায় ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহে বিলম্ব বা কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তিনি আরও বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে হারাতে চাই না। কিন্তু বর্তমানে তারা স্বাভাবিকভাবেই মধ্যপ্রাচ্যের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে।” রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়েও জেলেনস্কি বিরোধিতা প্রকাশ করে বলেন, “রাশিয়ার ওপর থেকে
নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া বিশ্বের কোনো উপকার করবে না, বরং শুধু রাশিয়াকেই সাহায্য করবে।”
৯০ বিলিয়ন ইউরোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঋণ প্যাকেজ আটকে রেখেছে। হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান আগামী এপ্রিলের নির্বাচনের আগে ইউক্রেনবিরোধী অবস্থানকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে তুলে ধরেছেন। তবে জনমত জরিপে তার দল বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। ইইউ ইউক্রেনকে দ্রুত পাইপলাইনটি মেরামতের আহ্বান জানিয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পরিদর্শনের জন্য পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ করেছে। কিছু ইউরোপীয় কর্মকর্তা আশঙ্কা করছেন, জেলেনস্কির অনড় অবস্থান অরবানের নির্বাচনী সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে কিয়েভে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জেলেনস্কি বলেন, ইউরোপের অন্যত্র যখন রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তখন একই সঙ্গে ইউক্রেনের মধ্য দিয়ে সেই তেল পরিবহনের দাবি নীতিগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, “আমরা হয় রাশিয়ার তেল বিক্রি করি,
নয়তো করি না। যদি আমাদের ওপর দ্রুজবা পাইপলাইন চালু করার জন্য চাপ দেওয়া হয়, তবে সেটি মূলত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সমতুল্য।” সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট কমাতে কিছু দেশের জন্য রাশিয়ার তেল কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আংশিক শিথিল করেছে। এই সিদ্ধান্ত ইউরোপের বেশ কয়েকজন নেতার সমালোচনার মুখে পড়েছে। জেলেনস্কি আরও বলেন, “আমি স্পষ্টভাবে বলছি, আমি রাশিয়ার তেল সরবরাহ পুনরুদ্ধারের বিরুদ্ধে। কিন্তু যদি আমাকে এমন শর্ত দেওয়া হয় যে ইউক্রেন অস্ত্র পাবে না, তবে এ ক্ষেত্রে আমি অসহায় হয়ে পড়ব। এটিই প্রকৃত অর্থে ব্ল্যাকমেইল।” এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত প্রসঙ্গে জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের তৈরি ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এখন দেশের জন্য “তেলের
মতো গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ”। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের যৌথ ড্রোন উৎপাদন চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছেন। জেলেনস্কি জানান, সস্তা ইরানি ডিজাইনের ড্রোন মোকাবিলায় ইউক্রেনের প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতার প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশের আগ্রহ রয়েছে। তিনি বলেন, “আধুনিক ড্রোন উৎপাদন এবং এ বিষয়ে ইউক্রেনের অভিজ্ঞতাই আজকের দিনে আমাদের ‘ইউক্রেনীয় তেল’।” তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ সেদিকে বেশি কেন্দ্রীভূত হওয়ায় ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহে বিলম্ব বা কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তিনি আরও বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে হারাতে চাই না। কিন্তু বর্তমানে তারা স্বাভাবিকভাবেই মধ্যপ্রাচ্যের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে।” রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়েও জেলেনস্কি বিরোধিতা প্রকাশ করে বলেন, “রাশিয়ার ওপর থেকে
নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া বিশ্বের কোনো উপকার করবে না, বরং শুধু রাশিয়াকেই সাহায্য করবে।”



