বিএনপির স্মৃতিশক্তি বড় অদ্ভুত, নিজের ঘোষিত সন্ত্রাসীকেই চিনতে পারে না! – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ মার্চ, ২০২৬
     ৮:৩৪ অপরাহ্ণ

আরও খবর

৪ হাজার সদস্য নিয়ে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে

নির্বাচনের দুদিন আগে ‘বিশেষ উদ্দেশ্যে’ সীমান্ত পার করানো হয় ফয়সালকে, অবশেষে ভারতে সঙ্গীসহ আটক

আড়ং ও বাংলাদেশের গৌরবময় অর্জন: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারুশিল্পের ষ্টোর’

৭ই মার্চ পোস্টের জেরে ঢাবি শিক্ষার্থীকে সেহেরির সময় নির্মমভাবে পেটালো ছাত্র শিবির-ছাত্রশক্তির সন্ত্রাসীরা

৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় গ্রেফতার ইমিসহ তিনজনের জামিন নামঞ্জুর

জ্বালানি সরবরাহে নজরদারি জোরদার, বিপিসির কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক মনিটরিং সেল গঠন

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কয় মাসের ব্যয় মেটাতে সক্ষম?

বিএনপির স্মৃতিশক্তি বড় অদ্ভুত, নিজের ঘোষিত সন্ত্রাসীকেই চিনতে পারে না!

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ মার্চ, ২০২৬ | ৮:৩৪ 16 ভিউ
খোরশেদ আলম রাসু। ঢাকার অপরাধ জগতে যার পরিচিতি “ফ্রিডম রাসু” নামে। ১৯৮৮ সালে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালানোর ঘটনায় যার নাম উঠে এসেছিল। হত্যা, চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৩টি মামলার আসামি। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত সরকার নিজেই যাকে দেশের ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় রেখেছিল, ধরিয়ে দিলে পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। সেই রাসু এখন বিএনপির “ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা।” এটা কোনো গল্প না। এটা ২০২৬ সালের বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন খান দলীয় প্যাডে চিঠি লিখেছেন। সেই চিঠিতে রাসুকে গোপালগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক এবং বিএনপির সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই না, যেসব পুলিশ কর্মকর্তারা এই “শীর্ষ সন্ত্রাসীকে” আইনত

গ্রেপ্তার করেছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে সেই চিঠিতে। অর্থাৎ আইন মানতে যারা পেশাদারিত্ব দেখিয়েছিলেন, তারাই এখন অপরাধী। আর বাংলাদেশের পুলিশের ওয়েবসাইটে এখনও “ওয়ান্টেড পারসন” হিসেবে নাম থাকা রাসু এখন নির্যাতিত নেতা। একটু পেছনে তাকানো দরকার। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে যে ২৩ জনের তালিকা বানিয়েছিল, সেই তালিকায় রাসুর নাম ছিল। ২০০২ সালে সেই বিএনপি সরকারের আমলেই কারাবন্দি হন তিনি। কারাগারে থেকেও তার চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি বলে তখনকার গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে। ২০০৩ সালে মালিবাগে ডিবির দুই কর্মকর্তা হত্যার ঘটনায়ও তার নাম এসেছিল। প্রায় ২৩ বছর কারাগারে কাটিয়ে বের হওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,

তিনি মগবাজার এলাকায় নতুন করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। এই মানুষটাকেই এখন বিএনপি তার দলীয় পরিচয় দিয়ে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে। প্রশ্নটা শুধু বিএনপির নৈতিক অবস্থান নিয়ে না। প্রশ্নটা হলো, এই দেশে একটা রাজনৈতিক দলের প্যাডে চিঠি দিলে কি পুলিশের ওয়ান্টেড তালিকায় থাকা একজন মানুষ “নির্যাতিত নেতা” হয়ে যায়? যদি তাই হয়, তাহলে রাষ্ট্রের আইন বলে আর কিছু আছে কি? তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকাটাও এখানে কম আলোচনার দাবি রাখে না। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে বাইরে রেখে, জনগণের ব্যাপক বয়কটের মধ্যে, কার্যত পাতানো একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যে ক্ষমতার সাজসজ্জা হয়েছে, সেই সরকারের আমলে এরকম একটি ঘটনা ঘটছে অথচ

