ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল
৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব
রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ
অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে
একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ!
পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করবে সরকার
রাষ্ট্রপতি: গ্রামবাংলা আমাদের শিকড়, শক্তি ও সম্ভাবনার আধার
গাইবান্ধায় চাঁদাবাজির দায়ে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকসহ যুবদল-ছাত্রদলের নেতা গ্রেপ্তার
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় একটি এগ্রোভেট কারখানায় দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুর রহমান।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বোনারপাড়া ইউনিয়নের তেলিয়ান গ্রামে অবস্থিত ‘মোল্লা এগ্রো ফার্ম’-এ চাদা আদায় করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। কারখানার মালিক শরিফুল ইসলাম মোল্লা জানান, বিএনপির নেতারা কারখানায় এসে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। একপর্যায়ে কারখানাটি বন্ধ করে দেন তারা।
এ ঘটনায় রাতে শরিফুল ইসলাম মোল্লা চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৩/৪ জনকে
অজ্ঞাত আসামি করে সাঘাটা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার ভিত্তিতে বোনারপাড়া এলাকা থেকে তিনজনকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বোনারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সম্রাট মিয়া, একই ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব হাসান কবির এবং বোনারপাড়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সৃজন আহমেদ শিপন। মামলার ৪ নম্বর আসামি সাঈদ কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন বলে জানা গেছে। ৫ই আগস্টের পরে গ্রেপ্তারকৃতরা চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। জানা গেছে, কারখানার ম্যানেজারের কাছে বিভিন্ন কাগজপত্র দেখতে চান এবং কাগজপত্র না দেখালে থানায় নেওয়ার হুমকি দেন। পরে মালিকের ভাই শাহিন ঘটনাস্থলে গেলে তার কাছেও চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা
হয়, এমনকি দড়ি দিয়ে বেধে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয়। মালিক শরিফুল ইসলাম মোল্লা বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পুলিশের উপস্থিতিতেও অভিযুক্তরা চাঁদার দাবি অব্যাহত রাখেন। গুরুতর আহত শাহিনকে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সেলিম আহমেদ তুলিপ বলেন, অভিযুক্তরা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা বিষয়টি অস্বীকার করা যাবে না। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সম্রাট মিয়াকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাঘাটা থানার ওসি মাহবুর রহমান জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলাটি তদন্ত করছে গাইবান্ধা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
অজ্ঞাত আসামি করে সাঘাটা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার ভিত্তিতে বোনারপাড়া এলাকা থেকে তিনজনকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বোনারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সম্রাট মিয়া, একই ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব হাসান কবির এবং বোনারপাড়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সৃজন আহমেদ শিপন। মামলার ৪ নম্বর আসামি সাঈদ কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন বলে জানা গেছে। ৫ই আগস্টের পরে গ্রেপ্তারকৃতরা চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। জানা গেছে, কারখানার ম্যানেজারের কাছে বিভিন্ন কাগজপত্র দেখতে চান এবং কাগজপত্র না দেখালে থানায় নেওয়ার হুমকি দেন। পরে মালিকের ভাই শাহিন ঘটনাস্থলে গেলে তার কাছেও চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা
হয়, এমনকি দড়ি দিয়ে বেধে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয়। মালিক শরিফুল ইসলাম মোল্লা বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পুলিশের উপস্থিতিতেও অভিযুক্তরা চাঁদার দাবি অব্যাহত রাখেন। গুরুতর আহত শাহিনকে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সেলিম আহমেদ তুলিপ বলেন, অভিযুক্তরা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা বিষয়টি অস্বীকার করা যাবে না। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সম্রাট মিয়াকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাঘাটা থানার ওসি মাহবুর রহমান জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলাটি তদন্ত করছে গাইবান্ধা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।



