ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় ‘ককাস অব আমেরিকা ইন ন্যাশনাল পার্লামেন্ট অব বাংলাদেশ’
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’
আদর্শকে হত্যা করা যায় না, ট্রাম্পের ‘এক আঘাতেই সবাই শেষ’ মন্তব্যের জবাবে ইরান
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’
আটটি যুদ্ধ মিটমাট করেছি, তাও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প
গোপন খবর মিলছে, পরমাণু জব্দে কমান্ডো পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র
নবম দিনে গড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল আগ্রাসন চালাচ্ছে, পাল্টা জবাবে হামলা চালাচ্ছে ইরান। এমন সময়ে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে, ইরানের গোপন স্থানে থাকা ইউরেনিয়ামের অবস্থানের ধারণা পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
রোববার (৮ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ইরানের উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ জব্দ করতে দেশটিতে বিশেষ বাহিনী (স্পেশাল ফোর্স) পাঠাতে চায় ইসরাইল ও মার্কিন সরকার।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষ এই অভিযানে শুধু মার্কিন বা ইসরাইলি বাহিনী অংশ নেবে, নাকি এটি একটি যৌথ অভিযান হবে। সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি।
এই মিশনটি সম্ভবত হামলার ‘পরবর্তী ধাপে’ বাস্তবায়িত হবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনী আর কোনো জোরালো প্রতিরক্ষা গড়ে
তোলার সক্ষমতা রাখে না- ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র এই বিষয়ে নিশ্চিত হলেই কমান্ডো অভিযান চালাতে পারে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান সম্ভবত সেই অত্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবহার বা স্থানান্তর করতে সক্ষম হতে পারে। যা গত জুন মাসে ইরানের ইসফাহান পারমাণবিক সুবিধায় মার্কিন হামলার পর মাটির নিচে গোপন করা হয়েছিল। বর্তমানে ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ মাত্রায় সমৃদ্ধ ৪০০ কেজিরও বেশি (৮৮২ পাউন্ড) ইউরেনিয়ামের মজুত রয়েছে। তবে এই বিশাল মজুদের বর্তমান অবস্থা বা অবস্থান নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তবে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে এখন একটি ‘খুব সংকীর্ণ প্রবেশপথ’ আছে, যার মাধ্যমে ইউরেনিয়াম পুনরায় উদ্ধার করা সম্ভব
হতে পারে।
তোলার সক্ষমতা রাখে না- ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র এই বিষয়ে নিশ্চিত হলেই কমান্ডো অভিযান চালাতে পারে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান সম্ভবত সেই অত্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবহার বা স্থানান্তর করতে সক্ষম হতে পারে। যা গত জুন মাসে ইরানের ইসফাহান পারমাণবিক সুবিধায় মার্কিন হামলার পর মাটির নিচে গোপন করা হয়েছিল। বর্তমানে ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ মাত্রায় সমৃদ্ধ ৪০০ কেজিরও বেশি (৮৮২ পাউন্ড) ইউরেনিয়ামের মজুত রয়েছে। তবে এই বিশাল মজুদের বর্তমান অবস্থা বা অবস্থান নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তবে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে এখন একটি ‘খুব সংকীর্ণ প্রবেশপথ’ আছে, যার মাধ্যমে ইউরেনিয়াম পুনরায় উদ্ধার করা সম্ভব
হতে পারে।



