আকিব হোসেন জাবির
আরও খবর
এন্টিবায়োটিক ঔষধকে বাঁচান
দ্যা প্রজেক্ট ওসমান হাদি (হাদিমাদি) ও এর ভবিষ্যত
‘ইরানে হামলা প্রমাণ করে চীন ও ভারত এখনো মার্কিন প্রশাসনের আক্রমনের লক্ষ্যবস্তু’
বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্রপতি, উদ্ধত শাসনব্যবস্থা এবং মব সন্ত্রাস
বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্রপতি, উদ্ধত শাসনব্যবস্থা এবং মব সন্ত্রাস
স্বাধিকার আন্দোলনের অগ্নিঝরা মার্চঃ ৩রা মার্চ ১৯৭১- বঙ্গবন্ধুর আহ্ববানে সারা দেশে হারতাল পালিত, যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত পূর্ব পাকিস্থান
মার্চ ১৯৭১: স্বাধীনতা ঘোষণার প্রথম আনুষ্ঠানিকতা
শেখ হাসিনার ‘চক্ষু রাঙানি উপেক্ষা’ বনাম বর্তমানের ‘অনুমতি ভিক্ষা’: কোন পথে বাংলাদেশ?
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি শব্দবন্ধটি দীর্ঘকাল ধরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সস্তা অপপ্রচার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্য যে মাথা উঁচু করা কূটনীতির সূচনা করেছিলেন তা বিশ্ব দরবারে এদেশকে প্রকৃত মর্যাদার আসনে বসিয়েছে।
আজ সময় যখন সত্যের আয়না হয়ে আমাদের সামনে দাঁড়িয়েছে তখন স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্রকৃত জাতীয় মর্যাদা রক্ষা আর আন্তর্জাতিক তোষামোদির মধ্যে পার্থক্য কোথায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছিলেন যে বাংলাদেশ কারো দয়ায় নয় বরং নিজের শক্তিতে চলে। অথচ আজ তারেক রহমানের সরকারের আমলে আমরা দেখছি কীভাবে প্রতিটি ছোট বড় সিদ্ধান্তের জন্য
পরাশক্তির করুণা বা বিশেষ ছাড়ের (ওয়েভার) অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। এটিই কি সেই তথাকথিত স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি যার স্বপ্ন দেশবাসীকে দেখানো হয়েছিল? প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন শেখ হাসিনা সবচেয়ে বড় সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা বাঙালির উন্নয়নের এক মহাকাব্যিক অধ্যায়। এই প্রকল্পের মূল কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বয়ং প্রথম ইউনিটের কংক্রিট ঢালাইয়ের উদ্বোধন করেন। বর্তমানে এই মেগা প্রকল্পটি তার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুন জুলাই নাগাদ এর প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হবে এবং ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই পূর্ণমাত্রায় ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে নিয়মিতভাবে
সরবরাহ করা সম্ভব হবে। ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পশ্চিমা বিশ্ব যখন রাশিয়ার ওপর কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তখন অনেক প্রভাবশালী রাষ্ট্রও রাশিয়ার সাথে কাজ করতে দ্বিধাবোধ করছিল। কিন্তু শেখ হাসিনা জাতীয় স্বার্থকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছিলেন। তিনি মার্কিন রক্তচক্ষুকে তোয়াক্কা না করে রাশিয়ার সাথে প্রকল্প অব্যাহত রাখেন। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন কার সাথে সম্পর্ক রাখব আর কার সাথে রাখব না সেটা কেউ আমাদের নির্দেশ দিতে পারে না। আজকের তীব্র বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের বাজারে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশের জন্য এক পরম আশীর্বাদ হয়ে আসছে। এটি শেখ হাসিনার সেই অকুতোভয় মানসিকতার ফসল যেখানে তিনি কোনো পরাশক্তির চাপের কাছে
নতি স্বীকার করেননি। শেখ হাসিনার শাসনামলের অন্যতম বড় সাফল্য ছিল বৈশ্বিক পরাশক্তিদের মধ্যে এক অনন্য ভারসাম্য রক্ষা করা। মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান অনস্বীকার্য এবং আওয়ামী লীগের সাথে ভারতের ঐতিহাসিক ও অকৃত্রিম বন্ধুত্ব রয়েছে। তা সত্ত্বেও শেখ হাসিনা উন্নয়নের প্রশ্নে কোনো নির্দিষ্ট দেশের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে পড়েননি। ভারত যুক্তরাষ্ট্র এবং সমগ্র পশ্চিমা বিশ্বের প্রচ্ছন্ন মনঃক্ষুণ্ণতা ও অস্বস্তি থাকা সত্ত্বেও তিনি বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে চীনের সাথে নিবিড় ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন যে জাতীয় স্বার্থে তিনি কতটা আপসহীন। শেখ হাসিনার সময়কালেই চীনের অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায় বাংলাদেশে বাস্তবায়িত হয়েছে একের পর এক বিস্ময়কর মেগা প্রকল্প। ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয়ে নির্মিত
পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীর তলদেশের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (কর্ণফুলী) টানেল পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগারের মতো প্রকল্পগুলো শেখ হাসিনার সেই কূটনৈতিক দক্ষতারই ফসল। পশ্চিমা বিশ্ব যখন গ্লোবাল পলিটিক্সে একমুখী মেরুকরণ করার চেষ্টা করছিল তখন শেখ হাসিনা ব্রিকস (BRICS) এ অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে বাংলাদেশ কারো লেজুড়বৃত্তি করবে না। আজ শেখ হাসিনা রাষ্ট্রক্ষমতায় নেই। তারেক রহমানের সরকারের আমলে আমরা দেখছি এক চরম অবমাননাকর চিত্র। সম্প্রতি পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মার্কিন রাষ্ট্রদূতের কাছে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার জন্য বিশেষ ছাড় বা ওয়েভার চেয়েছেন। যেখানে ভারত বা অন্য
দেশগুলো নিজেদের সার্বভৌম অধিকার ব্যবহার করে স্বাধীনভাবে তেল কিনছে সেখানে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে মার্কিন দপ্তরের অনুমতির জন্য অনুনয় করতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন শেখ হাসিনা কখনোই এভাবে বিদেশের কাছে হাত পেতে বা অনুমতি নিয়ে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সিদ্ধান্ত নিতেন না। আজ রাশিয়ার মতো অকৃত্রিম বন্ধুর কাছ থেকে তেল কিনতেও যদি তৃতীয় কোনো শক্তির পা ধরে বসে থাকতে হয় তবে এর চেয়ে বড় নতজানু পররাষ্ট্রনীতি আর কী হতে পারে? ইতিহাস সাক্ষী দেবে শেখ হাসিনা ছিলেন এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক যিনি বৈশ্বিক মোড়লদের চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করে লাল সবুজের পতাকার মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন। তিনি উন্নয়ন করেছেন কিন্তু সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে নয়। ২০২৬ সালে যখন রূপপুরের বিদ্যুৎ জাতীয়
গ্রিডে আলোকিত করবে প্রতিটি ঘর তখন মানুষ কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করবে সেই সাহসী কাণ্ডারিকে। শেখ হাসিনার সেই মাথা উঁচু করা নীতিই ছিল বাংলাদেশের প্রকৃত রক্ষাকবচ আর বর্তমান তারেক রহমানের সরকারের পরমুখাপেক্ষী অবস্থান আমাদের সার্বভৌমত্বকেই আজ প্রশ্নবিদ্ধ করছে। লেখক: শিক্ষার্থী- আইন বিভাগ, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
পরাশক্তির করুণা বা বিশেষ ছাড়ের (ওয়েভার) অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। এটিই কি সেই তথাকথিত স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি যার স্বপ্ন দেশবাসীকে দেখানো হয়েছিল? প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন শেখ হাসিনা সবচেয়ে বড় সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা বাঙালির উন্নয়নের এক মহাকাব্যিক অধ্যায়। এই প্রকল্পের মূল কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বয়ং প্রথম ইউনিটের কংক্রিট ঢালাইয়ের উদ্বোধন করেন। বর্তমানে এই মেগা প্রকল্পটি তার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুন জুলাই নাগাদ এর প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হবে এবং ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই পূর্ণমাত্রায় ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে নিয়মিতভাবে