কোনো দৃশ্যমান প্রতিক্রিয়া নেই প্রশাসনের তরফ থেকে। কোনাবাড়ি থানার ওসি বলছেন সিদ্ধান্ত নেবেন সিনিয়র কর্মকর্তারা। সহকারী পুলিশ কমিশনার বলছেন তদন্ত শুরু হলে জানানো হবে। এই “দেখা যাবে” সংস্কৃতিটাই আসলে বলে দিচ্ছে, ক্ষমতার কাছাকাছি থাকলে দেশে আইনের প্রয়োগ কতটা নমনীয় হয়ে পড়ে। বিএনপির নেতারা যখন বলেন তারা গণতন্ত্র চান, আইনের শাসন চান, তখন স্বাভাবিকভাবেই মনে পড়ে এই ঘটনার কথা। নিজেদের সরকারের আমলে যাকে দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসী ঘোষণা করা হয়েছিল, পুরস্কার দিয়ে ধরতে চাওয়া হয়েছিল, সেই মানুষটাকে দলীয় পরিচয়পত্র দিয়ে পুলিশের কাছে সুপারিশ পাঠানোর মধ্যে গণতন্ত্র বা আইনের শাসনের কোন সংজ্ঞাটা মেলে, সেটা বোঝা সাধারণ মানুষের পক্ষে সত্যিই কঠিন। রাজনীতিতে সুবিধাবাদ নতুন কিছু না।

দলে দলে অপরাধীরা রাজনৈতিক ছায়া নেয়, এটাও বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের চিত্র। কিন্তু এত নির্লজ্জভাবে, এত প্রকাশ্যে, দলীয় লেটারহেডে সই দিয়ে একজন ওয়ান্টেড সন্ত্রাসীকে “নির্যাতিত নেতা” বানানোর এই সাহসটা কোথা থেকে আসে? এই সাহস আসে জবাবদিহিতার সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি থেকে। এই সাহস আসে এই বিশ্বাস থেকে যে, বিএনপি করলে সত্যিই সাত খুন মাফ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের দোহাই দিয়ে আজ থেকে বন্ধ দেশের সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েই চলেছে রেকর্ডভাঙা ধস শেয়ারবাজারে: দুই দিনে উধাও ১৬ হাজার কোটি টাকা, কারসাজি নিয়ে সন্দেহ ৪ হাজার সদস্য নিয়ে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে নির্বাচনের দুদিন আগে ‘বিশেষ উদ্দেশ্যে’ সীমান্ত পার করানো হয় ফয়সালকে, অবশেষে ভারতে সঙ্গীসহ আটক আড়ং ও বাংলাদেশের গৌরবময় অর্জন: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারুশিল্পের ষ্টোর’ ঢাকায় ভোজ্যতেলের সরবরাহে টান, বেড়েছে খোলা ও বোতলজাত তেলের দাম ৭ই মার্চ পোস্টের জেরে ঢাবি শিক্ষার্থীকে সেহেরির সময় নির্মমভাবে পেটালো ছাত্র শিবির-ছাত্রশক্তির সন্ত্রাসীরা ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার: সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ইমিসহ কারাগারে ৩ শিক্ষার্থী এলপি গ্যাসের দাম ৪১০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব সরকারের ইফতারের পর প্রাণবন্ত থাকতে পান করুন তরমুজের শরবত রাত ১২টার পর সেহরি খেলে কি রোজা হবে? ‘নির্ভয়া’ শুধু একটি ঘটনা ছিল না, এমন প্রতিদিনই ঘটছে: রানী মুখার্জি পরাজয়ে শেষ এশিয়ান কাপ মিশন ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় গ্রেফতার ইমিসহ তিনজনের জামিন নামঞ্জুর দেশের ৮ বিভাগেই বৃষ্টির আভাস জ্বালানি সরবরাহে নজরদারি জোরদার, বিপিসির কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক মনিটরিং সেল গঠন তেহরানে তেল ডিপোতে ইসরায়েলি হামলা, পাল্টা হামলার হুমকি ইরানের ইরান ইস্যুতে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবির ব্যাখ্যা দিলেন ট্রাম্প কুইন্সে সড়কে জলাবদ্ধতা, গাড়ি চলাচলে বাধা