ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারাগারে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু,নির্যাতনের অভিযোগ স্বজনদের
মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞা থেকে জামায়াত-মুসলিম লীগ-নেজামে ইসলামের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার
জুলাই নিয়ে মন্তব্য করায় আনিস আলমগীর, পিয়া সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা
৩০০ দরিদ্রের উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ ৮ কোটি, দেশি-বিদেশি ৪৭৩ পরামর্শকের ব্যয় ৫৩ কোটি!
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন
নতুন জটিলতায় পে স্কেল, গেজেট কবে?
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিয়ে হঠাৎই জ্বলে উঠলেন আনু মুহাম্মদ
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান আয়োজন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও লেখক আনু মুহাম্মদ। তিনি এই আয়োজনকে সরকারের পক্ষ থেকে করা একটি বড় ভুল বলে অভিহিত করেছেন।
ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের আয়োজনে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়। একটি বিশেষ মিউজিক্যাল পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হয়, যেখানে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন বিশিষ্টজনেরা। অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি এই আয়োজনকে দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতীক বলে অভিহিত করেন, আর ডেপুটি
স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সংসদ ভবনের নকশা মার্কিন স্থপতি লুই কানের করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপত্যে বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রকৌশলী ফজলুর রহমান খানের অবদানের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এই আয়োজনের পরপরই নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে আনু মুহাম্মদ প্রশ্ন তোলেন, জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণ মার্কিন দূতাবাসের নিজস্ব জায়গা কি না এবং দূতাবাসের নিজস্ব প্রাঙ্গণে জায়গার সংকুলান না হওয়ার বিষয়টি নিয়েও কটাক্ষ করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী ও যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িত রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করে বলেন, সাম্প্রতিক এক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের ওপর একতরফা শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার পর
জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে দেশটির উৎসব আয়োজন সরকারের একটি বড় ভুল সিদ্ধান্ত। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বেও আনু মুহাম্মদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির কড়া সমালোচনা করে আসছিলেন। এর আগে এক সমাবেশে তিনি বলেছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং এর ফলে লাখ লাখ মানুষ কর্মসংস্থান হারাবে। তিনি সংসদে আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তি প্রত্যাখ্যানের দাবিও জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমন একজন নেতা বলেছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর মানবিক সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সহায়তার কথা উল্লেখ করে তিনি এটিকে দুই দেশের গভীর অংশীদারিত্বের প্রমাণ হিসেবে অভিহিত করেন। আনু মুহাম্মদের এই মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু
হয়েছে। একদিকে অনেকে তার অবস্থানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে জাতীয় সংসদের মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে বিদেশি রাষ্ট্রের উৎসব আয়োজনকে অনুচিত বলে মনে করছেন, অন্যদিকে সরকারপক্ষ ও কূটনৈতিক মহল এই আয়োজনকে দুই দেশের সম্পর্কের ইতিবাচক প্রতিফলন হিসেবে ব্যাখ্যা করছে। বিষয়টি নিয়ে সরকার বা সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।
স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সংসদ ভবনের নকশা মার্কিন স্থপতি লুই কানের করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপত্যে বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রকৌশলী ফজলুর রহমান খানের অবদানের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এই আয়োজনের পরপরই নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে আনু মুহাম্মদ প্রশ্ন তোলেন, জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণ মার্কিন দূতাবাসের নিজস্ব জায়গা কি না এবং দূতাবাসের নিজস্ব প্রাঙ্গণে জায়গার সংকুলান না হওয়ার বিষয়টি নিয়েও কটাক্ষ করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী ও যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িত রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করে বলেন, সাম্প্রতিক এক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের ওপর একতরফা শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার পর
জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে দেশটির উৎসব আয়োজন সরকারের একটি বড় ভুল সিদ্ধান্ত। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বেও আনু মুহাম্মদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির কড়া সমালোচনা করে আসছিলেন। এর আগে এক সমাবেশে তিনি বলেছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং এর ফলে লাখ লাখ মানুষ কর্মসংস্থান হারাবে। তিনি সংসদে আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তি প্রত্যাখ্যানের দাবিও জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমন একজন নেতা বলেছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর মানবিক সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সহায়তার কথা উল্লেখ করে তিনি এটিকে দুই দেশের গভীর অংশীদারিত্বের প্রমাণ হিসেবে অভিহিত করেন। আনু মুহাম্মদের এই মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু
হয়েছে। একদিকে অনেকে তার অবস্থানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে জাতীয় সংসদের মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে বিদেশি রাষ্ট্রের উৎসব আয়োজনকে অনুচিত বলে মনে করছেন, অন্যদিকে সরকারপক্ষ ও কূটনৈতিক মহল এই আয়োজনকে দুই দেশের সম্পর্কের ইতিবাচক প্রতিফলন হিসেবে ব্যাখ্যা করছে। বিষয়টি নিয়ে সরকার বা সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।