সরবরাহ করা সম্ভব হবে। ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পশ্চিমা বিশ্ব যখন রাশিয়ার ওপর কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তখন অনেক প্রভাবশালী রাষ্ট্রও রাশিয়ার সাথে কাজ করতে দ্বিধাবোধ করছিল। কিন্তু শেখ হাসিনা জাতীয় স্বার্থকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছিলেন। তিনি মার্কিন রক্তচক্ষুকে তোয়াক্কা না করে রাশিয়ার সাথে প্রকল্প অব্যাহত রাখেন। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন কার সাথে সম্পর্ক রাখব আর কার সাথে রাখব না সেটা কেউ আমাদের নির্দেশ দিতে পারে না। আজকের তীব্র বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের বাজারে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশের জন্য এক পরম আশীর্বাদ হয়ে আসছে। এটি শেখ হাসিনার সেই অকুতোভয় মানসিকতার ফসল যেখানে তিনি কোনো পরাশক্তির চাপের কাছে
নতি স্বীকার করেননি। শেখ হাসিনার শাসনামলের অন্যতম বড় সাফল্য ছিল বৈশ্বিক পরাশক্তিদের মধ্যে এক অনন্য ভারসাম্য রক্ষা করা। মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান অনস্বীকার্য এবং আওয়ামী লীগের সাথে ভারতের ঐতিহাসিক ও অকৃত্রিম বন্ধুত্ব রয়েছে। তা সত্ত্বেও শেখ হাসিনা উন্নয়নের প্রশ্নে কোনো নির্দিষ্ট দেশের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে পড়েননি। ভারত যুক্তরাষ্ট্র এবং সমগ্র পশ্চিমা বিশ্বের প্রচ্ছন্ন মনঃক্ষুণ্ণতা ও অস্বস্তি থাকা সত্ত্বেও তিনি বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে চীনের সাথে নিবিড় ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন যে জাতীয় স্বার্থে তিনি কতটা আপসহীন। শেখ হাসিনার সময়কালেই চীনের অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায় বাংলাদেশে বাস্তবায়িত হয়েছে একের পর এক বিস্ময়কর মেগা প্রকল্প। ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয়ে নির্মিত
পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীর তলদেশের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (কর্ণফুলী) টানেল পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগারের মতো প্রকল্পগুলো শেখ হাসিনার সেই কূটনৈতিক দক্ষতারই ফসল। পশ্চিমা বিশ্ব যখন গ্লোবাল পলিটিক্সে একমুখী মেরুকরণ করার চেষ্টা করছিল তখন শেখ হাসিনা ব্রিকস (BRICS) এ অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে বাংলাদেশ কারো লেজুড়বৃত্তি করবে না। আজ শেখ হাসিনা রাষ্ট্রক্ষমতায় নেই। তারেক রহমানের সরকারের আমলে আমরা দেখছি এক চরম অবমাননাকর চিত্র। সম্প্রতি পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মার্কিন রাষ্ট্রদূতের কাছে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার জন্য বিশেষ ছাড় বা ওয়েভার চেয়েছেন। যেখানে ভারত বা অন্য
দেশগুলো নিজেদের সার্বভৌম অধিকার ব্যবহার করে স্বাধীনভাবে তেল কিনছে সেখানে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে মার্কিন দপ্তরের অনুমতির জন্য অনুনয় করতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন শেখ হাসিনা কখনোই এভাবে বিদেশের কাছে হাত পেতে বা অনুমতি নিয়ে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সিদ্ধান্ত নিতেন না। আজ রাশিয়ার মতো অকৃত্রিম বন্ধুর কাছ থেকে তেল কিনতেও যদি তৃতীয় কোনো শক্তির পা ধরে বসে থাকতে হয় তবে এর চেয়ে বড় নতজানু পররাষ্ট্রনীতি আর কী হতে পারে? ইতিহাস সাক্ষী দেবে শেখ হাসিনা ছিলেন এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক যিনি বৈশ্বিক মোড়লদের চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করে লাল সবুজের পতাকার মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন। তিনি উন্নয়ন করেছেন কিন্তু সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে নয়। ২০২৬ সালে যখন রূপপুরের বিদ্যুৎ জাতীয়
গ্রিডে আলোকিত করবে প্রতিটি ঘর তখন মানুষ কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করবে সেই সাহসী কাণ্ডারিকে। শেখ হাসিনার সেই মাথা উঁচু করা নীতিই ছিল বাংলাদেশের প্রকৃত রক্ষাকবচ আর বর্তমান তারেক রহমানের সরকারের পরমুখাপেক্ষী অবস্থান আমাদের সার্বভৌমত্বকেই আজ প্রশ্নবিদ্ধ করছে। লেখক: শিক্ষার্থী- আইন বিভাগ, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।



